বাকবিতণ্ডার জেরে স্ত্রীর মাথা কেটে ফেললেন স্বামী। স্ত্রীর দেহটি পুরে ফেললেন বড় একটি ব্যাগে। তার পর বাইকে চাপিয়ে সেই ব্যাগটি খালে ফেলতে গিয়েই ধরা পড়ে গেলেন।

ইরোড থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে মেট্টুকাড্ডা়ইয়ে এই ঘটনা ঘটেছে সোমবার রাতে। পুলিশ জানাচ্ছে, মাসআটেক আগে ২৮ বছর বয়সী মুনিয়াপ্পনের সঙ্গে বিয়ে হয় ১৯ বছরের নিভেতার। দু’জনেরই আদত বাড়ি কর্নাটকের শিমোগা জেলায়। তবে কাজের সূত্রে স্ত্রীকে নিয়ে মুনিয়াপ্পন থাকতেন মেট্টুকাড্ডা়ইয়ে।

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, স্ত্রীকে খুব সন্দেহ করতেন মুনিয়াপ্পন। দু’জনের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকতো। কখনও কখনও তা থামাতে আসতে হত প্রতিবেশীদের।

পুলিশ জানাচ্ছে, সোমবার রাতে ঝগড়ার সময় স্ত্রীর ঘাড়ে ছুরির কোপ মারেন মুনিয়াপ্পন। তার পর স্ত্রীর মৃতদেহ থেকে মাথাটি কেটে ফেলেন। মৃতদেহটিকে বড় একটি ব্যাগে পুরে সেটা তাঁর বাইকে চাপান। তার পর নিজেই বাইক চালিয়ে ব্যাগটিকে পেরুনদুরাইয়ের একটি খালে ফেলতে রওনা দেন। রাস্তায় লোকজনের সন্দেহ হয়, ব্যাগটি থেকে এক জনের পায়ের কিছু অংশ বেরিয়ে থাকতে দেখে। তখন লোকজন মুনিয়াপ্পনের দিকে হইহই করে তেড়ে গেলে, বাইক ফেলে মুনিয়াপ্পন ঝাঁপ দেন খালে।

আরও পড়ুন- টাকা নিয়ে গোলমালের কারণেই খুন যুবক​

আরও পড়ুন- নেশামুক্তি কেন্দ্রে যুবকের মৃত্যুতে খুনের অভিযোগ​

ওই সময় স্থানীয় বাসিন্দারাই খবর দেন পুলিশে। পুলিশ এসে মুনিয়াপ্পনকে গ্রেফতার করে।