• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বিজ্ঞান

আর্যভট্ট দিয়ে শুরু! ইসরোর সাফল্যের তুলনা বিশ্বে কিন্তু হাতেগোনা

শেয়ার করুন
১১ ISRO
ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো আজ এমন একটা জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে যে, আমেরিকা, ব্রিটেন, বেলজিয়াম, ইতালি, চেক প্রজাতন্ত্র, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপানের মতো দেশও ইসরোর রকেটকে ভরসা করে স্যাটেলাইট পাঠাচ্ছে মহাকাশে। ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ক্রমে সাফল্যের শিখরে উঠে চলেছে ইসরো। কেমন সেই উত্তরণের পথ? দেখে নিন
১১ ISRO
মহাকাশ বিজ্ঞানে সারা বিশ্বে ৬ নম্বরে রয়েছে ভারত। আমেরিকা, রাশিয়া, ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি, চিন এবং জাপানের পরই ভারতের স্থান। এমনকি ভারতের ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছে ইজরায়েলও।
১১ ISRO
এপ্রিল ১৯, ১৯৭৫: ভারতের প্রথম নিজস্ব স্যাটেলাইট আর্যভট্ট তৈরি করে ইসরো। যদিও তখন দেশীয় প্রযুক্তিতে কোনও স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল তৈরি করেনি ইসরো। তাই সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের যানে চরে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিল আর্যভট্ট। ১৯৭৬ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ২ টাকার নোটের পিছনে আর্যভট্টের ছবিও দেওয়া থাকত।
১১ ISRO
জুলাই ১৮, ১৯৮০: ভারতের প্রথম দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল এসএলভি-৩। এই এসএলভি-৩ চেপেই পৃথিবীর কক্ষপথে পাড়ি দিয়েছিল রোহিনী। রোহিনী মূলত ইসরোর পরীক্ষামূলক স্যাটেলাইট ছিল। ভারতের তৈরি এসএলভি-৩ ক্ষমতা পর্যবেক্ষণের জন্যই এই উৎক্ষেপণ করেছিল ইসরো। পরীক্ষায় দারুন সাফল্য পায় ইসরো।
১১ ISRO
মে ২০, ১৯৯২: ভারতের জিওস্টেশনারি কমিউনিকেশন এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার জন্য ইনস্যাট-২এ নামে এক স্যাটেলাইট পাঠায় ইসরো। অগমেন্টেড স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল এই স্যাটেলাইট নিয়ে পাড়ি দিয়েছিল পৃথিবীর কক্ষপথে। সফল হয় ইনস্যাট-২এ উত্‌ক্ষেপন।
১১ ISRO
অক্টোবর ২২, ২০০৮: ভারতের প্রথম চন্দ্রাভিযানের বছর। ২০০৮ সালে চন্দ্রযান ১-কে চাঁদে পাঠায় ইসরো। চাঁদে পৌঁছনোর পর থেকে এখনও চন্দ্রযান ১-এর অরবিটার চাঁদের কক্ষপথে ঘুরে চলেছে। চাঁদের পৃষ্ঠদেশ থেকে ২০০ কিলোমিটার উচ্চতায় পাক খাচ্ছে সেটি। ২০০৯ সালের ২৯ অগস্ট লুনার অরবিটারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন হয় ইসরোর। তবে তত দিনে মিশন সফল হয়ে গিয়েছে।
১১ ISRO
সেপ্টেম্বর ০৯, ২০১২: জাপানের মাইক্রো-স্যাটেলাইট প্রয়টেরিস এবং ফরাসি স্যাটেলাইট স্পট ৬ নিয়ে ইসরোর পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল (পিএলএলভি-সি২১) উৎক্ষেপণ হয়। শ্রীহরিকোটার সতীশ ধবন স্পেস সেন্টার থেকেই এর উৎক্ষেপণ হয়েছিল।
১১ ISRO
নভেম্বর ৫, ২০১৩: ভারতের প্রথম মঙ্গল অভিযান। রাশিয়ার রসকসমস, আমেরিকার নাসা এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির পর ইসরো চতুর্থ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা যারা মঙ্গল অভিযান করে। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর পাড়ি দিয়েছিল মহাকাশযান। ২০১৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর মঙ্গলের কক্ষপথ ছুঁয়ে ফেলে ভারত।
১১ ISRO
ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৭: এই দিনই এক অনন্য রেকর্ড করে ইসরো। এই প্রথম কোনও রকেট এক সঙ্গে ১০৪টি স্যাটেলাইট নিয়ে পাড়ি দেয় মহাকাশে। ওই বছরেই ৫ জুন স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল মার্ক-৩ (জিএসএলভি মার্ক-৩) জিস্যাট-১৯ পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠায় ইসরো।
১০১১ ISRO
নভেম্বর ১৪, ২০১৮: ৩ হাজার ৪২৩ কেজি ওজনের জিস্যাট-২৯ স্যাটেলাইট রকেটে চেপে শ্রীহরিকোটা থেকে রওনা দেয়। এত ভারী কোনও স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ ইসরোর এই প্রথম। দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে এই স্যাটেলাইট পাঠানো হয়েছে।
১১১১ ISRO
জুলাই ২২, ২০১৯: জিএসএলভি মার্ক-৩ এর সঙ্গে চন্দ্রযান ২-কে উৎক্ষেপণ করে ইসরো। এটাই ছিল ভারতের চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথম অভিযান। রাশিয়া, আমেরিকা, চিনের পর ভারতই চতুর্থ দেশ যে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফট ল্যান্ডিংয়ের পরিকল্পনা করেছিল। সফল ভাবে চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছে গেলেও ল্যান্ডার বিক্রমের সঙ্গে অরবিটারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় অবতরণের সময়।

Advertisement

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন
বাছাই খবর
আরও পড়ুন