Advertisement
E-Paper

রক্তের সঙ্কট শক্তিনগরে

ফ্রিজের ভিতরে রক্তের ব্যাগ রয়েছে। আর বাইরে এক বোতল রক্তের জন্য হা পিত্যেশ করে দাঁড়িয়ে রয়েছেন মুমূর্ষু রোগীর বাড়ির লোকজন। শক্তিনগর জেলা হাসপাতালের এক কর্মী জানিয়ে দিলেন, “রক্ত নেই। আজ আর রক্ত দেওয়া যাবে না।” অথচ জানালা দিয়ে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ফ্রিজের মধ্যে রয়েছে রক্ত বোঝাই ব্যাগগুলো। সেই দিকে তাকিয়ে হাঁসখালির হরিতলার এক যুবকের প্রশ্ন, “ওই তো রক্ত রয়েছে দেখছি। তাহলে দেবেন না কেন?”

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ জুলাই ২০১৪ ০২:৩৭

ফ্রিজের ভিতরে রক্তের ব্যাগ রয়েছে। আর বাইরে এক বোতল রক্তের জন্য হা পিত্যেশ করে দাঁড়িয়ে রয়েছেন মুমূর্ষু রোগীর বাড়ির লোকজন। শক্তিনগর জেলা হাসপাতালের এক কর্মী জানিয়ে দিলেন, “রক্ত নেই। আজ আর রক্ত দেওয়া যাবে না।” অথচ জানালা দিয়ে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ফ্রিজের মধ্যে রয়েছে রক্ত বোঝাই ব্যাগগুলো। সেই দিকে তাকিয়ে হাঁসখালির হরিতলার এক যুবকের প্রশ্ন, “ওই তো রক্ত রয়েছে দেখছি। তাহলে দেবেন না কেন?”

ভিতর থেকে শুধু উত্তর ভেসে আসে, “কিট নেই।” রক্তের কার্ড নিয়ে ওই যুবক ছুটলেন রানাঘাট হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে। যাওয়ার আগে শুধু বলে গেলেন, “বাবা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ডাক্তার বলেছে দু’বোতল রক্তের প্রয়োজন। এখনই এক বোতল রক্তের দরকার ছিল। এখানে রক্ত থাকা সত্ত্বেও দিল না।” হাঁসখালির ওই যুবক একা নন, শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে রক্তের খোঁজে আসা সকলেরই অভিজ্ঞতা এমনই। তেহট্ট, কৃষ্ণনগর সদর ও রানাঘাট মহকুমার সমস্ত হাসপাতাল ও নার্সিংহোমগুলোর একমাত্র ভরসা জেলা হাসপাতালের এই ব্লাড ব্যাঙ্ক। জেলার বিরাট সংখ্যক মানুষ এই ব্লাড ব্যাঙ্কের উপরে নির্ভরশীল। প্রতিদিন গড়ে এখান থেকে ৩৫ থেকে ৪০ বোতল রক্ত সরবরাহ করা হয়। অথচ এমন একটি ব্লাড ব্যাঙ্ক দু’দিন ধরে ‘স্টকে’ রক্ত থাকা সত্ত্বেও রক্ত সরবরাহ করতে পারছেন না। কেন? ব্লাড ব্যঙ্কের কর্মীরা জানান, ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত আছে। ক্যাম্প থেকে আরও রক্ত আসছে। কিন্তু সেই রক্ত পরীক্ষা করার মত কিট নেই। তাই রক্তদান শিবির থেকে রক্ত সংগ্রহ করে আনার পরেও সেই রক্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে না। রক্ত থাকা সত্ত্বেও মানুষকে ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে। ব্লাড ব্যঙ্ক সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে একই ভাবে কিটের অভাবে রক্ত পরীক্ষা করা যাচ্ছিল না। ফলে তখনও এই একই সমস্যা হচ্ছিল। হাসপাতালের সুপার হিমাদ্রী হালদার বলেন, “কিটের অভাবে রক্ত পরীক্ষা করা যাচ্ছে না। এ ভাবে চলতে থাকলে আমরা রক্তদান শিবির বাতিল করতে বাধ্য হব।”

non-availability of blood krishnanagar
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy