২৫ বছরের কর্মজীবনে তিনশোরও বেশি এনকাউন্টার করেছেন তিনি। যাঁর নামে দাগী অপরাধীরা সব সময় ভয়ে কাঁপে, সেই এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট এ বার বন্দুকের ট্রিগার ছেড়ে রাজনীতির পথে পা বাড়াতে চলেছেন।

তিনি প্রদীপ শর্মা। মহারাষ্ট্র পুলিশের অপরাধদমন শাখার এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট। তিনি ইতিমধ্যেই পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে। সূত্রের খবর, মহারাষ্ট্রের আগামী বিধানসভা নির্বাচনে শিবসেনার টিকিটে লড়তে পারেন শর্মা।

কুখ্যাত গ্যাংস্টার লক্ষ্ণণ ভাইয়াকে ভুয়ো এনকাউন্টারের অভিযোগ রয়েছে এই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে। যার জেরে ২০০৮-এ তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়। কয়েক বছর সাসপেন্ড থাকার পর ২০১৩-তে ফের তাঁকে কাজে ফিরিয়ে আনা হয় প্রদীপকে। তত্কালীন কংগ্রেস-এনসিপির জোট সরকার শর্মার কাজকর্ম নিয়ে মোটেই সন্তুষ্ট ছিল না। শুধু তাই নয়, তাঁকে কাজে ফিরিয়ে আনাতেও সরকারের আপত্তি ছিল। কাজে পুনর্বহাল না করানো হলে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার হুমকি দেন এই পুলিশ আধিকারিক। যদিও পরে তাঁকে কাজে পুনর্বহাল করা হয়। পোস্টিং দেওয়া হয় ঠাণের অপরাধদমন শাখায়।

১৯৮৩-তে পুলিশে যোগ দেন শর্মা। ৯০-এর দশকে মু্ম্বইয়ের আন্ডারওয়ার্ল্ড দুনিয়াকে সাফ করে দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমের ভাই ইকবাল কাসকরকে গ্রেফতার করেন এই শর্মাই। তাঁর সাহস এবং কর্মকাণ্ডে অনুপ্রাণিত বহু বলিউড ছবিও তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রেম-প্রতিশোধের জতুগৃহে তিন জনের মৃত্যু, জখম ২৫

আরও পড়ুন: কুলভূষণকে ফেরানো সহজ না, মানছে দিল্লি