হামাসকে টাকা দিয়েছেন নেতানিয়াহু, স্ত্রীর ‘কুমন্ত্রণা’য় দেন উস্কানি! ইরান যুদ্ধের মধ্যে ফাঁস ইহুদি প্রধানমন্ত্রীর ‘কুকীর্তি’
ইরান যুদ্ধের মধ্যেই ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রকাশ করেছেন মার্কিন পডকাস্ট-সঞ্চালক টাকার কার্লসন। সেখানে তিনি ও তাঁর স্ত্রীর একাধিক কুকীর্তি উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
স্ত্রীর প্ররোচনাতেই ইরান আক্রমণের সিদ্ধান্ত। জয় নিশ্চিত করতে ‘ভুল বুঝিয়ে’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো ‘সুপার পাওয়ার’কে রণাঙ্গনে টেনে এনেছেন তিনি। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘর্ষ চলাকালীন এ বার এ-হেন অভিযোগে বিদ্ধ হলেন ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তাঁকে নিয়ে ‘দ্য বিবি ফাইল্স’ শীর্ষক একটি তথ্যচিত্র তৈরি করেছেন আমেরিকার রক্ষণশীল রাজনৈতিক কর্মী তথা পডকাস্ট-সঞ্চালক টাকার কার্লসন। সেটা প্রকাশ্যে আসতেই বিশ্ব জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ডাক নাম ‘বিবি’। নিজের তথ্যচিত্রে সেটাই ব্যবহার করেছেন টাকার। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ‘নিউজ় নেটওয়ার্ক’ নামের একটি গণমাধ্যম সংস্থার সঙ্গে যুক্ত আছেন তিনি। অতীতে ‘ফক্স নিউজ়ে’ সঞ্চালনার কাজ করতেন কার্লসন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইহুদিভূমিতে জঙ্গি হামলার পর হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামেন নেতানিয়াহু। তখন থেকেই তেহরান-তেল আভিভের মধ্যে সংঘর্ষ একরকম স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এর সবচেয়ে বড় সমালোচক ছিলেন টাকার।
নেতানিয়াহুকে নিয়ে করা তথ্যচিত্র প্রকাশের পর সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্সে (সাবেক টুইটার) একের পর এক বিস্ফোরক পোস্ট করে কার্লসনের প্রতিষ্ঠান। তাদের দাবি, ‘‘ইহুদিভূমিতে ‘দ্য বিবি ফাইল্স’ নিষিদ্ধ করেছে বেঞ্জামিন সরকার। কারণ, বছরের পর বছর ধরে যে দুর্নীতি এবং অন্যায়গুলি তিনি ধামাচাপা দিয়ে এসেছেন, তা এতে সকলের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে আছে সন্দেহজনক গোপন চুক্তি এবং যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী বহু কার্যকলাপ।’’
কার্লাসনের সংস্থার দাবি, একাধিক ‘গোপন’ সাক্ষাৎকারে সংশ্লিষ্ট তথ্যচিত্রটিকে সাজিয়েছে তারা। সেগুলি থেকে নেতানিয়াহু কী ভাবে ইরান যুদ্ধে আমেরিকাকে জড়িয়ে ফেলার ষড়যন্ত্র করেন, তার স্পষ্ট ধারণা পাবেন দর্শক। শুধু তা-ই নয়, এ ব্যাপারে তাঁর সহধর্মিণীর ভূমিকাও সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয়। কার্লসন মনে করেন, গোড়া থেকে পর্দার আড়ালে থেকে এ ব্যাপারে কলকাঠি নাড়ছেন ‘বিবি’-পত্নী সারা। ইজ়রায়েলি প্রশাসনের উপর তাঁর যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। পাশাপাশি হামাস নিয়েও কার্লসন করেছেন ভয়ঙ্কর দাবি।
এক্সের একটি পোস্টে কার্লসন লিখেছেন, ‘‘যাঁর জন্যে আমেরিকা আর একটা যুদ্ধ লড়ছে, সেই ব্যক্তির পরিচয়টা ভাল করে জানা প্রয়োজন। অন্ধের মতো সমর্থন করার আগে চিনে নিন তাঁর কোনটা মুখ আর কোনটা মুখোশ।’’ ওই পোস্টেই তিনি জানিয়েছেন, ‘দ্য বিবি ফাইল্সে’ বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের বেশ কয়েকটা দৃশ্য রয়েছে, যা তাঁর কুকীর্তি ফাঁসের পক্ষে যথেষ্ট। ওই ফুটেজ কী ভাবে এবং কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তা অবশ্য জানাননি তিনি।
আরও পড়ুন:
তথ্যচিত্র নির্মাতা টাকার জানিয়েছেন, দীর্ঘ দিন ধরেই প্যালেস্টাইনপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠী হামাসকে গোপন আর্থিক সহায়তা দিয়ে গিয়েছেন নেতানিয়াহু। সেই লক্ষ্যে বেনামে গাজ়ায় কোটি কোটি ডলার পাঠানোর ব্যবস্থা করেন তিনি। ২০১৮ সালে থেকে তাঁর নির্দেশে ওই টাকা সেখানকার জনগণের মধ্যে ছড়ানো শুরু করে ইহুদি গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেট। তবে হামাসের সামরিক শাখা যাতে সরাসরি লাভবান না হয়, সে দিকে কড়া দৃষ্টি রেখেছিল তারা।
কার্লসনের তথ্যচিত্র অনুযায়ী, ২০১৬ সালে হামাসের উপর হামলার পরিকল্পনা করে ইজ়রায়েলি ফৌজ। কিন্তু, নেতানিয়াহু তাতে সায় দেননি। প্যালেস্টাইনকে দুর্বল করতে তখন ‘ভাগ কর এবং শাসন কর’ নীতিতে চলছিলেন তিনি। গাজ়া এবং ওয়েস্ট ব্যাঙ্কের বাসিন্দা এবং শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে কোনও সদ্ভাব গড়ে উঠুক, তা কখনওই চাননি ‘বিবি’। পরবর্তীকালে এই ইস্যুতে মুখ খোলেন ইহুদিদের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আভিগডর লিবারম্যান। তাঁর দাবি, তেল আভিভে হামলার জন্য হামাসকে সাহস জুগিয়েছিল নেতানিয়াহুর পাঠানো ওই ডলার।
‘দ্য বিবি ফাইল্স’ তথ্যচিত্রের একটি অংশ ইতিমধ্যেই নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সেখানে ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন মিরিয়াম এবং শেলডন অ্যাডেলসন দম্পতি। তাঁদের কথায়, ‘‘সারা নেতানিয়াহু যদি রাজনীতির ব্যাপারে নাক না গলাতেন, তা হলে সেটা ইহুদি-রাষ্ট্রের জন্য মঙ্গল হত। কারণ, তিনি ক্ষমাশীল মহিলা নন। আর সৎ থেকে তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্ব চালিয়া যাওয়াটা খুবই দুষ্কর।’’
রক্ষণশীল রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী মিরিয়াম এবং শেলডন অ্যাডেলসন দম্পতিকে ধনকুবের ইহুদি-মার্কিনিদের অন্যতম বললে অত্যুক্তি হবে না। তাঁরাই ছিলেন লাস ভেগাসে বিখ্যাত ক্যাসিনো এবং বিলাসবহুল রিসর্ট পরিচালন সংস্থা ‘স্যান্ডস’-এর প্রতিষ্ঠাতা। ২০২১ সালে প্রয়াত হন শেলডন। তবে তাতে মিরিয়ামের সম্পত্তির উপর কোনও আঁচ আসেনি। যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে ৩,৪৬০ কোটি ডলারের মালকিন তিনি।
আরও পড়ুন:
সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘দ্য বিবি ফাইল্স’-এর ক্লিপে মিরিয়ামকে ইহুদি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর স্ত্রী সারা সম্পর্কে একাধিক কথা বলতে শোনা গিয়েছে। এক জায়গায় তিনি বলেছেন, ‘‘এ সব কথা ফাঁস হয়ে গেলে আমি শেষ।’’ কার্লসনের সংস্থার দাবি, একটা সময় অ্যাডেলসন পরিবারের সঙ্গে গলায় গলায় সম্পর্ক ছিল ‘বিবি’র। ধনকুবের শিল্পপতি শেলডন হয়ে ওঠেন তাঁর ‘সুগার ড্যাডি’। কিন্তু, পরবর্তীকালে সেই সম্পর্কই তলানিতে গিয়ে পৌঁছোয়।
২০১৯ সালে নেতানিয়াহু পরিবারের সঙ্গে মিরিয়ামের সম্পর্কের অবনতির কথা একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ করে ইহুদি গণমাধ্যম ‘দ্য টাইমস অফ ইজ়রায়েল’। শেলডন পত্নীর অভিযোগ অনুযায়ী, একটা সময়ে তিক্ততা এতটাই বেড়ে যায় যে সেটা ফোনে চিৎকারের পর্যায়ে নেমে আসে। পাশাপাশি, নেতানিয়াহু এবং ‘ইয়েদিওথ আহরোনোথ’ পত্রিকার প্রকাশক আরনন মোজ়েসের মধ্যে সন্দেহজনক অবৈধ লেনদেনের ব্যাপারেও তাঁকে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়েছিল।
তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ‘ইজ়রায়েল হায়োম’ নামের একটি ট্যাবলয়েডের প্রকাশক ছিলেন মিরিয়াম। গোড়ার দিকে নেতানিয়াহুর সব কাজের ভূয়সী প্রশংসা করত তারা। পরে কিছু কিছু বিষয় নিয়ে ওই ট্যাবলয়েডে শুরু হয় ‘বিবি’র সমালোচনা। শেলডন পত্নীর দাবি, সারার সেটা একদম সহ্য হয়নি। তাঁর উস্কানিতেই মোজ়েসকে ঘুষ দেন ইহুদি প্রধানমন্ত্রী। উদ্দেশ্য ছিল দু’টো। প্রথমত, তাঁর অনুকূলে ‘ইয়েদিওথ আহরোনোথে’ ঢালাও প্রচার। দ্বিতীয়ত, ‘ইজ়রায়েল হায়োম’কে দুর্বল করা।
‘দ্য বিবি ফাইল্স’-এর ভাইরাল ভিডিয়োয় তদন্তকারীদের সামনে মিরিয়ামকে ভেঙে পড়তেও দেখা গিয়েছে। সেখানে তিনি বলছেন, ‘‘অনেক দিন ধরেই আমাদের সম্পর্কের অবনতি হচ্ছিল। নেতানিয়াহু গণমাধ্যমকে ঘুষ দেওয়ার আগেই হয়তো সেটা শুরু হয়েছিল। আমার ট্যাবলয়েড তাঁকে বাঁচাতে চায়নি। কারণ, অন্য সব সংবাদমাধ্যমও তাঁকে আক্রমণ করছিল। বিশেষত নির্বাচনের আগে চলছিল তাঁর বদনাম।’’ সংশ্লিষ্ট ভাইরাল ভিডিয়োগুলির সত্যতা অবশ্য যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ক্লিপ অনুযায়ী সারা নেতানিয়াহু সম্পর্কে মিরিয়াম বলেছেন, ‘‘ওঁর ফোন এলেই ভয়ে সিঁটিয়ে যেতাম। কারণ, সেখানে শুধুই থাকত বিবি-পত্নীর চিৎকার আর তীক্ষ্ণ স্বর। বহু সময়ে বাধ্য হয়ে রিসিভার নামিয়ে রেখেছি। ৫, ১০ মিনিট... তার পর ওটা আবার কানে দিতাম। এগুলি কোনও সুখস্মৃতি ছিল না। কিন্তু, তিনি ইহুদি রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী। তাই তাঁকে প্রাপ্য সম্মানটুকু দিতেই হত।’’
সামরিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ আরও ভয়ঙ্কর আকার নিলে ইরানে পরমাণু হামলা চালাতে পারে তেল আভিভ। সূত্রের খবর, কার্লসনের ‘দ্য বিবি ফাইল্স’ তথ্যচিত্রেও তার উল্লেখ রয়েছে। ভাইরাল ভিডিয়ো অনুযায়ী, নেতানিয়াহু-পত্নীর থেকে সেই ইঙ্গিত পেয়েছেন মিরিয়াম। সেখানে সারা বলেছেন, ‘‘তেহরানে যদি আমাদের কৌশলগত আণবিক বোমা ফেলতে হয়, তার জন্য দায়ী থাকব একমাত্র আমি।’’
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজ়রায়লের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের শিয়া ধর্মগুরু তথা সর্বোচ্চ নেতা (সুপ্রিম লিডার) আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যু হলে পশ্চিম এশিয়ায় বেধে যায় যুদ্ধ। লড়াইয়ের গোড়াতেই হরমুজ় প্রণালী অবরুদ্ধ করে তেহরানের ‘ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর’ বা আইআরজিসি। পাশাপাশি, ‘নৃত্যরত’ ক্ষেপণাস্ত্র থেকে শুরু করে কামিকাজ়ে (আত্মঘাতী) ড্রোনে প্রত্যাঘাত শানিয়ে ইহুদি রাষ্ট্রটিকে একরকম ফালাফালা করে ফেলেছে তারা।
ইজ়রায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা (এয়ার ডিফেন্স) ব্যবস্থা বিশ্বমানের। তার পরেও ইরানি ‘হাইপারসনিক’ (শব্দের পাঁচ গুণের চেয়ে গতিশীল) ক্ষেপণাস্ত্রগুলিকে মাঝ-আকাশে ধ্বংস করতে ব্যর্থ হয়েছে ইহুদি ফৌজ। ফলে সংঘর্ষ তীব্র হতেই তাদের হাতে থাকা বিকল্পগুলি নিয়ে তুঙ্গে উঠেছে জল্পনা। তেল আভিভের আণবিক অস্ত্রভান্ডার নিয়ে যথেষ্ট ধোঁয়াশা রয়েছে। সরকারি ভাবে কখনওই ওই গণবিধ্বংসী হাতিয়ার থাকার বিষয়টি স্বীকার করেনি তারা। আবার আসেনি কোনও নেতিবাচক বিবৃতিও।
বিপদের জায়গা হল, পরমাণু অস্ত্রের ক্ষেত্রে ভারতের মতো ‘প্রথমে ব্যবহার নয়’ নীতি নিয়ে চলে না ইজ়রায়েল। তাদের মতবাদ হল ‘স্যামসন বিকল্প’। বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বহু সেনা অফিসার। তাঁদের কথায়, ‘‘স্যামসন বিকল্পের অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝতে হবে। পরমাণু শক্তিবিহীন কোনও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কখনওই ওই গণবিধ্বংসী হাতিয়ার ব্যবহার করবে না ইহুদি ফৌজ। কিন্তু অস্তিত্বের সঙ্কট তৈরি হলে সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে তারা।’’
আয়তনের নিরিখে ইজ়রায়েল দুনিয়ার অন্যতম ছোট রাষ্ট্র। ফলে শত্রুরা আণবিক হামলা চালালে তাদের মানচিত্র থেকে মুছে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের দাবি, ‘স্যামসন বিকল্প’ মেনে একমাত্র তখনই আসবে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের প্রসঙ্গ। ইরান যুদ্ধে তেল আভিভের পাশে আছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে এ ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা না করে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর পক্ষে অসম্ভব।
তবে দ্বিতীয় বারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কুর্সিতে বসা ইস্তক ‘এপস্টিন ফাইল্স’কে কেন্দ্র করে বেশ অস্বস্তিতে রয়েছেন ট্রাম্প। তাঁর বিরুদ্ধে উঠেছে যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ। এই আবহে ইজ়রায়েলকে সঙ্গে নিয়ে ইরান যুদ্ধে নেমে পড়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে আমেরিকায় তীব্র হচ্ছে প্রতিবাদ। কার্লসনের ‘দ্য বিবি ফাইল্স’ তাতে ঘি ঢালবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ফলে নজর ঘোরাতে আমেরিকা তেহরানে আক্রমণের ঝাঁজ তীব্র করে কি না সেটাই এখন দেখার।