• সংবাদ সংস্থা

লক্ষ্য কাশ্মীরে অস্থিরতা তৈরি, শীতে ফিদায়েঁ হামলা চালাতে পারে পাক জঙ্গিরা, সতর্কবার্তা গোয়েন্দাদের

Terrorist
প্রতীকী ছবি।

Advertisement

শীতের মরসুমে ফের ভারতে বড়সড় আত্মঘাতী হামলা চালাতে পারে পাক জঙ্গিরা। লস্কর-ই-তইবা ও জইশ-ই-মহম্মদের মতো সংগঠনের জঙ্গিরা ইতিমধ্যেই সেই হামলার ছক কষতে শুরু করেছে বলে তথ্য পেয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তাঁরা জানতে পেরেছেন, হামলার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে পাকিস্তানের ভাওয়ালপুরের ঘাঁটিতে প্রশিক্ষিত জঙ্গিদের ডেকে পাঠিয়েছিলেন খোদ জইশ প্রধান মাসুদ আজহার। আবার লস্কর কমান্ডার আবু উজেইল সরাসরিই ঘোষণা করেছেন, শীঘ্রই ভয়ঙ্কর আত্মঘাতী হামলার মুখে পড়বে ভারত।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগের এক পদস্থ কর্তা জানিয়েছেন, এই সব তথ্য পাওয়ার পরেই কেন্দ্রকে তা জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। ফিদায়েঁ হামলা হবে বলে গোয়েন্দারা ইঙ্গিত পেলেও তা কবে, কোথায় হতে পারে, সে বিষয়ে খুঁটিনাটি তথ্য মেলেনি।

 শীতের সময় প্রায় গোটা উপত্যকা প্রায় বরফে ঢাকা পড়ে যায় বলে তার আগেই জঙ্গি নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে ভারতে জঙ্গি ঢোকানোর মরিয়া চেষ্টা করে পাক সেনা এবং পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলি। এ বারও সেই চেষ্টা জারি রয়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর। তবে সেনা সূত্রে খবর, তাদের কাছেও বিষয়টি পরিচিত বলে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।

পুলওয়ামা হামলার পরে ভারতীয় বায়ু সেনার অভিযানে বালাকোটের জঙ্গি ঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। আবার ওই ঘটনার পর থেকে আন্তর্জাতিক মহলেরও নজর রয়েছে বালাকোটের উপর। তাই ওই ঘটনার পর থেকেই জইশ তাদের সদর কার্যালয় বানিয়েছে ভাওয়ালপুরের মার্কাস উসমান ও আলিকে। আবার জইশ প্রধান মাসুদ আজহার অসুস্থতার কারণে শয্যাশায়ী। তাঁর অনুপস্থিতিতে দায়িত্বভার নিয়েছেন আজহারেরই ভাই মুফতি আবদুল রউফ আজগর।

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, এই ভাওয়ালপুরের ঘাঁটিতে চলতি সপ্তাহেই শীর্ষ জঙ্গিদের ডেকে পাঠিয়েছিল মাসুদ আজহার। হাজির ছিল নতুন নেতা রউফ আজগরও। সেখানেই হামলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। তার পরেই কেন্দ্রকে এ বিষয়ে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছেন তাঁরা।

গত ৫ অগস্ট সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপ করে জম্মু কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেওয়া এবং জম্মু-কাশ্মীর রাজ্য ভেঙে জম্মু কাশ্মীর ও লাদাখ আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার পর থেকেই উপত্যকায় কড়া নিয়ন্ত্রণ জারি হয়েছিল। তার পর থেকে দফায় দফায় সেই নিয়ন্ত্রণ যেমন তুলে নেওয়া হচ্ছে, তেমনই ধীর ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে উপত্যকা। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের অনুমান, সেই স্বাভাবিক পরিবেশের ছন্দপতন ঘটাতে এবং অস্থিরতা তৈরি করতেই এই হামলার পরিকল্পনা করছে জঙ্গিরা।

 

 

আরও পড়ুন: হিতে বিপরীত! বৃষ্টিতে আরও ভয়াবহ দিল্লির দূষণ, কাল থেকে ফের জোড়-বিজোড় নীতি

আরও পড়ুন: মহিলাকে গাছে বেঁধে গণধর্ষণ, ভিডিয়ো পোস্ট করা হল অনলাইনে

Advertisement

আরও পড়ুন
বাছাই খবর
আরও পড়ুন