ভোট চলাকালীনই বিরোধীদের ‘হেরো’ বলে মন্তব্য করলেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর। তাঁর কথায়, ‘‘বিজেপির প্রতাপ দেখে বিরোধীরা ময়দান ছেড়ে পালিয়েছ।’’

মহারাষ্ট্রের পাশাপাশি, সোমবার বিধানসভা নির্বাচন হরিয়ানাতেও। ভোটদান করতে সকাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন বুথে ভিড় জমিয়েছেন সাধারণ মানুষ। বিকাল ৫ট পর্যন্ত ৬০ শতাংশ ভোট পড়েছে সেখানে।

ভোট দিতে এ দিন ট্রেনে চেপে কার্নাল পৌঁছন মনোহরলাল খট্টর।সেখান থেকে  প্রথমে ই-রিকশা, তার পর সাইকেলে চেপে বুথে পৌঁছন। ভোটদান হয়ে গেলে সেখানেই সংবাদমাধ্যমের সামনে কংগ্রেস-সহ বিরোধীদের কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘হেরে গিয়ে ময়দান ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা।ওদের লম্বা-চওড়া বক্তৃতার কোনও মূল্য নেই।’’

সাইকেলে চেপে বুথে পৌঁছন খট্টার।

আরও পড়ুন: ভোটের আগের দিনই ‘যুদ্ধ’! পরীক্ষায় আজ অর্থনীতি বনাম দেশপ্রেম​

এই মুহূর্তে বিজেপির দখলেই রয়েছে হরিয়ানা। মাস কয়েক আগে কেন্দ্রেও বিপুল ভোটে ক্ষমতায় ফিরেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। তাই হরিয়ানায় জয় নিয়ে একরকম নিশ্চিত তাঁরা। কিন্তু গতবছর তিন রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ফলাফল মাথায় রেখে প্রচারে কোনও খামতি রাখেনি গেরুয়া শিবির। জাঠ সমর্থন ঘরে তুলতে ভোটের ময়দানে টেনে এনেছে কমনওয়েলথে সোনাজয়ী কুস্তিগীর ববিতা ফোগাতকে। প্রার্থী করা হয়েছে ভারতীয় হকি দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সন্দীপ সিংহকেও।

আরও পড়ুন: ৩ মৃত্যুর বদলা, ভারতীয় সেনার পাল্টা হানায় পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হত ২০​

শুধু তাই নয়, যে রবিদাস মন্দির ধ্বংস নিয়ে দলিতদের মধ্যে ক্ষোভ জন্মেছিল, ভোটের আগে সেই মন্দিরের পুনর্নির্মাণ করতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জমা দিয়েছে মোদী সরকার। কৃষকদের দুরবস্থা এবং দেশ জুড়ে অর্থনৈতিক সঙ্কটের জেরে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়লেও, প্রধান বিরোধী কংগ্রেসের ছন্নছাড়া মনোভাব, যেমন তেমন করে প্রচার, বিজেপির আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞ মহলের। তাই বিধানসভার ৯০টি আসনের মধ্যে ৭৫টিতেই জয় নিয়ে নিশ্চিত বিজেপি।