E-Paper

হাসপাতালে শিশু, পরিচয় নিয়ে টানাপড়েনে উদ্বেগ

গত ৫ ফেব্রুয়ারি উলুবেড়িয়ার একটি নার্সিংহোমে শিশুপুত্রের জন্ম দেন পাঁচলার রুমিশা খাতুন। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় সে দিনই শিশুটিকে আর জি কর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করানো হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৬:২৩

—প্রতীকী চিত্র।

হাওড়ার পাঁচলার এক অসুস্থ সদ্যোজাত ও তার মাকে কলকাতার আর জি কর হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হচ্ছে না বলে চিন্তায় পরিবার। শিশুটির পরিচয় জানতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ায় উদ্বেগে তাঁরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানান, শিশুটি পুরোপুরি সুস্থ নয়। তার বাবা-মাকে সে কথা জানানো হয়েছে।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি উলুবেড়িয়ার একটি নার্সিংহোমে শিশুপুত্রের জন্ম দেন পাঁচলার রুমিশা খাতুন। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় সে দিনই শিশুটিকে আর জি কর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করানো হয়। শিশুর দাদু শেখ সেলিম বলেন, “নাতির পরিচয় নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন তোলেন। টালা থানায় জানান। ও যে আমাদেরই বাড়ির, বোঝাতে অনেক ভুগতে হয়েছে। শেষে উলুবেড়িয়া থানা তদন্ত শেষ করে টালা থানায় রিপোর্ট দিয়েছে বলে জানিয়েছে। আশা করি, নাতির ছুটি পেতে সমস্যা হবে না।”

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে ওই সদ্যোজাতকে আনা হয়েছিল। কিন্তু ‘রেফার’ সংক্রান্ত কাগজ ছিল না। রক্তের সম্পর্কের কোনও পরিজনও শিশুটিকে ভর্তি করাতে আসেননি। জরুরি বিভাগে দেখে শিশুটিকে এসএনসিইউ-তে ভর্তি করা হয়। নিয়মানুযায়ী, পুলিশকে জানানো হয়। ভর্তির দিন দুয়েক পরে এক দম্পতি হাসপাতালে এসে নিজেদের ওই শিশুর বাবা-মা বলে দাবি করেন এবং তাঁরা ‘রেফার’-এর কাগজ হিসাবে একটি চিরকুট দেখান।

হাসপাতালের এক কর্তার দাবি, “ভর্তির সময়ে রক্তের সম্পর্কের কেউ ছিলেন না। পরবর্তী সময়ে অপ্রীতিকর কিছু যাতে না ঘটে, সে জন্যই পুলিশকে জানানো হয়েছিল। পুলিশ ‘এনওসি’ (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) দিলেই আমরা ওই দম্পতির হাতে শিশুটিকে তুলে দিতে পারব।”

শিশুটির বাবা নাসিম আখতার দাবি করেছেন, “আমার মা ছেলেকে আর জি করে নিয়ে যাওয়ার পরে ভর্তি নিয়ে সমস্যা হলে ওই রাতেই স্ত্রীকে নার্সিংহোম থেকে বন্ড দিয়ে ছুটি করিয়ে ওখানে নিয়ে যাই। তার পরে ছেলেকে ভর্তি করানো হয়। স্ত্রী এখনও সেখানে রয়েছে। এত জটিলতা কী ভাবে হল?”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Panchla Uluberia

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy