Bhagwant Maan Wedding: রকমারি স্যালাড, বিরিয়ানি, পাঁচ ধরনের ডেজার্ট... আর কী ছিল মুখ্যমন্ত্রীর বিয়ের মেনুতে
দ্বিতীয় বার বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান। চণ্ডীগড়ে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
দ্বিতীয় বার বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান। বৃহস্পতিবার চণ্ডীগড়ে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রের পিহোয়া গ্রামের বাসিন্দা গুরপ্রীত কউরের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেন ভগবন্ত।
পঞ্জাবের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর জীবনসঙ্গীকে নিয়ে যেমন আমজনতার মধ্যে কৌতূহলের অন্ত নেই, তেমনই তাঁর বিয়েতে খাবারের মেনু নিয়েও উৎসাহ তুঙ্গে।
মুখ্যমন্ত্রীর বিয়ে বলে কথা! ফলে মেনুর ধরনে যে একটা ‘শাহি’ ভাব থাকবে, তা সহজেই অনুমেয়। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ভগবন্তের বিয়ের খাবারের মেনু।
মেনুতে যেমন দেশের ছোঁয়া রয়েছে, তেমনই রয়েছে ইটালীয় মেনু। রকমারি স্যালাড থেকে বিরিয়ানি এমনকি ডেজার্টেও রয়েছে নানা চমক।
আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্যসচেতনদের কথা ভেবে রাখা হয়েছে হরেক রকমের স্যালাড।
দেশীয় এবং ইটালীয় কুইজিনের মধ্যে রয়েছে কড়াই পনির, তন্দুরি কুলচে, ডাল মাখানি, নবরত্ন বিরিয়ানি, মৌসুমি সব্জি, অ্যাপ্রিকট স্টাফড কোফতা, লাসাঙ্গা সিসিলিয়ানো, কটেজ চিজ স্টিক, ফক্স নাট রায়তা, বুরানি রায়তা।
স্যালাডের মধ্যে রয়েছে ওয়ালডর্ফ স্যালাড, আরগুলা স্যালাড, অ্যাসর্টেড গ্রিন স্যালাড, সতরঙ্গি ভেজিটেবল স্যালাড।
ডেজার্টের মধ্যে রয়েছে, ফ্রেশ ফ্রুট ট্রাইফল, মুঙ্গ ডাল হালওয়া, শাহি টুকরা, আঙ্গুরী রসমালাই, ড্রাই ফ্রুট রাবড়ি।
আরও পড়ুন:
আত্মীয়-পরিজন এবং বন্ধুবান্ধব এবং ঘনিষ্ঠ রাজনীতিকদের উপস্থিতিতে অনাড়ম্বর ভাবে বিয়ে সারলেন ভগবন্ত।
সূত্রের খবর, ভগবন্তের মায়ের অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল যে, তাঁর ছেলে এ বার বিয়েটা সেরে ফেলুক। কিন্তু পঞ্জাবের নির্বাচন নিয়ে ভগবন্ত ব্যস্ত থাকায় বিয়ে পিছিয়ে যায়।
তাঁর বিয়ে হইচই, চর্চার বিষয় হয়ে উঠুক এটা চাননি ভগবন্ত। ফলে অনাড়ম্বরেই বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
ভগবন্তের স্ত্রী গুরপ্রীত কউর পেশায় চিকিৎসক। তাঁর বাবা ইন্দ্রজিৎ সিংহ কৃষক। গুরপ্রীতের মা রাজিন্দর কউর গৃহবধূ।
গুরপ্রীতরা তিন বোন। বড় দিদি নবনীত কউর আমেরিকায় থাকেন। আর এক দিদি কর্মজীৎ অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন।
গুরপ্রীতকে পরিচিতরা ‘গোপী’ বলে ডাকেন। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, গুরপ্রীত খুব দয়ালু, যত্নবান এবং বুদ্ধিমতী। পাড়ার ছোটরা গুরপ্রীতকে ‘গোপী দিদি’ বলে ডাকে।
গুরপ্রীতকে চার বছর ধরে চেনেন ভগবন্ত। তবে তাঁদের বিয়ের কথা শুরু হয় বছর দুয়েক আগে থেকে।
পরিবার সূত্রে খবর, ২০১৯ সালে সঙ্গরুর লোকসভা কেন্দ্রে ভগবন্তের হয়ে নির্বাচনের প্রচার করেছিলেন গুরপ্রীত। পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ভগবন্তের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানেও ছিলেন গুরপ্রীত।
গুরপ্রীতের পৈতৃক গ্রাম গুমথলা গঢ়ুতে। পিহোয়ার কাছে মদনপুর গ্রামে গুরপ্রীতদের ৪২ একর জমি আছে।
গুরপ্রীতের বাবা ইন্দ্রজিৎ সিংহ নট মদনপুর গ্রামের প্রধান ছিলেন। পিহোয়ার তিলক কলোনিতে সপরিবারে থাকতেন ইন্দ্রজিৎ। সম্প্রতি মোহালিতে থাকছেন তাঁরা।
গুরপ্রীতের কাকা গুজিন্দর সিংহ নট আম আদমি পার্টির নেতা।