লোকসভায় কোনও বিল পাশ হয়ে গেলেও, সংখ্যা গরিষ্ঠতার অভাবে তা আটকে যায় রাজ্যসভায়। এ নিয়ে গত মাসেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। লোকসভার জনমতকে স্বীকার করে নিতে হবে বলে কার্যত হুমকি দিয়েছিলেন বিরোধীদের। তবে এ বার হয়তো সেই পরিস্থিতি বদলাতে চলেছে। কারণ বিরোধী শিবিরের রাজ্যসভা সাংসদদের অনেকেই একে একে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। সম্প্রতি সমাজবাদী পার্টি (এসপি)-র রাজ্যসভা সাংসদ তথা দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রশেখরের ছেলে নীরজ শেখর বিজেপিতে চলে এসেছেন। তার মধ্যেই এসপি-র আরও দুই রাজ্যসভা সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন বলে জোর গুঞ্জন রাজনৈতিক মহলে।

বিজেপি সূত্রে খবর, তাদের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন এসপি-র দুই রাজ্যসভা সাংসদ। খুব শীঘ্রই ইস্তফা দিতে পারেন তাঁরা। তার পরই যোগ দেবেন গেরুয়া শিবিরে। যদি তাই হয়, তবে রাজ্যসভাতেও সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে উঠবে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ শিবির। সে ক্ষেত্রে কোনও বিল পাশ করানোর ক্ষেত্রে আর বাধা পেতে হবে না তাদের।

দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রশেখরের ছেলে নীরজ শেখর। ২০২০-র ২৫ নভেম্বর  রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে অবসর নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু সোমবারই সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। ইস্তফা দেন এসপি থেকেও। তার পর দিনই যোগ দেন বিজেপিতে। উত্তরপ্রদেশ যে হেতু বিজেপির দখলে রয়েছে, তাই নীরজ শেখরের ওই আসন তাদের দখলে আসার সম্ভাবনাই বেশি। সেই সঙ্গে এসপি-র অন্য দুই সাংসদও ইস্তফা দিলে রাজ্যসভার ম্যাজিক ফিগার কমে ১২০-তে এসে ঠেকবে। ফলে বিজেপির সাময়িক ভাবে সুবিধা মিলবে। এই মুহূর্তে রাজ্য সভায় ১১৬ জন সাংসদ রয়েছে তাদের। গত মাসেই তেলুগু দেশম পার্টির চার রাজ্যসভা সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন।  

আরও পড়ুন: বিহারে আরএসএসকে নিয়ে ‘রিপোর্ট’ পুলিশের, ক্ষুব্ধ বিজেপি​

আরও পড়ুন: পদত্যাগের সিদ্ধান্তে অনড় রাহুল, ফের ‘প্রিয়ঙ্কা লাও কংগ্রেস বাঁচাও’ দাবি দলে​

অন্য দিকে, যে দুই সাংসদকে নিয়ে জল্পনা, তাঁরা বিজেপিতে চলে গেলে রাজ্যসভায় এসপি-র আসনসংখ্যা এসে দাঁড়াবে সাতে। লোকসভায় তাদের পাঁচটি আসন রয়েছে।

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের YouTube Channel - এ।