Advertisement
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২
Diamond Mine

Diamond: মাটি খুঁড়লেই মেলে হিরে, টিকিট কেটে ঢুকতে হয় এই হিরের খনিতে!

ওই পার্কে একরের পর একর জুড়ে মাটির নীচে রয়েছে রংবেরঙের হিরে। গল্পকথা নয়, খাঁটি সত্যি!

নিজস্ব প্রতিবেদন
কলকাতা শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ০৮:২৭
Share: Save:
০১ ১৬
শুধু খোঁড়াখুঁড়ির ঝামেলা পোহাতে পারলেই হল। তার পর... আপনিও পেয়ে যেতে পারেন অমূল্য রতন, থুড়ি দু’একটি হিরে! তবে তার আগে অবশ্যই অনলাইনে বা নিজে গিয়ে টিকিট কেটে ঢুকতে হবে আরকানসাস স্টেট পার্কে। অনেকের কাছে যা ডায়মন্ডস স্টেট পার্ক নামেও পরিচিত। আমেরিকার ওই পার্কে একরের পর একর জুড়ে মাটির নীচে রয়েছে রংবেরঙের হিরে। গল্পকথা নয়, খাঁটি সত্যি!

শুধু খোঁড়াখুঁড়ির ঝামেলা পোহাতে পারলেই হল। তার পর... আপনিও পেয়ে যেতে পারেন অমূল্য রতন, থুড়ি দু’একটি হিরে! তবে তার আগে অবশ্যই অনলাইনে বা নিজে গিয়ে টিকিট কেটে ঢুকতে হবে আরকানসাস স্টেট পার্কে। অনেকের কাছে যা ডায়মন্ডস স্টেট পার্ক নামেও পরিচিত। আমেরিকার ওই পার্কে একরের পর একর জুড়ে মাটির নীচে রয়েছে রংবেরঙের হিরে। গল্পকথা নয়, খাঁটি সত্যি!

০২ ১৬
আরকানসাসের পাইক কাউন্টিতে মারফ্রিজবোরো শহরে প্রায় ৯১১ একর ধরে গড়ে উঠেছে ওই হিরের পার্ক। তার মধ্যে সাড়ে ৩৭ একর জুড়ে রয়েছে ‘হিরের খনি’।

আরকানসাসের পাইক কাউন্টিতে মারফ্রিজবোরো শহরে প্রায় ৯১১ একর ধরে গড়ে উঠেছে ওই হিরের পার্ক। তার মধ্যে সাড়ে ৩৭ একর জুড়ে রয়েছে ‘হিরের খনি’।

০৩ ১৬
বস্তুত, এটিই দুনিয়ার একমাত্র হিরের খনি, যেখানে ঢুকতে কোনও সরকারি দরপত্র ভরতে হবে না। অর্থাৎ, আমজনতার জন্য তার দ্বার অবারিত। ফলে এখানে ঢুকে হিরের খোঁজে খোঁড়াখুঁড়ি করতে পারেন যে কেউ। শর্ত একটাই— পার্কে ঢুকতে অনলাইনে বা সশরীরে টিকিট কাটতে হবে। সেই ব্যবস্থা তো বহু পার্কেই রয়েছে। তবে সেগুলিতে কি হিরে পাওয়া যায়? আমেরিকার ওই পার্কে প্রতি দিন গড়ে দু’টি করে হিরের খোঁজ মেলে। ফলে সেখানে আমজনতার ভিড় লেগেই রয়েছে।

বস্তুত, এটিই দুনিয়ার একমাত্র হিরের খনি, যেখানে ঢুকতে কোনও সরকারি দরপত্র ভরতে হবে না। অর্থাৎ, আমজনতার জন্য তার দ্বার অবারিত। ফলে এখানে ঢুকে হিরের খোঁজে খোঁড়াখুঁড়ি করতে পারেন যে কেউ। শর্ত একটাই— পার্কে ঢুকতে অনলাইনে বা সশরীরে টিকিট কাটতে হবে। সেই ব্যবস্থা তো বহু পার্কেই রয়েছে। তবে সেগুলিতে কি হিরে পাওয়া যায়? আমেরিকার ওই পার্কে প্রতি দিন গড়ে দু’টি করে হিরের খোঁজ মেলে। ফলে সেখানে আমজনতার ভিড় লেগেই রয়েছে।

সর্বশেষ ভিডিয়ো
০৪ ১৬
খনি বলতে সাধারণত যে ছবি ভেসে আসে, এটি অবশ্য তা নয়। প্রাকৃতিক ভাবে একটি পাইপের আকারে গর্ত তৈরি হয়েছিল ওই পার্কে। প্রায় সাড়ে ন’কোটি বছরের ক্ষয়িষ্ণু আগ্নেয়গিরির অংশ হল ওই পাইপটি। বার বার অগ্ন্যুৎপাতের জেরে যা পাইপের আকারে গর্তের চেহারা নিয়েছে।

খনি বলতে সাধারণত যে ছবি ভেসে আসে, এটি অবশ্য তা নয়। প্রাকৃতিক ভাবে একটি পাইপের আকারে গর্ত তৈরি হয়েছিল ওই পার্কে। প্রায় সাড়ে ন’কোটি বছরের ক্ষয়িষ্ণু আগ্নেয়গিরির অংশ হল ওই পাইপটি। বার বার অগ্ন্যুৎপাতের জেরে যা পাইপের আকারে গর্তের চেহারা নিয়েছে।

০৫ ১৬
শতাব্দী প্রাচীন ওই পার্কে হিরের খোঁজ চলছে সেই ১৯০৬ সাল থেকে। তখন অবশ্য এর মালিকানা ছিল জনৈক জন হাডলসটনের কাছে। ১৯৭২ সালে একে স্টেট পার্কের মর্যাদা দেয় আরকানসাস ডিপার্টমেন্ট অব পার্কস অ্যান্ড ট্যুরিজম।

শতাব্দী প্রাচীন ওই পার্কে হিরের খোঁজ চলছে সেই ১৯০৬ সাল থেকে। তখন অবশ্য এর মালিকানা ছিল জনৈক জন হাডলসটনের কাছে। ১৯৭২ সালে একে স্টেট পার্কের মর্যাদা দেয় আরকানসাস ডিপার্টমেন্ট অব পার্কস অ্যান্ড ট্যুরিজম।

০৬ ১৬
পার্কের ইতিহাস ঘাঁটলে জানা যায়, ১৯০৬ সালের অগস্টে তাঁর ২৪৩ একর খামারবাড়ির জমিতে দু’টি অদ্ভুত দেখতে স্ফটিক খুঁজে পান হাডলসটন। পরের মাসে লিটল রক নামে এক বিনিয়োগকারী গোষ্ঠীর কাছে ওই ২৪৩ একরের একাংশ বেচে দেন হাডলসটন এবং তাঁর স্ত্রী সারা।

পার্কের ইতিহাস ঘাঁটলে জানা যায়, ১৯০৬ সালের অগস্টে তাঁর ২৪৩ একর খামারবাড়ির জমিতে দু’টি অদ্ভুত দেখতে স্ফটিক খুঁজে পান হাডলসটন। পরের মাসে লিটল রক নামে এক বিনিয়োগকারী গোষ্ঠীর কাছে ওই ২৪৩ একরের একাংশ বেচে দেন হাডলসটন এবং তাঁর স্ত্রী সারা।

০৭ ১৬
জমি কেনার পর এর মান পরীক্ষা করিয়েছিলেন লিটল রক গোষ্ঠীর কর্ণধার স্যামুয়েল এফ রেবার্ন। তার পর থেকে বহু বার ওই জমিতে বাণিজ্যিক ভাবে খননকাজ শুরু হলেও তা সফল হয়নি। যদিও ১৯০৭-’৩২ সালের মধ্যে জমির উপরিস্তরে ক্ষয়ের পর প্রায়শই তিরিশ ক্যারাট বা তার বেশি ওজনের হিরে পাওয়া যেত।

জমি কেনার পর এর মান পরীক্ষা করিয়েছিলেন লিটল রক গোষ্ঠীর কর্ণধার স্যামুয়েল এফ রেবার্ন। তার পর থেকে বহু বার ওই জমিতে বাণিজ্যিক ভাবে খননকাজ শুরু হলেও তা সফল হয়নি। যদিও ১৯০৭-’৩২ সালের মধ্যে জমির উপরিস্তরে ক্ষয়ের পর প্রায়শই তিরিশ ক্যারাট বা তার বেশি ওজনের হিরে পাওয়া যেত।

০৮ ১৬
হিরে পাওয়ার খবর হু হু করে ছড়িয়েছিল মারফ্রিজবোরো শহরে। তার খোঁজে ওই জমিতে আশপাশের শহর থেকেও ভিড় বাড়ছিল। কথিত রয়েছে যে, সে সময় হাজার হাজার পর্যটককে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন মারফ্রিজবোরো শহরের হোটেলমালিকেরা।

হিরে পাওয়ার খবর হু হু করে ছড়িয়েছিল মারফ্রিজবোরো শহরে। তার খোঁজে ওই জমিতে আশপাশের শহর থেকেও ভিড় বাড়ছিল। কথিত রয়েছে যে, সে সময় হাজার হাজার পর্যটককে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন মারফ্রিজবোরো শহরের হোটেলমালিকেরা।

০৯ ১৬
হিরের টানে ওই জায়গাটি পর্যটকদের কাছেও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। অনেকের দাবি, হিরের খোঁজে আসা পর্যটকেরা ওই জমির আশপাশেই আস্ত একটি তাঁবু-শহর গড়ে ফেলেছিলেন। তার নাম দিয়েছিলেন ‘কিম্বার্লি’। পুরোটাই দক্ষিণ আফ্রিকার বিখ্যাত হিরের খনি-শহর কিম্বার্লির নামে। যদিও আমেরিকায় কিম্বার্লি শহরের গোড়াপত্তন নিয়ে এ গল্পে বিশ্বাসী নন অনেকে। ধীরে ধীরে হিরে খোঁজার উৎসাহীদের সংখ্যাও কমে যায়।

হিরের টানে ওই জায়গাটি পর্যটকদের কাছেও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। অনেকের দাবি, হিরের খোঁজে আসা পর্যটকেরা ওই জমির আশপাশেই আস্ত একটি তাঁবু-শহর গড়ে ফেলেছিলেন। তার নাম দিয়েছিলেন ‘কিম্বার্লি’। পুরোটাই দক্ষিণ আফ্রিকার বিখ্যাত হিরের খনি-শহর কিম্বার্লির নামে। যদিও আমেরিকায় কিম্বার্লি শহরের গোড়াপত্তন নিয়ে এ গল্পে বিশ্বাসী নন অনেকে। ধীরে ধীরে হিরে খোঁজার উৎসাহীদের সংখ্যাও কমে যায়।

১০ ১৬
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ওই জমির মালিকানা নিজের হাতে নেয় আমেরিকা সরকার। এর পর গ্লেন মার্টিন নামে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে তাঁকে সেখানে খননকাজের অনুমতি দেয়। তবে খনিশ্রমিকদের মজুরির ব্যয়বহুল হওয়ায় সে পরিকল্পনা সফল হয়নি। বিশ্বযুদ্ধের শেষে পূর্বতন মালিককে ওই সম্পত্তি ফিরিয়ে দেয় সরকার। ১৯৫২ থেকে ’৭২ সাল পর্যন্ত হিরের খোঁজে সেখানে ভিড় লেগেই ছিল।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ওই জমির মালিকানা নিজের হাতে নেয় আমেরিকা সরকার। এর পর গ্লেন মার্টিন নামে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে তাঁকে সেখানে খননকাজের অনুমতি দেয়। তবে খনিশ্রমিকদের মজুরির ব্যয়বহুল হওয়ায় সে পরিকল্পনা সফল হয়নি। বিশ্বযুদ্ধের শেষে পূর্বতন মালিককে ওই সম্পত্তি ফিরিয়ে দেয় সরকার। ১৯৫২ থেকে ’৭২ সাল পর্যন্ত হিরের খোঁজে সেখানে ভিড় লেগেই ছিল।

১১ ১৬
১৯৫১ সালে ওই হিরের খনিকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের ভিড়ের ফায়দা তুলতে এগিয়ে এসেছিলেন লেখক তথা প্রোমোটার হাওয়ার্ড এ মিলার এবং তাঁর স্ত্রী মোডিয়ান। দেশ জুড়ে প্রচার শুরু করেন তাঁরা। ফলও মিলেছিল হাতেনাতে। ভিড় করেছিলেন পর্যটকেরা। ১৯৫৬ সালে ওই গর্ত থেকে ৩৪.২৫ ক্যারাট বা ৬.৮৫০ গ্রামের নীল রঙের হিরে খুঁজে পান জন পোলক। এর পরই ওই জায়গা ঘিরে নানা কথা ছড়িয়ে পড়ে।

১৯৫১ সালে ওই হিরের খনিকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের ভিড়ের ফায়দা তুলতে এগিয়ে এসেছিলেন লেখক তথা প্রোমোটার হাওয়ার্ড এ মিলার এবং তাঁর স্ত্রী মোডিয়ান। দেশ জুড়ে প্রচার শুরু করেন তাঁরা। ফলও মিলেছিল হাতেনাতে। ভিড় করেছিলেন পর্যটকেরা। ১৯৫৬ সালে ওই গর্ত থেকে ৩৪.২৫ ক্যারাট বা ৬.৮৫০ গ্রামের নীল রঙের হিরে খুঁজে পান জন পোলক। এর পরই ওই জায়গা ঘিরে নানা কথা ছড়িয়ে পড়ে।

১২ ১৬
মারফ্রিজবোরো শহরের এই এলাকায় এত চেয়েও বড় হিরে অবশ্য আগেই খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। ১৯২৪ সালে তা খুঁজে পান ওয়েসলি ওলে বেশাম নামে এক শ্রমিক। ‘আঙ্কল স্যাম’ নামে পরিচিত ওই হিরের ওজন ছিল ৪০.২৩ ক্যারাটের (৮.০৪৬ গ্রাম)। আমেরিকায় এত বড় হিরে আর কখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

মারফ্রিজবোরো শহরের এই এলাকায় এত চেয়েও বড় হিরে অবশ্য আগেই খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। ১৯২৪ সালে তা খুঁজে পান ওয়েসলি ওলে বেশাম নামে এক শ্রমিক। ‘আঙ্কল স্যাম’ নামে পরিচিত ওই হিরের ওজন ছিল ৪০.২৩ ক্যারাটের (৮.০৪৬ গ্রাম)। আমেরিকায় এত বড় হিরে আর কখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

১৩ ১৬
হিরের খনি ঘিরে এ বার প্রতিযোগিতাও শুরু হয়েছিল। রস্কো জনস্টন নামে এক ব্যবসায়ী ওই জমির উপরে ‘আরকানসাস ডায়মন্ড মাইন’ খুলে বসেন। রেষারেষিতে দুই গোষ্ঠীরই লোকসান হয়েছিল। আসরে নেমেছিল টেক্সাসের সংস্থাও। ’৭১-এর জুলাইতে ওই সম্পত্তির মালিকানা নেয় ডালাসের জিই ইন্ডাস্ট্রিজ (জিএফআই)। এর পর থেকে বেশ কিছু একর জমি বেচে দিয়েছিল ওই সংস্থা। তবে হিরের খনির আকর্ষণ কমেনি।

হিরের খনি ঘিরে এ বার প্রতিযোগিতাও শুরু হয়েছিল। রস্কো জনস্টন নামে এক ব্যবসায়ী ওই জমির উপরে ‘আরকানসাস ডায়মন্ড মাইন’ খুলে বসেন। রেষারেষিতে দুই গোষ্ঠীরই লোকসান হয়েছিল। আসরে নেমেছিল টেক্সাসের সংস্থাও। ’৭১-এর জুলাইতে ওই সম্পত্তির মালিকানা নেয় ডালাসের জিই ইন্ডাস্ট্রিজ (জিএফআই)। এর পর থেকে বেশ কিছু একর জমি বেচে দিয়েছিল ওই সংস্থা। তবে হিরের খনির আকর্ষণ কমেনি।

১৪ ১৬
ডায়মন্ডস স্টেট পার্কে মূলত সাদা, পিঙ্গল এবং হলদে— তিন রঙের হিরে পাওয়া যায়। ’৭২ সালের পর থেকে এখনও পর্যন্ত সেখানে ৩৩ হাজার ১০০টি হিরে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে।

ডায়মন্ডস স্টেট পার্কে মূলত সাদা, পিঙ্গল এবং হলদে— তিন রঙের হিরে পাওয়া যায়। ’৭২ সালের পর থেকে এখনও পর্যন্ত সেখানে ৩৩ হাজার ১০০টি হিরে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে।

১৫ ১৬
টিকিট কেটে পার্কে ঢোকার পর নিজেদের যন্ত্রপাতি নিয়েই খোঁড়াখুঁড়ি করতে পারেন। অথবা চাইলে সেগুলি ভাড়াও নিতে পারেন। তবে ব্যাটারি বা মোটরচালিত যন্ত্র নিয়ে ঢোকা নিষিদ্ধ।

টিকিট কেটে পার্কে ঢোকার পর নিজেদের যন্ত্রপাতি নিয়েই খোঁড়াখুঁড়ি করতে পারেন। অথবা চাইলে সেগুলি ভাড়াও নিতে পারেন। তবে ব্যাটারি বা মোটরচালিত যন্ত্র নিয়ে ঢোকা নিষিদ্ধ।

১৬ ১৬
পার্কে হিরের খনি ছাড়াও পিকনিক করার ব্যবস্থা রয়েছে। তাঁবু খাটিয়ে সময় কাটানোর জন্য ৪৭টি নির্দিষ্ট জায়গাও রয়েছে। রয়েছে গিফ্ট শপ এবং ওয়াটার পার্কও। ফলে হিরের খোঁজার ইচ্ছে না থাকলে শুধুমাত্র সময় কাটানোর জন্যও জায়গাটি বেশ।

পার্কে হিরের খনি ছাড়াও পিকনিক করার ব্যবস্থা রয়েছে। তাঁবু খাটিয়ে সময় কাটানোর জন্য ৪৭টি নির্দিষ্ট জায়গাও রয়েছে। রয়েছে গিফ্ট শপ এবং ওয়াটার পার্কও। ফলে হিরের খোঁজার ইচ্ছে না থাকলে শুধুমাত্র সময় কাটানোর জন্যও জায়গাটি বেশ।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
আরও গ্যালারি

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.