Advertisement
E-Paper

ওক্‌লাহোমা থেকে টেক্সাস, আমেরিকায় পর পর ছ’টি তেল শোধনাগারে আগুন! ‘ভূতুড়ে ফৌজের’ হামলায় দিশাহারা এফবিআই

চলতি বছরের (২০২৬) মার্চ থেকে মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিতরে পর পর ছ’টি তেল শোধনাগারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বাড়ছে আতঙ্ক। নিছক দুর্ঘটনা, না কি অন্তর্ঘাত বা কোনও জঙ্গি হামলা? জবাব খুঁজে পাচ্ছেন না যুক্তরাষ্ট্রের দুঁদে গোয়েন্দারাও।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ মে ২০২৬ ১৪:৩৮
Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
০১ / ২২

ফের মার্কিন তৈল শোধনাগারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড! ওক্‌লাহোমার খনিজ তেল পরিশোধন কেন্দ্রে দাউ দাউ করে জ্বলল আগুন। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় তা নিয়ন্ত্রণে এলেও প্রশ্নের মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কারণ, চলতি বছরে (২০২৬ সাল) মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে এই ধরনের অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়েছে আমেরিকার আরও পাঁচটি শোধনাগার। অন্তর্ঘাত, না কি নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও ষড়যন্ত্র? উঠছে সেই প্রশ্ন।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
০২ / ২২

এ বছরের ১১ মে স্থানীয় সময় সকাল পৌনে ১১টা নাগাদ ওক্‌লাহোমার টুলসা শহরের পরিশোধন কেন্দ্রে আচমকাই আগুন লাগে। কিছু ক্ষণের মধ্যেই কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। আকাশের দিকে উঠতে থাকে আগুনের লেলিহান শিখা। ফলে শোধনাগারের ভিতরের কর্মীদের মধ্যেও হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছোয় স্থানীয় দমকল বাহিনী। যদিও আগুন নেবানোর কাজে শেষ পর্যন্ত তাদের নামতে হয়নি।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
০৩ / ২২

ওক্‌লাহোমার এই তৈল শোধনাগারটির নাম ‘সিনক্লেয়ার’। অগ্নিকাণ্ডের পর গণমাধ্যমের কাছে বিবৃতি দেন সেখানকার এক পদস্থ কর্তা। বলেন, ‘‘আগুন লাগার পর আমাদের নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাকে (প়ড়ুন দমকলবাহিনী) সক্রিয় করা হয়। তারাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে স্থানীয় দমকলকেও তৈরি রাখা হয়েছিল।’’ আগুনের গ্রাসে চলে যাওয়ায় পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বেশ কয়েকটি গাড়ি। হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
০৪ / ২২

‘সিনক্লেয়ার’-এর তরফে অবশ্য শোধনাগারের আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। কী ভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে তদন্তে নেমেছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় পুলিশ। ঘটনার সময় ধোঁয়ার কারণে পরিশোধন কেন্দ্রের কয়েক জন কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই কর্মীদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
০৫ / ২২

এ বছরের ২৪ মার্চ সকাল ৯টা নাগাদ আচমকাই প্রবল বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের পোর্ট আর্থার এলাকার ভ্যালেরি তেল শোধনাগার। স্থানীয় গণমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, কম্পনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, এর জেরে আশপাশের আবাসনগুলিও কেঁপে ওঠে। মুহূর্তে খসে পড়ে জানলার কাচ। শুধু তা-ই নয়, সন্ধ্যা উত্তীর্ণ হওয়ার পরও সেখান থেকে কুণ্ডলী পাকানো কালো ধোঁয়া আকাশে উঠতে দেখা গিয়েছিল।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
০৬ / ২২

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে টেক্সাসের পোর্ট আর্থারে অবস্থিত ভ্যালেরো শোধনাগারটির আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। এর দৈনিক জ্বালানি উৎপাদনের ক্ষমতা প্রায় ৩.৮ লক্ষ ব্যারেল। এলাকাবাসীদের দাবি, সেখানে হওয়া বিস্ফোরণের শব্দ প্রায় ১৭ কিমি দূর থেকে শোনা গিয়েছিল। ফলে তড়িঘড়ি স্থানীয়দের নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে বলে মার্কিন প্রশাসন। সম্পূর্ণ খালি করা হয় ওই শোধনাগারও। তবে আশার কথা হল, এই ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
০৭ / ২২

এ বছরের ৫ মার্চকে আমেরিকায় তেল শোধনাগারগুলিতে পর পর অগ্নিকাণ্ডের সূচনার তারিখ হিসাবে ধরা যেতে পারে। ওই দিন টেক্সাসের ‘পেট্রোম্যাক্স’ শোধনাগারে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। তবে খুব দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছিল। ২০১৫ সাল থেকে চলা এই কেন্দ্রে দিনে ২৫ হাজার ব্যারেল খনিজ তেল পরিশোধনের ব্যবস্থা রয়েছে।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
০৮ / ২২

টেক্সাসের এল পাসোয় অবস্থিত তেল শোধনাগারে আগুন লাগে ১০ এপ্রিল। ওই দিন সন্ধ্যার মুখে হঠাৎ করে অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয় ওই পরিশোধন কেন্দ্র। শোধনাগারের ভিতরের দমকলবাহিনী তা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। ফলে আগুন নেবাতে হাত লাগায় স্থানীয় প্রশাসন। ঘটনায় কয়েক জন শ্রমিক সামান্য আহত হলেও মৃত্যুর কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
০৯ / ২২

তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, গত ১৯ এবং ২০ এপ্রিল আমেরিকায় পর পর দু’টি তেল শোধনাগারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেগুলি হল, ওয়াশিংটনের বিপি চেরি পয়েন্ট এবং টেক্সাসের শেভরন পাসাদেনা পরিশোধন কেন্দ্র। ১৯ তারিখ বিস্ফোরণের পর আগুনের গ্রাসে চলে যায় প্রথম শোধনাগারটি। বিস্ফোরণের জেরে মারাত্মক ভাবে জখম হন সেখানকার বেশ কয়েক জন শ্রমিক। দ্রুত তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয় প্রশাসন।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
১০ / ২২

২০ এপ্রিল টেক্সাসের শেভরন পাসাদেনা শোধনাগারের প্রসেস ইউনিটে আগুন লাগে। কিছু ক্ষণের মধ্যেই তা পরিশোধন কেন্দ্রটির অন্যান্য এলাকায় ছড়াতে শুরু করলে শ্রমিক ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি বন্ধ করা হয় উৎপাদন। দিনে ১.২৫ লক্ষ ব্যারেল খনিজ তেলকে পেট্রল, ডিজ়েল, জেট ফুয়েলে বদলে ফেলার ক্ষমতা রয়েছে টেক্সাসের শেভরন পাসাদেনার।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
১১ / ২২

মে মাসের গোড়ায় (৮ তারিখ) লুইজ়িয়ানার পিবিএফ এনার্জি চালমেট শোধনাগারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিউ অরলিয়্যান্স সংলগ্ন জ্বালানি কেন্দ্রটির একটি ইউনিটে বিস্ফোরণ হলে আগুনের গ্রাসে চলে যায় গোটা এলাকা। বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো অঞ্চল। এখানেও আগুনের শিখা উপরের দিকে উঠতে দেখা গিয়েছিল। দিনে ১.৯ লক্ষ ব্যারেল খনিজ তেল পিবিএফ এনার্জি পরিশোধন করে থাকে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
১২ / ২২

তেল শোধনাগারগুলিকে বাদ দিলে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া প্রদেশের ঐতিহাসিক ফ্লয়েড কাউন্টি আদালত। মার্কিন গণমাধ্যমগুলি জানিয়েছে, গত ২৪ মার্চ দুপুরের দিকে বিচারপ্রক্রিয়া চলাকালীনই ওই ভবনে আগুন লেগে যায়। মাত্র আধ ঘণ্টার মধ্যে সেটা এক ঘর থেকে অন্য ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে আদালত চত্বরে আটকে পড়েন বিচারক, আইনজীবী-সহ বেশ কয়েক জন। দমকল এসে তাঁদের উদ্ধার করে। যদিও আগুনের লেলিহান শিখা থেকে শতাব্দীপ্রাচীন ভবনটিকে বাঁচানো যায়নি।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
১৩ / ২২

১৮৯২ সালে জর্জিয়ার রোম শহরের ওয়েস্ট ফিফথ অ্যাভিনিউয়ে ঐতিহাসিক ফ্লয়েড কাউন্টি আদালত চালু করে আমেরিকা। এই ভবনের ভিতরেই ছিল কর কমিশনারের (ট্যাক্স কমিশনার) দফতর। বিধ্বংসী আগুনে সেখানকার সমস্ত নথি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। ফলে কিছুটা বাধ্য হয়েই ‘বিচার বিভাগীয় জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করে স্থানীয় প্রশাসন। আগুন নেবার পর সেখানে সীমিত প্রবেশাধিকারের অনুমতি দিয়েছে দমকল। ভবনটি অত্যন্ত পুরনো হওয়ায় সেটা ধসে পড়ার আশঙ্কা প্রবল।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
১৪ / ২২

অল্প দিনের ব্যবধানে এ ভাবে একের পর এক খনিজ তেল পরিশোধন কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে কাকতালীয় বলে মানতে নারাজ দুঁদে মার্কিন গোয়েন্দাদের একাংশ। এগুলির নেপথ্যে ইরানি ‘ঘুমন্ত কোষ’ বা ‘স্লিপার সেল’-এর হাত থাকার আশঙ্কাকে একেবারেই উড়িয়ে দিচ্ছেন না তাঁরা। এঁরা প্রকৃতপক্ষে সুপ্ত অবস্থায় থাকা এক বা একাধিক সন্ত্রাসী বা কোনও নাশকতামূলক গোষ্ঠী, যাঁরা কোনও একটা দেশের আমজনতার সঙ্গে মিশে বছরের পর বছর স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে থাকে।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
১৫ / ২২

গোয়েন্দাকর্তাদের দাবি, প্রশাসনের পক্ষে এই ধরনের ‘ঘুমন্ত কোষ’কে খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। তবে হ্যান্ডলার মারফত নির্দেশ পেলেই সক্রিয় হয়ে ওঠে তারা। সঙ্গে সঙ্গে যে রাষ্ট্রে থাকছিল সেখানেই বড় আকারের জঙ্গি হামলা ঘটিয়ে ফেলে এই ‘স্লিপার সেল’। আমেরিকার ভিতরে তেমনটা হলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কপালের চিন্তার ভাঁজ যে চওড়া হবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
১৬ / ২২

এ বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজ়রায়েলকে সঙ্গে নিয়ে মার্কিন ফৌজ ইরানকে নিশানা করলে পশ্চিম এশিয়ায় বেধে যায় যুদ্ধ। ওই দিনই তাদের যৌথ অভিযানে নিহত হন সাবেক পারস্যের শিয়া ধর্মগুরু তথা সর্বোচ্চ নেতা (সুপ্রিম লিডার) আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। তাঁর মৃত্যুতে বদলার আগুনে ফুঁসে ওঠে তেহরান। আর ঠিক তখনই যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাঘাত শানাতে ইরানের গোপন পরিকল্পনা ফাঁস করে একটি বিস্ফোরক প্রতিবেদন প্রকাশ করে আমেরিকার ‘এবিসি নিউজ়’।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
১৭ / ২২

মার্কিন গণমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর বিভিন্ন দেশে গোপনে বার্তা পাঠায় তাঁর নিয়ন্ত্রণে থাকা ইরানি আধাসেনা ‘ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর’ বা আইআরজিসি। সেই ফরমানে ‘ঘুমন্ত কোষ’গুলিকে জেগে ওঠার নির্দেশ দিয়েছে তেহরান। সংশ্লিষ্ট গোপন বার্তাটি ইতিমধ্যেই হাতে পেয়েছে আমেরিকার গোয়েন্দা বিভাগ। তবে তার সম্পূর্ণ পাঠোদ্ধার করতে পারেনি তারা। এই রিপোর্ট প্রকাশের চার সপ্তাহের মাথায় টেক্সাস-জর্জিয়ায় বিধ্বংসী আগুন লাগায় দানা বাঁধছে সন্দেহ।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
১৮ / ২২

বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃত করে ‘এবিসি নিউজ়’ আরও জানিয়েছে, সাধারণত এই ধরনের বার্তা যাঁদের পাঠানো হয়, তাঁরাই এর পাঠোদ্ধার করতে সক্ষম। মূলত বিশ্বের গোয়েন্দাসংস্থা এব‌ং সামরিক বাহিনীগুলি দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের জন্য এই বন্দোবস্ত করে থাকে। এই ভাবে গোপন বার্তা পাঠানোর সুবিধা হল, প্রেরক এবং প্রাপক— কোনও পক্ষকেই ইন্টারনেট বা মোবাইল নেটওয়ার্কের উপর ভরসা করতে হয় না। ফলে গোপন তথ্য তৃতীয় পক্ষের হাতে পড়ার আশঙ্কা কম।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
১৯ / ২২

এ প্রসঙ্গে আরও একটা যুক্তি প্রকাশ্যে এসেছে। যুদ্ধের মধ্যে ইরানের অর্থনীতিকে ধসিয়ে দিতে পারস্য উপসাগরের কৌশলগত সামুদ্রিক রাস্তা হরমুজ় প্রণালী অবরুদ্ধ করে রেখেছে মার্কিন নৌসেনা, যার বদলা নিতে আমেরিকার ভিতরের জ্বালানি পরিকাঠামোগুলিকে নিশানা করতে পারে তেহরান। সে ক্ষেত্রে আইআরজিসির ভরসা যে ‘স্লিপার সেল’, তা বলাই বাহুল্য।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
২০ / ২২

তবে সংশ্লিষ্ট অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাগুলিকে অন্তর্ঘাত বলেও মনে করছেন গোয়েন্দাদের একাংশ। কারও কারও আবার ধারণা, আকারে ছোট ড্রোন হামলার জেরে আগুনের গ্রাসে গিয়েছে টেক্সাস, ওক্‌লাহোমা, লুইজ়িয়ানা এবং ওয়াশিংটনের শোধনাগার। এতে সম্মিলিত লোকসানের অঙ্ক অবশ্য প্রকাশ্যে আসেনি।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
২১ / ২২

ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়া ইস্তক বিশ্ব জুড়ে দেখা দিয়েছে জ্বালানি সঙ্কট। আন্তর্জাতিক বাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে খনিজ তেলের দাম। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার ভিতরে একের পর এক পরিশোধন কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ড সেই সঙ্কটকে আরও তীব্র করতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ। পাশাপাশি, এর প্রভাব আমেরিকার বাহিনীর উপরেও পড়ার ষোলো আনা আশঙ্কা রয়েছে।

Fires and explosions rock in various US Oil Refineries amid Iran war, Accident or Sabotage
২২ / ২২

সামরিক বিশ্লেষকদের অনুমান, নতুন করে ফের তেহরানে আক্রমণের ঝাঁজ বাড়াতে পারে আমেরিকা। সে ক্ষেত্রে একসঙ্গে আকাশে উড়বে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক লড়াকু জেট। এর জন্য চাই জ্বালানি। এ ছাড়া ওমান সাগরে রণতরী মোতায়েন রাখতে হলেও ওয়াশিংটনের তেলের প্রয়োজন হবে। সেই কারণেই কি বেছে বেছে শোধনাগারগুলিকে নিশানা করছে তেহরান? আগামী দিনে মিলবে তার জবাব।

ছবি: সংগৃহীত, প্রতীকী ও এআই সহায়তায় প্রণীত।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও গ্যালারি

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy