রাস্তার বেহাল দশার বিরুদ্ধে ধর্নায় বসেছিলেন। সেই ধর্নায় যিনি শামিল ছিলেন, তিনি বিধায়ক। তবে রাজনৈতিক পরিচয় ছাপিয়েও বড় হয়ে দাঁড়াল সামাজিক অবস্থান। দলিত সম্প্রদায়ভুক্ত ওই বিধায়কের ধর্নাস্থল গোবরজল ছিটিয়ে শুদ্ধকরণের অভিযোগ উঠল যুব কংগ্রেস কর্মীদের বিরুদ্ধে। কেরলের ত্রিশূর জেলার ওই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে সে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।

শনিবার ত্রিশূরের কাছে চেরপ্পু গ্রামে ধর্নায় বসেন নত্তিকা বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিএম বিধায়ক গীতা গোপী। পূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়ারদের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তিনি। তাঁর এলাকার রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে অভিযোগও করেন। সে দিনই গীতার এই কর্মসূচির বিরুদ্ধে পাল্টা প্রতিবাদ মিছিল বার করেন কেরল যুব কংগ্রেসর কর্মী-সমর্থকেরা। তাঁদের দাবি, সাধারণ মানুষকে বোকা বানাতেই এ ধরনের ধর্না-বিক্ষোভ করছেন রাজ্যের শাসক দলের বিধায়ক। মিছিল করে তাঁরা পৌঁছে যান পূর্ত দফতরের অফিসের সামনে সেই ধর্নাস্থলে। সেখানে পৌঁছে শুদ্ধকরণ অনুষ্ঠান করেন। গোবরজল ছিটিয়ে ধর্নার জায়গাটি ‘শুদ্ধ’ করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই যুব কংগ্রেস কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ করেছেন ওই বিধায়ক। তাঁর দাবি, গোটা অনুষ্ঠানটিই জাতপাতের ভেদাভেদকে উৎসাহ দেয়।

এই ঘটনার পর যুব কংগ্রেস কর্মীদের সমালোচনায় সরব হয়েছেন রাজ্যের শাসক দলের নেতারা। সংস্কৃতিমন্ত্রী এ কে বলান আবার এ নিয়ে উত্তর ভারতের তুলনা টেনে এনেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘এ ধরনের অনুষ্ঠান কেবলমাত্র উত্তর ভারতেই দেখা যায়। এটা বরদাস্ত করা যায় না।’’ রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে কে শৈলজার কটাক্ষ, এ ধরনের কাজে বিক্ষোভকারীদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিই প্রকাশ্যে এসে পড়ে।

আরও পড়ুন: ভোরে কাঁপল পুরুলিয়া, বড় ভূমিকম্পে কেঁপে উঠতে পারে কলকাতাও! আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের

আরও পড়ুন: কর্নাটকে বিজেপির ‘ওয়াপসি’, আস্থাভোটে জয়ী ইয়েদুরাপ্পা, ইস্তফা স্পিকারের
 

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও।সাবস্ক্রাইব করুনআমাদেরYouTube Channel - এ।