E-Paper

ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগে ধৃত পঞ্চায়েত প্রধান-সহ সাত জন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, ২০২১ সালে বিধানসভা ভোট-পরবর্তী একাধিক রাজনৈতিক হিংসার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে ধৃতদের বিরুদ্ধে। দত্তপুকুর ও কাশিমপুর পঞ্চায়েতের একাধিক বাসিন্দা দত্তপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ মে ২০২৬ ০৮:৪৪

—প্রতীকী চিত্র।

খুনের হুমকি, মারধর, তোলাবাজি ও লুটপাটের অভিযোগে পঞ্চায়েত প্রধান-সহ সাত জনকে গ্রেফতার করল দত্তপুকুর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে তাঁদের নাগেরবাজার থেকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার ধৃতদের বারাসত আদালতে তোলা হলে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

পুলিশ জানায়, ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন দত্তপুকুর থানার কাশিমপুর পঞ্চায়েতের প্রধান মেঘনাদ দাস, কাশিমপুর পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের স্বামী, কলকাতা পুলিশের কর্মী সৌমেন কাঞ্জিলাল ওরফে গোপাল, তাঁর ছেলে সম্বিৎ কাঞ্জিলাল এবং তৃণমূল নেতা সত্যজিৎ দত্ত। তৃণমূলের আরও তিন সক্রিয় কর্মীও ধরা পড়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, ২০২১ সালে বিধানসভা ভোট-পরবর্তী একাধিক রাজনৈতিক হিংসার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে ধৃতদের বিরুদ্ধে। দত্তপুকুর ও কাশিমপুর পঞ্চায়েতের একাধিক বাসিন্দা দত্তপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগ, এই তৃণমূল নেতারা দলবল নিয়ে সাধারণ মানুষের বাড়িতে ঢুকে মারধর, ভাঙচুর, অবাধে লুটপাট চালিয়েছেন, প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন।

গত ৪ মে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই সকলে গা-ঢাকা দেন। মঙ্গলবার রাতে গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে নাগেরবাজার এলাকা থেকে পুলিশ চার জন নেতা-সহ সাত জনকে পাকড়াও করে। নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ধৃত তৃণমূল নেতারা। সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁরা বলেন, ‘‘মিথ্যা
অভিযোগ, সব রাজনৈতিক চক্রান্ত। ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমাদের ফাঁসানো হচ্ছে।’’ গোপালের কথায়, ‘‘আমাদের ফাঁসানো হচ্ছে, কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে।‌’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

police investigation Post Poll Violence

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy