• সংবাদ সংস্থা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বিজয়বর্গীয়কে কটাক্ষ সোশ্যাল মিডিয়ায়

Kailash Vijayvargiya
—ফাইল চিত্র।

Advertisement

খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে বাংলাদেশি চেনা সংক্রান্ত মন্তব্যের জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা ও কটাক্ষের মুখে পড়েছেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়। চিঁড়ের তৈরি পোহা খাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলায় নেট নাগরিকদের একটা বড় অংশ ওই বিজেপি নেতাকে মনে করিয়ে দিয়েছেন, বহু ভারতীয়ের সকালের জলখাবার পোহা এবং তা অতি সুস্বাদু। 

ইনদওরে কাল এক অনুষ্ঠানে বিজয়বর্গীয় জানান, তাঁর বাড়িতে কাজ করতে আসা রাজমিস্ত্রিদের পোহা খেতে দেখে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, তাঁরা বাংলাদেশি। ওই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে নেট নাগরিকদের কেউ কেউ মনে করিয়ে দিয়েছেন, পোহার দাম তুলনায় কম ও পেটও ভরে। তাই শ্রমিকেরা পোহা খেয়ে থাকেন। বিজেপি নেতার উদ্দেশে রবীন্দ্র সিংহ নামে এক নেট নাগরিকের প্রশ্ন, ‘‘আপনি কী ভেবেছিলেন, পোহার বদলে ওই শ্রমিকেরা বাটার চিকেন খাবেন?’’ পঞ্জাবের স্বপ্না মদনের পরামর্শ, ‘‘আমি পঞ্জাবি। পোহা খাচ্ছি। বাংলাদেশের সঙ্গে পোহার কোনও সম্পর্ক নেই।’’ 

নেট নাগরিকদের একাংশ মনে করিয়ে দিয়েছেন, বাংলায় পোহা তেমন ভাবে খাওয়া হয় না। পশ্চিমবঙ্গে মূলত চিঁড়ের পোলাও খাবার চল রয়েছে। তা ছাড়া পোহা বা চিঁড়ের পোলাও বাঙালিদের প্রধান প্রাতরাশও নয়। প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী নামে এক নেট নাগরিকের টুইট, ‘‘বাংলাদেশিরা পোহার ব্যাপারে বেশি কিছু জানেন না। উনি হয়তো চিঁড়ে বোঝাতে চেয়েছেন। আমি চিঁড়ের পোলাও ভাল খাই। পোহা মূলত মহারাষ্ট্রে তৈরি হয়।... না জেনে নির্বোধের মতো মন্তব্য।’’

আরও পড়ুন: দিলীপের ‘নেতৃত্বে’ মেডিক্যাল কলেজ, চিঠি দিল কেন্দ্র! হতবাক নবান্ন

ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেটিজেনরা অবশ্য বিষয়টিকে বাঙালি-বিদ্বেষের দৃষ্টিভঙ্গিতেই দেখছেন। তাঁর টুইট, ‘‘আজ পোহা খায় বলে বাংলাদেশি। আগামিকাল হয়তো বলবে, বাংলায় কথা বলি বলে বাংলাদেশি। উদ্দেশ্যটা স্পষ্ট— বাঙালি-বিরোধিতা।’’ কেউ কেউ বলেছেন, ‘‘এটা বাংলায় বর্গি হামলা।’’ অনেকে আবার চিঁড়ে-পোহা-বর্গি নিয়ে কবিতাও লিখে ফেলেছেন।

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন