Advertisement
E-Paper

খামেনেইকে হত্যা: ভাঙা হয়েছে আন্তর্জাতিক আইন! আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলকে নিশানা পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ়ের

খামেনেই হত্যার প্রতিবাদে রবিবার করাচিতে মার্কিন উপদূতাবাসের সামেন বিক্ষোভ দেখান কয়েক জন। পরিস্থিতি সামাল দিতে গুলি চালায় পুলিশ। তাতে প্রাণ যায় ১০ জনের।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ ১৯:২১
(বাঁ দিক থেকে) ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, আয়াতোল্লা আলি খামেনেই এবং শাহবাজ় শরিফ।

(বাঁ দিক থেকে) ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, আয়াতোল্লা আলি খামেনেই এবং শাহবাজ় শরিফ। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

পশ্চিম এশিয়ার অশান্তিতে ফের ইরানের পাশে দাঁড়িয়ে বিবৃতি দিল পাকিস্তান। এ বার নিশানা করল আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলকে। শনিবারই মার্কিন এবং ইজ়রায়েলি বাহিনীর হামলায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। তাঁর মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন ভাঙার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শাহবাজ়।

রবিবার বিকেলে সমাজমাধ্যমে এক পোস্টে শাহবাজ় লেখেন, “আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন হওয়ার ঘটনায় উদ্বিগ্ন পাকিস্তান। কোনও দেশের বা সরকারের প্রধানকে কখনও আক্রমণ করা উচিত নয়, এটিই প্রচলিত রীতি।” পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন, “ইরানের সাধারণ জনতার এই দুঃখ এবং শোকের সময়ে পাকিস্তান তাঁদের পাশে রয়েছে। আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুতে আমরা আন্তরিক সমবেদনা জানাই।” খামেনেইয়ের মৃত্যুকে ইরানবাসীর জন্য এক ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ বলেও মনে করছেন তিনি।

সমাজমাধ্যমের ওই পোস্টে সরাসরি কোনও দেশকে আক্রমণ করেননি শাহবাজ়। তবে ইরানে হামলা চালিয়েছিল ইজ়রায়েল এবং আমেরিকাই। ফলে নামোল্লেখ না করলেও আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে হামলার যে অভিযোগে যে আমেরিকা এবং ইজ়রায়লকেই নিশানা করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী, তা স্পষ্ট। বস্তুত, শনিবার ওই হামলার পর পরই বিবৃতি দিয়েছিল পাকিস্তান। সেই সময়েও ইরানের পাশেই দাঁড়িয়েছিল তারা। এ বার খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসার পরে ফের আন্তর্জাতিক আইনের প্রসঙ্গ তুলে তেহরানকে সমর্থন জানালেন শাহবাজ়।

বস্তুত, খামেনেই হত্যার প্রতিবাদে রবিবার করাচিতে মার্কিন উপদূতাবাসের সামেন বিক্ষোভ দেখান কয়েক জন। ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন তাঁরা। সেখানে আগুন লাগানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে গুলি চালায় পুলিশ। তাতে প্রাণ যায় ১০ জনের। ওই বিক্ষোভের পরে একটি বিবৃতি দিয়েছে ইসলামাবাদের মার্কিন দূতাবাসও। তাতে লেখা হয়েছে, ‘পাকিস্তানে মার্কিন নাগরিকদের পরামর্শ দিচ্ছি, স্থানীয় সংবাদে নজরে রাখুন। ব্যক্তিগত সুরক্ষার দিকেও নজর রাখুন, কারা চারপাশে রয়েছেন জানুন। ভিড় এড়িয়ে চলুন।’

Iran Pakistan
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy