সেই সব পোস্টের দাবি, ফাতেমা খানুম এতটাই সুন্দরী ছিলেন যে, তাঁকে পারস্যের সৌন্দর্যের প্রতীকও ধরা হত সে সময়। তবে সেই পোস্টের সঙ্গে প্রায়শই যে ছবিগুলি পোস্ট করা হয়, সেই ছবি অনুযায়ী, সমাজের মানদণ্ডে আদতেও সুন্দরী ছিলেন না ফাতেমা। তা হলেও কেন তাঁকে সৌন্দর্যের প্রতীক ধরা হত? কেনই বা তাঁর জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন ১৩ পুরুষ?
এই নিয়ে হার্ভার্ডের ইতিহাসবিদ আফসানেহ নাজ়মাবাদি একটি বইও লিখেছেন। বইটির নাম ‘উওমেন উইথ মাস্টাচ্স অ্যান্ড মেন্ উইথআউট বিয়ার্ডস: জেন্ডার এন্ড সেক্সুয়াল অ্যাংজ়াইটি অফ ইরানিয়ান মডার্নিটি’। নাজমাবাদি সেই বইয়ে ব্যাখ্যা করেছেন, পারস্যবাসী যখন বেশি করে ইউরোপে ভ্রমণ করতে শুরু করেন, তখন তাঁদের সৌন্দর্যের মানগুলি পরিবর্তিত হতে শুরু করে।
বলা হয়, উভয় রাজকন্যাই খুব অল্প বয়সে বিয়ে করেছিলেন। ফাতেমা বিয়ে করেছিলেন ১১ বছর বয়সে এবং জহরা ১৩ বছর বয়সে। সেই সময় রাজকুমারী বা রাজপরিবারের মহিলাদের মুখ সাধারণত তাঁদের পরিবার এবং নিকটাত্মীয়েরাই দেখতে পেতেন। তাই ১৩ জন পুরুষ ফাতেমার প্রেমে পড়ে আত্মহত্যা করেছিলেন— এমন দাবির কোনও ঐতিহাসিক সত্যতা বা প্রমাণ মেলেনি।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy