ভরদুপুরে হরিয়ানার টোলপ্লাজায় দাদাগিরি। টোল না দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিল একটি গাড়ি। আটকাতে গেলে টোল প্লাজার এক কর্মীর উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দিতে উদ্যত হন চালক। গাড়ির বনেটে ঝুলে পড়ে কোনওরকমে রক্ষা পান ওই কর্মী। তবে গাড়ি থামাননি অভিযুক্তরা। বরং কর্মীকে বনেটে ঝুলে থাকা অবস্থাতেই ৬ কিলোমিটার গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যান তাঁরা। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরের ঘটনা। বেলা ১২টা ৪০মিনিট নাগাদ গুরুগ্রামে খেড়কি দৌলা টোল প্লাজায় হাজির হয় একটি ইনোভা গাড়ি। কিন্তু টোল না দিয়েই বেরিয়ে যেতে উদ্যত হন যাত্রীরা। সেই মতোটোলপ্লাজার গেটও পার করে ফেলেন তাঁরা। সেই সময় গাড়িটিকে বাধা দিতে এগিয়ে আসেন টোলপ্লাজার কর্মী অরুণকুমার। টোল না দিয়ে বেরনো যাবে না বলে গাড়ির সামনে গিয়ে দাঁড়ান তিনি।

কিন্তু গাড়ি থামানো তো দূর, বরং অরুণ কুমারের উপর দিয়েই গাড়ি চালিয়ে দিতে উদ্যত হন অভিযুক্তরা। গাড়ির বনেট আঁকড়ে ঝুলে পড়ে কোনও রকমে রক্ষা পান অরুণকুমার। তবে সেই অবস্থাতেই ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার গতিবেগে গুরুগ্রাম-মানেসর হাইওয়ে ধরে ৬ কিলোমিটার তাঁকে টেনে নিয়ে যান অভিযুক্তরা। একটি ফাঁকা জায়গায় নিয়ে গিয়ে মারধরও করা হয়।

আরও পড়ুন: পটনা সাহিবে নরেন্দ্র মোদী? শত্রুঘ্ন বললেন, লড়তে পারলে খুশি হব​

আরও পড়ুন: ভিন্ন জাতে ভালবাসার শাস্তি! প্রেমিককে কাঁধে চাপিয়ে ঘোরানো হল প্রেমিকাকে, উল্লাস গ্রামবাসীদের​

কোনও রকমে তাঁদের হাত ছাড়িয়ে পালাতে সক্ষম হন অরুণকুমার। থানায় অভিযোগ জানান। তাঁর বয়ানের উপর ভিত্তি করে এবং টোলপ্লাজার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ওই গাড়ির চালক প্রীতম এবং তাঁর সঙ্গী সন্দীপকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁরা দু’জনেই গুরুগ্রামের বাসিন্দা। তাঁদের কাছ থেকে ইনোভা গাড়িটিও উদ্ধার করা গিয়েছে।

সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে অরুণকুমার জানান, টোল চাইতে গেলে তাঁর উপর হম্বিতম্বি শুরু করে দেন অভিযুক্তরা। পুলিশ পর্যন্ত তাঁদের কাছ থেকে টোল চাওয়ার সাহস পায় না বলে দাবি হাঁকডাক শুরু করেন। টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে তাঁকে অপহরণেরও চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ অরুণকুমারের।