E-Paper

কড়া বার্তা সনিয়ার

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং হালে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ যে কোনও প্রসঙ্গেই নেহরুকে দোষারোপ করেন। সে দিকেই ইঙ্গিত করে সনিয়া বলেন, ‘‘যা গ্রহণযোগ্য নয়, তা হল তাঁকে অবজ্ঞা, বিকৃত, অবমাননা এবং অপমান করার প্রচেষ্টা।”

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৭:২৮
‘দ্য নেহরু সেন্টার’-এর উদ্বোধনে সনিয়া গান্ধী। নয়াদিল্লিতে।

‘দ্য নেহরু সেন্টার’-এর উদ্বোধনে সনিয়া গান্ধী। নয়াদিল্লিতে। ছবি: পিটিআই।

জওহরলাল নেহরুকে অপমান করার প্রকল্প আজ শাসকগোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য বলে জানালেন সনিয়া গান্ধী। আজ নয়াদিল্লিতে নেহরু সেন্টারের উদ্বোধন করে কংগ্রেস নেত্রী বলেন, ‘‘তাদের লক্ষ্য শুধু তাঁকে মুছে ফেলা নয়; আমাদের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত জাতিকে ধ্বংস করার প্রচেষ্টা। সামনের পথ সহজ নয়। তবে আমাদের প্রত্যেকের জন্য, ব্যক্তিগত ভাবে এবং সম্মিলিত ভাবে এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং মোকাবিলা করা ছাড়া আর কোনও বিকল্প নেই।’’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং হালে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ যে কোনও প্রসঙ্গেই নেহরুকে দোষারোপ করেন। সে দিকেই ইঙ্গিত করে সনিয়া বলেন, ‘‘যা গ্রহণযোগ্য নয়, তা হল তাঁকে অবজ্ঞা, বিকৃত, অবমাননা এবং অপমান করার প্রচেষ্টা। তাঁকে ছোট করা মানে শুধু ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর সর্বজনস্বীকৃত ভূমিকা এবং স্বাধীন ভারতে তাঁর নেতৃত্বকে ছোট করা নয়, বরং ইতিহাস পুনর্লিখনের একটি স্থূল এবং স্বার্থপর প্রচেষ্টায় তাঁর বহুমুখী উত্তরাধিকারকে ধ্বংস করা।’’

নেহরুকে ইচ্ছাকৃত অসম্মান কারা করছেন? এই প্রশ্ন করে উত্তর নিজেই দিয়েছেন সনিয়া। বলেছেন, ‘‘আমরা সকলেই জানি যে, তারা কয়েক দশক ধরে এই কাজ করেছে এবং অবশেষে তারা এখানে এসে দাঁড়িয়েছে। আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনে যে মতাদর্শের কোনও ভূমিকা ছিল না। এ মতাদর্শ জাতির রূপকারদের আদর্শকে ধারাবাহিক ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। এ এক ধর্মান্ধ এবং নিষ্ঠুর সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গির আদর্শ। সমস্তরকমের কুসংস্কারকে উস্কে দেওয়ার উপর ভিত্তি করে এদের জাতীয়তাবাদ গঠিত। আমাদের সংবিধান প্রণয়নে কোনও ভূমিকা ছিল না তাদের। বাস্তবে, তারা সংবিধান পুড়িয়েও ফেলেছিল এবং এর সম্পূর্ণ বিরোধী ছিল। এটা এমন এক মতাদর্শ, যা অনেক আগেই ঘৃণার পরিবেশ তৈরি করেছিল এবং শেষ পর্যন্ত মহাত্মা গান্ধীর হত্যার কারণ হয়েছিল। আজও তাঁর খুনিকে এদের অনুসারীরা মহিমান্বিত করে চলেছে।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Sonia Gandhi Congress jawaharlal nehru BJP Central Government

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy