Advertisement
E-Paper

আমেরিকার হৃৎপিণ্ডে ছুরি বসানোর হুমকি! ট্রাম্পের ‘জঙ্গল-রাজ’ খতমে চিনের সঙ্গে প্যাঁচ কষছেন ‘ধুরন্ধর’ পুতিন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফর শেষের রেশ কাটতে না কাটতেই চিনে গেলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ইরান যুদ্ধ থেকে শুরু করে জ্বালানি নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলি নিয়ে ড্রাগন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের সঙ্গে আলোচনা চালিয়েছেন তিনি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২১ মে ২০২৬ ১৬:৪৩
Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
০১ / ২০

আমেরিকার বিরুদ্ধে ‘জোট বাঁধছে’ দুই মহাশক্তি! রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চিনসফর নিয়ে তুঙ্গে উঠেছে সেই জল্পনা। বেজিং পৌঁছে সেখানকার প্রেসিডেন্ট তথা কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান শি জিনপিঙের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন তিনি। যোগ দেন ড্রাগনভূমির একটি শীর্ষ সম্মেলনে। শুধু তা-ই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিশ্ব জুড়ে ‘জঙ্গলের আইন’ ফিরতে চলেছে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। ‘ঐক্যবদ্ধ’ শি-পুতিনের হুমকিকে তাই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল।

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
০২ / ২০

চলতি বছরের ১২-১৫ মে চিনসফর করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দেশে ফেরার চার দিনের মাথায় ড্রাগনভূমিতে পুতিনের পা পড়ায় ভুরু কুঁচকেছেন দুঁদে কূটনীতিকদের একাংশ। তাঁদের অনুমান, জটিল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যত সময় গড়াচ্ছে, ততই আরও কাছাকাছি আসছে মস্কো ও বেজিং। শুধু তা-ই নয়, দুই ‘সুপার পাওয়ার’ রাষ্ট্রনেতার এ-হেন ‘বন্ধুত্ব’ ওয়াশিংটনের রাতের ঘুম ওড়াতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তাঁরা।

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
০৩ / ২০

বিশেষজ্ঞদের কথায়, উষ্ণ অভ্যর্থনা থেকে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে ট্রাম্প ও পুতিনের ক্ষেত্রে জিনপিঙের শরীরী ভাষায় বিভেদের ছাপ ছিল স্পষ্ট। আমেরিকা না রাশিয়া, চিনের কাছে কার মর্যাদা বেশি, এর মাধ্যমে বুঝিয়ে দেন তিনি। উদাহরণ হিসাবে শি-র সামনে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে কিছুটা নিচু কুর্সিতে বসানোর কথা বলা যেতে পারে। তা ছাড়া তাইওয়ান (রিপাবলিক অফ চায়না), গণতন্ত্র বা মানবাধিকার প্রশ্নে চুপ থাকতে বলে ট্রাম্পের সামনে লক্ষ্মণরেখা টেনে দেয় বেজিং।

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
০৪ / ২০

উল্টো দিকে লাল কার্পেট বিছিয়ে পুতিনকে অভ্যর্থনা জানান জিনপিং। তাঁর সামনে কোনও লক্ষ্মণরেখা রাখেনি ড্রাগন প্রশাসন। দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে একাধিক ইস্যুতে আমেরিকা-সহ পশ্চিমি দুনিয়ার কড়া সমালোচনা করেন রুশ প্রেসিডেন্ট। এর মধ্যে রয়েছে ওয়াশিংটন-মস্কোর পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ও ট্রাম্পের সাধের আকাশ প্রতিরক্ষা (এয়ার ডিফেন্স) ব্যবস্থা ‘গোল্ডেন ডোম’। প্রতিটা ক্ষেত্রেই ক্রেমলিন-কর্তার মতামতকে খোলাখুলি ভাবে সমর্থন জানাতে দেখা গিয়েছে প্রেসিডেন্ট শি-কে।

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
০৫ / ২০

২০১০ সালে পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তিতে সই করে রাশিয়া ও আমেরিকা। ঠিক হয়, মোতায়েন করা কৌশলগত আণবিক হাতিয়ারের সংখ্যা ১,৫০০-এ নামিয়ে আনবে মস্কো ও ওয়াশিংটন। এ ছাড়া পরমাণু হামলার জন্য ৭০০-র বেশি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএম (ইন্টার-কন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিসাইল) ও বোমারু বিমান এবং ৮০০-র বেশি ক্ষেপণাস্ত্রের লঞ্চার কখনওই প্রস্তুত রাখবে না তারা। যুক্তরাষ্ট্রের তরফে সংশ্লিষ্ট সমঝোতায় সই করেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক হুসেন ওবামা।

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
০৬ / ২০

আমেরিকার সঙ্গে হওয়া এই চুক্তির অন্যতম কারিগর ছিলেন তৎকালীন রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ। এ বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি শেষ হয় সংশ্লিষ্ট সমঝোতার মেয়াদ। ঠিক তার পরেই ফের এই ধরনের চুক্তি করার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করে মস্কো। যদিও পত্রপাঠ ক্রেমলিনের সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন ট্রাম্প। আর তাই বেজিং সফরে গিয়ে বিষয়টি উত্থাপন করেন পুতিন। বলেন, ‘‘ওয়াশিংটনের জন্য নতুন করে পরমাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র প্রস্তুত হচ্ছে।’’

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
০৭ / ২০

গত বছর (২০২৫ সাল) প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেওয়ার কিছু দিনের মধ্যেই আমেরিকার সুরক্ষায় ‘গোল্ডন ডোম’ তৈরি করার কথা ঘোষণা করেন ট্রাম্প। কৃত্রিম উপগ্রহভিত্তিক এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নির্মাণ খরচ ১৭,৫০০ কোটি ডলার বলে জানা গিয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট এয়ার ডিফেন্সের প্রসঙ্গ তুলেছেন শি-পুতিন। তাঁদের কথায়, ‘‘নিরাপত্তার চাদরে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ ঢাকতে গিয়ে বিপদ বাড়াচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর জন্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে পড়তে পারে ওয়াশিংটনের মিডওয়েস্ট।’’

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
০৮ / ২০

মার্কিন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ৫০টির মধ্যে ১২টি রাজ্যের গুরুত্ব সর্বাধিক। আমেরিকার জনশুমারি ব্যুরোর কাছে তা ‘মিডওয়েস্ট’ নামে পরিচিত। একে ওয়াশিংটনের ‘হৃৎপিণ্ড’ বললে অত্যুক্তি হবে না। মিডওয়েস্টের গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশগুলি হল ওহায়ো, মিশিগান, ইন্ডিয়ানা, ইলিনয়, মিনেসোটা ও মিসৌরি। এই এলাকাগুলিতেই যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধিক শিল্প ও কৃষিপণ্য উৎপাদন হয়ে থাকে। বেজিঙের মাটি থেকে পুতিন-শির সেখানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি যে ট্রাম্পের উদ্বেগ বাড়াল, তা বলাই বাহুল্য।

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
০৯ / ২০

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজ়রায়েল যৌথ ভাবে ইরানে হামলা চালালে পশ্চিম এশিয়ায় বেধে যায় যুদ্ধ। লড়াইয়ের গোড়াতেই জোড়া প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে হরমুজ় প্রণালী অবরুদ্ধ করে তেহরান। আড়াই মাস পেরিয়েও তা খুলতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। এই পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলির খনিজ তেল সরবরাহের রাস্তা বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে তরল সোনার দাম। এর জেরে সংশ্লিষ্ট সংঘর্ষকে ‘অবাঞ্ছিত’ বলে উল্লেখ করেন শি-পুতিন।

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
১০ / ২০

কাতারের গণমাধ্যম ‘আল জ়াজিরা’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, জিনপিঙের সঙ্গে আলোচনায় ইরান যুদ্ধকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। পরে যৌথ বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নাম না করে এই দুই রাষ্ট্রনেতা বলেন, ‘‘কিছু কিছু দেশ এখনও ঔপনিবেশিক যুগের কায়দায় বিশ্ব ব্যবস্থাকে পরিচালিত করতে চাইছে। নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য অন্যের সার্বভৌমত্ব কেড়ে নিতেও তারা পিছপা নয়। কিন্তু, বর্তমানে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে।’’ এ ভাবেই তেহরান সংঘর্ষে আমেরিকার কাঙ্ক্ষিত জয় না পাওয়াকে খোঁচা দিয়েছেন শি-পুতিন।

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
১১ / ২০

কূটনীতিকদের দাবি, রুশ-চিনের ‘অটুট বন্ধুত্বের’ নেপথ্যে রয়েছে বিশ্বের জ্বালানি সঙ্কট। ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার দরুন মস্কোর উপর ১৬ হাজারের বেশি নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে আমেরিকা-সহ পশ্চিমি বিশ্ব। ফলে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক বাজারে খোলাখুলি ভাবে খনিজ তেল বিক্রি করতে পারছেন না পুতিন। সেখানে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বেজিং। ক্রেমলিনের ‘তরল সোনা’র সবচেয়ে বড় ক্রেতা হয়ে সেখানকার অর্থনীতিকে শি বাঁচিয়ে রেখেছেন বললে অত্যুক্তি হবে না।

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
১২ / ২০

এ বারের সফরে চিনের সঙ্গে ৪০টির বেশি চুক্তিতে সই করেছেন পুতিন। এর মধ্যে রয়েছে অর্থনীতি, পর্যটন এবং শিক্ষা। তবে জ্বালানি নিরাপত্তাকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। জিনপিঙের সঙ্গে বৈঠকে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের জন্য ‘পাওয়ার অফ সাইবেরিয়া ২’ পাইপলাইন নিয়ে আলোচনা হয়েছে তাঁর। তবে এ ব্যাপারে কোনও ঐকমত্যে পৌঁছোতে পারেননি দুই রাষ্ট্রনেতা। ফলে তড়িঘড়ি সংশ্লিষ্ট পাইপলাইন প্রকল্প শুরু হওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
১৩ / ২০

কুর্সিতে বসার পর মোট ৪০ বার চিনসফর করেছেন পুতিন। ড্রাগনভূমিতে এ বারের সফরে মস্কো ও বেজিঙের ‘বন্ধুত্বের’ ২৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করেন তিনি। অনুষ্ঠানে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘‘আন্তর্জাতিক মঞ্চে স্থিতিশীল ভূমিকা পালন করতে রাশিয়া ও চিন যৌথ ভাবে স্বাধীন ও সার্বভৌম বিদেশনীতি অনুসরণ করবে।’’ তাঁর এই মন্তব্যের পরই পাল্টা বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি হ্রাসের ইঙ্গিত দেন জিনপিং।

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
১৪ / ২০

অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট শি বলেন, ‘‘ক্রমবর্ধমান বিশৃঙ্খলা ও আধিপত্যবাদকে ঠেকাতে মস্কোকে কৌশলগত সহযোগিতা দিয়ে যাবে বেজিং। ক্রেমলিনের প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।’’ তাঁর এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন দুঁদে কূটনীতিকদের একাংশ। তাঁদের দাবি, রাশিয়ার বিদেশনীতির প্রতি গভীর বিশ্বাস রয়েছে চিনের। সেটা আমেরিকার ক্ষেত্রে একেবারেই নেই। সেই কারণেই ট্রাম্পকে বিশেষ পাত্তা দেননি জিনপিং।

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
১৫ / ২০

ট্রাম্পের এ বারের চিনসফরে ইরান যুদ্ধ এবং হরমুজ় সঙ্কট নিয়ে আলোচনা হবে বলে আশাবাদী ছিল কূটনৈতিক মহল। সঙ্কীর্ণ সামুদ্রিক রাস্তাটি খুলতে বেজিঙের মাধ্যমে তেহরানের উপর চাপ সৃষ্টির মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও তাতে লাভ কিছুই হয়নি। উল্টে ইরান ইস্যুতে মতপার্থক্য বজায় রেখেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষ করেন জিনপিং। পাশাপাশি, তাইওয়ানের ব্যাপারেও কোনও সমাধানসূত্রে আসতে পারেননি তাঁরা।

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
১৬ / ২০

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের ব্যর্থতার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন আমেরিকার ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ়’-এর চিন বিশেষজ্ঞ হেনরিয়েটা লেভিন। ‘অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘তেহরানের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বেজিঙের নিজস্ব স্বার্থ। সাবেক পারস্যের খনিজ তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা হলেন জিনপিং। ফলে পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি করা সমস্যাগুলির সমাধানে ড্রাগনভূমির কোনও আগ্রহ থাকার কথা নয়।’’

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
১৭ / ২০

দ্বিতীয়ত, ইরান যুদ্ধে জড়ানোর জেরে টান পড়েছে আমেরিকার হাতিয়ারের ভান্ডারে। যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্রমশ ফুরিয়ে আসছে পশ্চিম এশিয়ায় মোতায়েন থাকা মার্কিন ফৌজের ক্ষেপণাস্ত্রের বহর। দ্রুত সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে পারছে না পেন্টাগন। সব দিক থেকে তা চিনের জন্য অনুকূল। কারণ, পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে এ বার অনায়াসেই সাবেক ফরমোজ়া তথা তাইওয়ান (রিপাবলিক অফ চায়না) দখলে ঝাঁপাতে পারবেন প্রেসিডেন্ট শি।

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
১৮ / ২০

প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ তাইওয়ানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে মানতে নারাজ চিন। সাবেক ফরমোজ়াকে বরাবরই নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করে এসেছে বেজিং। এ-হেন আরওসি (রিপাবলিক অফ চায়না) দখলে ড্রাগন প্রেসিডেন্ট শি-র সামনে দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে আমেরিকা। তাইপের অস্তিত্ব রক্ষায় সেখানে বিবিধ আধুনিক অস্ত্র মোতায়েন করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। আর তাই ইরান যুদ্ধে ওয়াশিংটনের শক্তিক্ষয় যে বেজিঙের জন্য স্বস্তিজনক, তাতে সন্দেহ নেই।

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
১৯ / ২০

কৌশলগত অবস্থানের কারণে তাইওয়ানের গুরুত্ব যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অপরিসীম। সংশ্লিষ্ট দ্বীপটি চিনের কব্জায় গেলে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার আধিপত্য হারাবে আমেরিকা। পাশাপাশি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া বা আরওকে (রিপাবলিক অফ কোরিয়া) এবং ফিলিপিন্সের মতো রাষ্ট্রগুলির উপর থেকেও মার্কিন প্রভাব পুরোপুরি মুছে যাওয়ার আশঙ্কা থাকছে। এতদসত্ত্বেও জিনপিঙের সঙ্গে বৈঠকে সাবেক ফরমোজ়া নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করতে পারেননি ট্রাম্প।

Is Vladimir Putin and Xi Jinping increasing their ties to counter US
২০ / ২০

যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দিলে শি-পুতিনের গলায় গলায় ‘বন্ধুত্ব’ উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতের। কারণ, বেজিঙের সঙ্গে দীর্ঘ দিনের সীমান্ত বিবাদ এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি নয়াদিল্লি। উল্টে মাঝেমধ্যেই অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের এলাকা বলে দাবি করে থাকে জিনপিং প্রশাসন। সেপ্টেম্বরে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে এ দেশে আসছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে তাঁর। সেটাকে কাজে লাগিয়ে কূটনীতির চালে ‘আগ্রাসী’ ড্রাগনকে কী ভাবে ভারত মাত দেয়, সেটাই এখন দেখার।

ছবি: সংগৃহীত ও প্রতীকী।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও গ্যালারি

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy