বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকেরও বয়স বাড়তে থাকে। শৈশবে যে  কোমল ত্বকের যে সৌন্দর্য থাকে, তা ধীরে ধীরে রুক্ষ হতে থাকে। কিন্তু শিশুর মতো কোমল ত্বক ধরে রাখতে কে না চায়!

ত্বক বিশেষজ্ঞ থেকে রূপচর্চার তাবড় খ্যাতনামারা বার বারই অতিরিক্ত রাসায়নিক, স্টেরয়েড মেশানো ক্রিম ব্যবহারের উপর রাশ টানতে বলেন। তবু আমরা অনেক সময়ই বাজারচলতি রাসায়নি মেশানো ক্রিমেই ভরসা রাখি, যা ত্বকের জন্য মোটেও সুখদায়ক নয়। তা হলে উপায়?

রূপবিশেষজ্ঞ ঝরনা সাহার মতে, নিয়মিত রূপ চর্চার তালিকায় একটু বেবি অয়েল রাখলেই মিটবে অনেক সমস্যা। আবার ফিরে পেতে পারেন শিশুর মতো কোমল ত্বক। কিন্তু কেন মাখবেন বেবি অয়েল? আসলে এই বেবি অয়েলে থাকে ভিটামিন ই ও এ। এ ছাড়াও মধু ও অ্যালোভেরাও এর প্রধানতম উপকরণ। এই প্রত্যেকটি উপাদানই ত্বকের জন্য খুব ভাল। কেন বেবি অয়েল ত্বকের জন্য উপকারী?

আরও পড়ুন: ডেঙ্গির দিন আসন্ন, এখনই এ সব উপায়ে রুখে দিন অসুখ

আচমকা হার্ট অ্যাটাক? প্রাণ বাঁচাতে কী করতে হবে জানেন?

  • শুধু শীত নয়, বয়স বাড়লে যে কোনও সময়েই গোড়ালির ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া বা গোড়ালি ফেটে যাওয়া এগুলি হয়। বেবি অয়েলের ভিটামিন এ ত্বক ভাল রাখতে সাহায্য করে। তাই আরও ভাল ফল পেতে প্রথমে পিউমিস স্টোন দিয়ে পা ভাল করে ঘষুন। তার পরে বেবি অয়েল গরম করে পায়ে মালিশ করুন।

  • বেবি অয়েলের চেয়ে ভাল মেক আপ রিমুভার আর কিছু নেই। অন্যান্য ক্লিনসারে কেমিক্যাল থাকে। বেবি অয়েল ব্যবহারে মেক আপ সহজেই ওঠে এবং ত্বকও নরম থাকে।

  • নখের কোনা থেকে অনেক সময়ে চামড়া উঠে যায়। একে আমরা নখকুনি বলে থাকি। নখের কোণ থেকে চামড়া উঠে  যাওয়া খুবই যন্ত্রণাদায়ক। এ ক্ষেত্র্রেও নখের চার পাশে বেবি অয়েল মাখতে পারেন। ব্যথা থেকে আরাম পাবেন এবং কিউটিকল ভাল থাকবে।

  • সর্বোপরি বেবি অয়েল ত্বকে ময়েশ্চরাইজার হিসেবে কাজ করে। শীত কালে নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া স্নানের পরে সারা গায়ে মাখতে পারেন বেবি অয়েল।