গুজরাতের একটি স্কুলের পরীক্ষায় প্রশ্ন এসেছিল, “মহাত্মা গাঁধী কী ভাবে আত্মহত্যা করেছিলেন?”। এই খবর প্রকাশ পেতেই চমকে যান গুজরাতের স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিক-সহ সকলে। কী ভাবে এমন কাণ্ড হল তা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা দফতর।

‘সুফলাম শালা বিকাশ সঙ্কুল’ ব্যানারের অন্তর্গত একটি স্কুলের নবম শ্রেণির আভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের পরীক্ষায় গাঁধীকে নিয়ে এই প্রশ্ন আসে। সুফলাম শালা বিকাশ সঙ্কুল নিজস্ব আর্থিক সংস্থানে চলা বেশ কয়েকটি স্কুলের সমষ্টি।

শুধু নবম শ্রেণির একটি প্রশ্নই চমকে দেয়নি শিক্ষা দফতরকে। দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার একটি প্রশ্নও অস্বস্তিতে ফেলেছে। সেখানে বলা হয়, “তোমার এলাকায় মদের বিক্রি এবং এর ফলে উপদ্রব বাড়ছে, এই অভিযোগ জানিয়ে জেলা পুলিশ প্রধানকে একটি চিঠি লেখ।”

আরও পড়ুন : দুই পুরুষ রোগীর প্রেগন্যান্সি টেস্ট করতে দেওয়া হল ঝাড়খণ্ডের হাসপাতালে

গাঁধীনগর  জেলা শিক্ষা আধিকারিক ভারত ভাধের সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, শনিবার স্কুলের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় এই প্রশ্নগুলি আসে, যা আপত্তিজনক। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই প্রয়োজন মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান ভারত।

আরও পড়ুন : কোনও পুরুষ নেই, এই উড়ানে পাইলট, বিমানকর্মী, যাত্রী সবাই মহিলা

এই প্রশ্নপত্রগুলি স্কুলের তরফেই তৈরি করা হয়। এর সঙ্গে রাজ্যের শিক্ষা দফতরের কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানা গিয়েছে।