ঐকমত্যের ভিত্তিতে অযোধ্যা মামলার রায় দিলেন সর্বোচ্চ আদালতের পাঁচ বিচারপতি। রায় ঘোষণা করতে গিয়ে প্রথমেই জানালেন, মামলার অন্যতম পক্ষ শিয়া ওয়াকফ বোর্ডের কোনও দাবিই জন্মায় না ওই বিতর্কিত জমির উপরে। পরে জানানো হল, আর এক মামলাকারী নির্মোহী আখড়ার দাবিও খারিজ করে দেওয়া হচ্ছে। অতএব আইনি লড়াই পড়ে রইল রামলালা বিরাজমান এবং সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের। সে লড়াইয়ে বিতর্কিত জমির অধিকার পেলেন রামলালা বিরাজমান। অযোধ্যারই অন্য কোনও অংশে মসজিদ তৈরির জন্য বিকল্প জমির ব্যবস্থা করার নির্দেশও দিল সুপ্রিম কোর্ট।

পরাধীন ভারতে আইনি লড়াইটা শুরু হয়েছিল। স্বাধীনতার প্রায় ৭২ বছর পরে শেষ হল। অবশ্য সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড এই রায়ে যে ভাবে অসন্তোষ প্রকাশ করতে শুরু করেছে, তাতে টানাপড়েন শেষ হল বলা যায় কি না, তা নিয়ে সামান্য হলেও সংশয় থেকেই যাচ্ছে। কিন্তু ঐতিহাসিক মামলা দেশের সর্বোচ্চ আদালতের সাংবিধানিক বেঞ্চ যে রায় এ দিন দিল, তা যে ঐতিহাসিক এবং মাইলফলক-সম, তা নিয়ে সংশয় কমই।

ঠিক কী রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট? এই রায়ের মূল কথা কী? 

আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টের রায়: অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রামমন্দির হবে, মসজিদ বিকল্প জায়গায়

আরও পড়ুন: সম্প্রদায়ের ঊর্ধ্বে উঠে দেশভক্তির ডাক মোদীর, অযোধ্যা রায়কে স্বাগত জানাল কংগ্রেসও

আরও পড়ুন:  অযোধ্যায় মন্দির-মসজিদ বিতর্ক