কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের বিরুদ্ধে আবেদনের দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার এমএল শর্মা নামের এক আইনজীবী জম্মু ও কাশ্মীরে ভারত সরকারের ৩৭০ ধারা রদের সিদ্ধান্তকে  চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যান। তাঁর দাবি ছিল, শীর্ষ আদালত  কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে ‘বেআইনি’ বলে ঘোষণা করুক। আদালতের নির্দেশে দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ হওয়ায় আপাতত খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে ওই আইনজীবীকে। বিচারপতি এনভি রমনার বেঞ্চ এদিন জানিয়ে দিল, ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্রুত শুনানির আর্জি মঞ্জুর  করা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন: চলছে কার্ফু, দোকান-বাজার-এটিএম বন্ধ, রাতেই প্রতিবাদ, কাশ্মীরে চলছে কাঁদানে গ্যাস
আরও পড়ুন :‘পয়সার লোভ দেখিয়ে লোক হাজির করা যায়’, ডোভালকে তোপ গুলাম নবির

এম এল শর্মা দাবি করেন, আগামী ১২-১৩ অগস্টের মধ্যে জম্মু কাশ্মীরে ৩৭০ অনুচ্ছেদ খারিজ করার বিরুদ্ধে তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে শুনানি হোক। তাঁর আবেদনে উল্লেখ ছিল, কাশ্মীরে নেতাদের  বলপূর্বক গৃহবন্দি করে এই বিল পাশ করানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বহু কাশ্মীরি এই বিলের বিরোধিতা করে রাষ্ট্রপুঞ্জে যেতে চান। তাঁর এই আবেদন খারিজ করে এনভি রমনার বেঞ্চ এদিন বলে, রাষ্ট্রপুঞ্জে এই বিলের বিরোধিতা করে কেউ যেতেই পারে, কিন্তু রাষ্টপুঞ্জ কি কোনও সাংবিধানিক ধারার ওপর স্থগিতাদেশ আনতে পারে?

এই আইনজীবী নিজের আবেদনে লেখেন, কাশ্মীর বিধানসভায় ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের বিষয়টি আলোচনা করা হয়নি। সরকার অবশ্য স্বপক্ষে যুক্তিটি আগেই পেশ করে রেখেছিল। কেন্দ্রের যুক্তি অনুযায়ী, জম্মু কাশ্মীরে বিধানসভার অস্তিত্বই নেই, সেখানে রাষ্ট্রপতির শাসন চলছে। তাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা  করা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন জম্মু কাশ্মীর পিপলস মুভমেন্টের নেত্রী শেহলা রশিদও। এদিন সুপ্রিম কোর্টের এই  ঘোষণায় পরিষ্কার আদালতে যেতেই পারেন শেহলারা, তবে শুনানি দ্রুত হবে না।