• সংবাদ সংস্থা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

সন্ত্রাসবাদকে রুখতে সরকারের পাশে আছি, সর্বদলীয় বৈঠকে বার্তা দিল বিরোধীরা

all party
পুলওয়ামা হামলা নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক। ছবি: পিটিআই।

এই সঙ্কটময় মুহূর্তে সরকারের পাশে আছে তারা। সব রকম সহযোগিতা করতেও প্রস্তুত। শুধু তাই নয়, পুলওয়ামা হামলা নিয়ে আগামী দিনে কেন্দ্রের পদক্ষেপকেও সমর্থন করবে তারা। পুলওয়ামার ঘটনা নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকে এই বার্তাই দিল বিরোধীরা। পাশাপাশি, নিহত জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই হামলার কড়া নিন্দা করেছে সকলেই।

শনিবার সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। বৈঠকে হাজির ছিলেন কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ, আনন্দ শর্মা, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পওয়ার, তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ ব্রায়েন, ন্যাশনাল কনফারেন্স-এর ফারুক আবদুল্লা, শিবসেনার সঞ্জয় রাউত, এলজেপি সুপ্রিমো রাম বিলাস পাসোয়ান এবং সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী নরেন্দ্র সিংহ তোমর।

বৈঠকে যে প্রস্তাব উঠে আসে তাতে বলা হয়েছে, ‘সব দল এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছে। এই শোকের মুহূর্তে গোটা দেশ ওই পরিবারগুলোর পাশে রয়েছে।’ সন্ত্রাসবাদ খতম করতে কংগ্রেস তাদের পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে কেন্দ্রকে। কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ বলেন, “দেশ এবং সেনার নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা সরকারের পাশে আছি। কাশ্মীর হোক বা দেশের অন্য কোনও প্রান্ত, সন্ত্রাসবাদকে নিশ্চিহ্ন করতে কংগ্রেস তাদের পূর্ণ সমর্থন দেবে সরকারকে।” একই সুর শোনা গিয়েছে বাকি দলগুলোর গলাতেও।

আরও পড়ুন: আত্মরক্ষার্থে ভারতের যে কোনও পদক্ষেপকে পূর্ণ সমর্থন করা হবে, জানিয়ে দিল আমেরিকা

আরও পড়ুন: স্বামীর সঙ্গে কথা বলছিলেন ফোনে, আচমকা ভেসে এল বিকট শব্দ, তার পর সব চুপ

 

শুক্রবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, “এটা একটা সঙ্কটময় মুহূর্ত। রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে সকলকে একজোট হয়ে লড়তে হবে।” এই হামলার পর গোটা দেশ ক্ষোভে ফুঁসছে। ‘বদলা চাই’ আওয়াজ উঠছে দেশের কোণা কোণা থেকে। বিভিন্ন রাজ্যে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ হচ্ছে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সুর চড়ছে দেশবাসীর। এমন একটা পরিস্থিতিতে সরকার কী পদক্ষেপ করবে তা নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। মোদী শুক্রবারে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, যারা এই হামলা চালিয়েছে, তারা খুব বড় ভুল করেছে। এর মূল্য তাদের চোকাতেই হবে। শনিবারেও একই ভাষা শোনা যায় মোদীর মুখে। এ দিনও তিনি বলেন, “যে জঙ্গিগোষ্ঠী এই হামলা চালিয়েছে তারা যতই নিজেদের লুকনোর চেষ্টা করুক না কেন, শাস্তি তাদের পেতেই হবে। সেনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। তারাই ঠিক করবে কখন, কোথায়, কী ভাবে প্রত্যাঘাত করা হবে।”

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন