• সংবাদ সংস্থা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

তেলঙ্গানার মতো করেই মেরে ফেলা হোক ওদেরও, চান উন্নাওয়ে ধর্ষিতার বাবা

unnao fatehr
লখনউ থেকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে চাপিয়ে তরুণীকে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লিতে। বৃহস্পতিবার। ছবি- পিটিআই।

তেলঙ্গানার মতোই তাঁর মেয়ের ধর্ষকদেরও গুলি করে মারুক পুলিশ। শনিবার এই দাবি জানিয়েছেন উন্নাওয়ে ধর্ষিতার বাবা। বলেছেন, ‘‘আমার মেয়েকে হারিয়েছি। যারা ওকে মারল, তাদেরও গুলি করে মারা হোক। বা ফাঁসিতে ঝোলানো হোক।’’ একই দাবি উন্নাওয়ে গণধর্ষিতার ভাইয়েরও। বলেছেন, “আমার বোনকে ওরা যেখানে পাঠিয়েছে, আমি চাই, ওদেরকেও সেখানে পাঠানো হোক। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমি এই আর্জি জানাচ্ছি।’’

আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার পথে বুধবার আক্রান্ত হন বছর তেইশের ওই তরুণী। তাঁকে আদালতে যেতে প্রথমে বাধা দেন পাঁচ জন। তাঁদের মধ্যে শিবম ও শুভম ত্রিবেদী তরুণীকে ধর্ষণে অভিযুক্ত। বাকিদের তরুণী চেনেন না বলে পুলিশকে জানিয়েছিলেন। হুমকিতে কান না-দেওয়ায় কাল ভোরে প্রথমে বেধড়ক মারধর করা হয় তরুণীকে। তাঁর গলায় ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। পরে তাঁর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। দূর থেকে ওই ঘটনা দেখে পুলিশকে ফোন করেন এক ব্যক্তি। চিকিৎসার জন্য রাতেই ৯০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় তরুণীকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়। শুক্রবার রাত পৌনে এগারোটায় হাসপাতালে মৃত্যু হয় ওই তরুণীর। অটোপসির জন্য তাঁর দেহটি পাঠানো হয়েছে হাসপাতালের ফরেন্সিক বিভাগে। সেখান থেকে দেহ তুলে দেওয়া হবে তাঁর পরিবারের হাতে। পাঁচ জনকেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

তরুণীর ভাই বলেছেন, “আমি চাই, আমার বোনকে ওরা যেখানে পাঠিয়েছে, ওদেরকেও সেখানে পাঠানো হোক। আমি মোটেই চাই না, ওই পাঁচ জন বেঁচে থাকুক। হয় ওদের গুলি করে মারা হোক। না হলে ফাঁসিতে লটকানো হোক। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কাছে আমি এই আর্জি জানাচ্ছি। ধর্ষণের ঘটনার পর ওকে বাঁচাতে বলেছিল বোন। আমি ওকে বাঁচাতে পারলাম না।’’

আরও পড়ুন- অসুস্থ বাবাকে দেখব, না মামলা চালাব

আরও পড়ুন- পুলিশের গুলিতেই ঝাঁঝরা তেলঙ্গানায় তরুণী চিকিত্সকের ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডের চার অভিযুক্ত​

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন