Will China launch a US style Venezuela military operation in Taiwan dgtl
China Taiwan Conflict
আমেরিকার অপারেশন ভেনেজ়ুয়েলার ‘কপি-পেস্ট’! তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টকে তুলে আনার ‘অ্যাসিড টেস্ট’ দেবে ড্রাগন?
চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতেই ভেনেজ়ুয়েলায় সামরিক অভিযান চালিয়ে সস্ত্রীক সেখানকার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ‘অপহরণ’ করে এনেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেল্টা ফোর্স। আমেরিকার স্টাইলেই এ বার সাবেক ফরমোজ়া তথা তাইওয়ানে (রিপাবলিক অফ চায়না) অপারেশন চালাবে চিনা লালফৌজ?
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ ০৭:৪১
Share:Save:
এই খবরটি সেভ করে রাখার জন্য পাশের আইকনটি ক্লিক করুন।
০১১৮
ভেনেজ়ুয়েলায় ঢুকে সস্ত্রীক সেখানকার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ‘অপহরণ’ করে এনেছে মার্কিন ফৌজ। যুক্তরাষ্ট্রের ওই সামরিক অভিযান ঘিরে দুনিয়া জুড়ে পড়ে গিয়েছে শোরগোল। এই আবহে বিশ্বের তাবড় প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মনে চাগাড় দিচ্ছে জোড়া প্রশ্ন। আগামী দিনে একই কায়দায় তাইওয়ানে (রিপাবলিক অফ চায়না) সেনা অপারেশন চালাবে গণপ্রজাতন্ত্রী চিন (পিপল্স রিপাবলিক অফ চায়না)? বেজিং শেষ পর্যন্ত দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নিলে আমেরিকার মতো পাবে কি সাফল্য?
০২১৮
আমেরিকা-সহ পশ্চিমি প্রতিরক্ষা থিঙ্ক ট্যাঙ্কগুলির দাবি, ২০২৭ সালের আগে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র তাইওয়ান (আগে নাম ছিল ফরমোজ়া) আক্রমণ করবে না চিন। বর্তমানে সেই লক্ষ্যেই নাকি দ্রুত গতিতে সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ড্রাগন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। পাশাপাশি, তাইপের উপর কূটনৈতিক এবং সামরিক চাপ বজায় রাখছে বেজিং। আর তাই সাম্প্রতিক সময়ে বহু বার তাদের ‘পিপল্স লিবারেশন আর্মি’ বা পিএলএ নৌবাহিনীকে সাবেক ফরমোজ়াকে ঘিরে ধরে মহড়া চালাতে দেখা গিয়েছে।
০৩১৮
উত্তর চিনের স্বায়ত্তশাসিত এলাকাগুলির মধ্যে অন্যতম হল অভ্যন্তরীণ মঙ্গোলিয়া বা ইনার মঙ্গোলিয়া। পশ্চিমি দেশগুলির গোয়েন্দা সূত্রে খবর, সেখানকার ঝুরিহে সামরিক ঘাঁটিতে বসেই তাইওয়ান হামলার নীলনকশা ছকেছেন পিএলএ-র পদস্থ কমান্ডারেরা। শুধু তা-ই নয়, সংশ্লিষ্ট ছাউনিতে আছে সাবেক ফরমোজ়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয়, বিদেশ মন্ত্রক ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দফতর এবং বিচারবিভাগীয় কার্যালয়ের প্রতিকৃতি। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কায়দায় অপারেশনের পরিকল্পনা করা বেজিঙের পক্ষে একেবারেই অসম্ভব নয়।
০৪১৮
গত বছরের ডিসেম্বরে তাইওয়ানকে ঘিরে ‘জাস্টিস মিশন-২০২৫’ নামের একটি সামরিক মহড়া চালায় পিএলএ-র ইস্টার্ন থিয়েটার কমান্ড (ইটিসি)। পরে ওই যুদ্ধাভ্যাসের একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করে চিনা লালফৌজ। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের অনুমান, সেটা পুরোপুরি সামরিক ড্রোন ক্যামেরায় তুলেছে বেজিং। ভিডিয়োটিতে তাইপের ১০১তলা গগনচুম্বী ভবনটিকে দেখতে পাওয়া গিয়েছে। এর মাধ্যমে দ্বীপরাষ্ট্রের জনগণকে বিশেষ বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছে জিনপিঙের বাহিনী। আর সেটা হল, ‘আমরা ফরমোজ়া দখলে পুরোপুরি প্রস্তুত’।
০৫১৮
এর পরই বিষয়টি নিয়ে বিবৃতি দেন তাইওয়ানের উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী হসু সু-চিয়েন। চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি তিনি বলেন, ‘‘অতর্কিতে আক্রমণ চালিয়ে আমাদের প্রেসিডেন্টকে হত্যা বা অপহরণ করার পরিকল্পনা রয়েছে পিএলএ-র। সেই কারণে লাগাতার এই ধরনের মহড়ায় গা ঘামাচ্ছে চিনা লালফৌজ। তবে এ সবের জন্য আমরাও প্রস্তুত। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্টকে নিরাপদে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ‘প্ল্যান বি’ তৈরি রাখা হয়েছে। তা ছাড়া আগ্রাসন দেখালে মুখের মতো জবাব পাবে বেজিং।’’
০৬১৮
সমীক্ষক সংস্থা গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের সর্ববৃহৎ স্থল এবং নৌবাহিনীর অধিকারী হল চিন। ফৌজি শক্তির নিরিখে দুনিয়ায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বেজিং। কিন্তু তার পরেও সাবেক সেনাকর্তাদের অনেকেই মনে করেন, ড্রাগনের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ভেনেজ়ুয়েলা অপারেশনের কায়দায় সামরিক অভিযান চালানো বেশ কঠিন। কারণ, মাদুরো ‘অপহরণ’-কাণ্ডে একরকম বিনা বাধায় কারাকাসে হামলা চালায় মার্কিন ডেল্টা ফোর্স। তাইওয়ান কব্জায় সেই সুযোগ কখনওই পাবে না চিনা লালফৌজ।
০৭১৮
তাৎপূর্ণ বিষয় হল, ভেনেজ়ুয়েলা আক্রমণের প্রথম ঘণ্টাতেই সেখানকার বাহিনীর যোগাযোগ ব্যবস্থা, কমান্ড-কন্ট্রোল সিস্টেম, সামরিক কম্পিউটার এবং গোয়েন্দা নজরদারির যাবতীয় ডিভাইসগুলিকে উড়িয়ে দেয় আমেরিকার ফৌজ। কারাকাসের বায়ুসেনা অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় ন্যূনতম বাধাও তৈরি করতে পারেনি তারা। লাটিন (দক্ষিণ) আমেরিকার দেশটির বহরে আছে মাত্র ২০ থেকে ৩০টি রুশ নির্মিত এসইউ-৩০ বহুমুখী লড়াকু জেট, যা নিয়ে মার্কিন ডেল্টা ফোর্সের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছিল অসম্ভব।
০৮১৮
সেই তুলনায় তাইওয়ানের বিমানবাহিনী অনেক বেশি শক্তিশালী। তাদের বহরে আছে ২৬০টির বেশি যুদ্ধবিমান। তার মধ্যে ১১০টি আবার যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত এফ-১৬ ভাইপার লড়াকু জেট। এ ছাড়াও ফরাসি মিরাজ়-২০০০ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে তাইপের বায়ুসেনা। পাশাপাশি, কারাকাসের তুলনায় সাবেক ফরমোজ়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) যথেষ্ট ভাল। সেখানে আমেরিকার তৈরি অন্তত ন’টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাকে মোতায়েন রেখেছে তারা। এ-হেন বহুস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার নজর এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে তুলে আনা মোটেই সহজ নয়।
০৯১৮
দ্বিতীয়ত, সামরিক অভিযানে নামার আগে আন্তর্জাতিক ভাবে ভেনেজ়ুয়েলাকে একরকম ‘একঘরে’ করে ফেলে আমেরিকা। কারাকাসের একমাত্র ‘বন্ধু’ ছিল চিন ও রাশিয়া। তাদের সঙ্গেও কোনও প্রতিরক্ষা চুক্তি ছিল না মাদুরো সরকারের। তা ছাড়া গত প্রায় চার বছর ধরে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে আছে মস্কো। ফলে তাদের পক্ষে দ্বিতীয় কোনও ফ্রন্ট খোলা ছিল অসম্ভব। বেজিঙের মূল লক্ষ্য তাইওয়ান হওয়ায় তারাও লাটিন আমেরিকার লড়াইয়ে সরাসরি জড়াতে চায়নি। এমনকি সংঘাত পরিস্থিতিতে বিপুল পরিমাণে হাতিয়ার বা গোলাবারুদ পাঠিয়ে কারাকাসের পাশে দাঁড়ানোর গরজও দেখায়নি ড্রাগন।
১০১৮
কিন্তু তাইওয়ান ইস্যু একেবারেই তেমন নয়। কারণ, সাবেক ফরমোজ়া দ্বীপটিকে নিয়ে গত বছরের নভেম্বরে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেন জাপানি প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। তিনি বলেন, ‘‘চিন যদি প্রশান্ত মহাসাগরের ওই দ্বীপরাষ্ট্রটিকে দখলের চেষ্টা করে তা হলে চুপ করে বসে থাকবে না টোকিয়ো। প্রয়োজনে তাইপেকে সামরিক সাহায্য করা হবে।’’ এর কয়েক দিনের মাথাতেই ইয়োনাগুনি দ্বীপে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে জাপান। তাইওয়ান উপকূল থেকে এর দূরত্ব মেরেকেটে ১১০ কিলোমিটার।
১১১৮
জাপান ছাড়াও চিনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়া বা আরওকে (রিপাবলিক অফ কোরিয়া) এবং ফিলিপিন্সের মতো দেশগুলির সমর্থন পেতে পারে তাইওয়ান। তা ছাড়া বেজিঙের আক্রমণের হাত থেকে তাইপেকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখেছে আমেরিকা। গত কয়েক বছর ধরেই সংশ্লিষ্ট দ্বীপরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণে অত্যাধুনিক হাতিয়ার, লড়াকু জেট ও ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করছে ওয়াশিংটন। সংঘাত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে জড়ালে সাবেক ফরমোজ়ার পাল্লাই ভারী হতে পারে, বলছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।
১২১৮
দীর্ঘ দিন ধরেই ভেনেজ়ুয়েলার মাদুরো সরকারকে সরাতে চাইছিল আমেরিকা। সেখানে সামরিক অভিযানের সেটাই ছিল মূল কারণ। যুক্তরাষ্ট্র কখনওই কারাকাসকে নিজের দখলে রাখতে চায়নি। অন্য দিকে তাইওয়ানকে চিনের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে করে বেজিং। ফলে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে এর অস্তিত্ব মুছে দিতে লড়াইয়ে নামবে জিনপিঙের পিএলএ। ফলে লালফৌজ দ্বীপরাষ্ট্রের উপর ঝাঁপিয়ে পড়লে পশ্চিম বিশ্ব তথা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বড়সড় নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে ড্রাগন। এর ফলে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে সে দেশের অর্থনীতি।
১৩১৮
ভেনেজ়ুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট মাদুরোর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ ছিল দুর্নীতির। লাটিন আমেরিকার দেশটির বড় অংশই যে তাঁকে পছন্দ করতেন, এমনটা নয়। ফলে হামলার মুখে নেতিবাচক প্রচার চালিয়ে মাদুরো পরিবারকে একরকম কোণঠাসা করে ফেলতে সুবিধা হয়েছিল আমেরিকার। তাইওয়ানের ক্ষেত্রে এই ধরনের কোনও তাস হাতে পাচ্ছে না চিন। উল্টে দ্বীপরাষ্ট্রটির বাসিন্দারা কমিউনিস্ট শাসিত বেজিংকে অপছন্দই করেন। প্রথম থেকেই পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে সমর্থন করে আসছেন তাঁরা। তা ছাড়া, বহুদলীয় গণতন্ত্রের উপর প্রবল আস্থা রয়েছে তাইপের।
১৪১৮
এ বছরের ২৪ জানুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তথ্য পাচারের অভিযোগে চিনের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ আধিকারিক জেনারেল ঝ্যাং ইউক্সিয়ার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেয় জিনপিং প্রশাসন। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেয় বেজিং। প্রেসিডেন্ট শি-র ঘনিষ্ঠ ঝ্যাং তাঁর ছোটবেলার বন্ধু হিসাবে পরিচিত। ড্রাগনভূমিতে অনেকেই তাঁকে জিনপিঙের ‘ডান হাত’ বলে মনে করে থাকেন। এ-হেন ঝ্যাং পরমাণু হাতিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত তথ্য ফাঁস করেছেন বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
১৫১৮
বেজিঙের পিএলএ বা লালফৌজের মূল নিয়ন্ত্রণ রয়েছে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের হাতে। জিনপিঙের আমলে সেখানে দুর্নীতির ঘুণপোকা বাসা বেঁধেছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর তাই অতীতেও একাধিক পিএলএ কমান্ডারকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া, গ্রেফতারি বা গুমখুনের মতো অভিযোগ রয়েছে তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে। এর জেরে পিএলএ-র মধ্যেই যে অসন্তোষ পাকিয়ে উঠেছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
১৬১৮
নিউ ইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাদুরো ‘অপহরণ’ কাণ্ডে একটি রহস্যময় হাতিয়ার ব্যবহার করে মার্কিন ডেল্টা ফৌজ। হাতিয়ারটির বিষয়ে তাদের কাছে খোলসা করেন ভেনেজ়ুয়েলার এক সেনাকর্মী। তাঁর দাবি, ‘‘সামরিক অভিযান চলাকালীন একটা জোরালো আওয়াজ় শোনা গিয়েছিল। সেটা এতটাই জোরালো যে, মনে হচ্ছিল মাথা ফেটে যাবে। তার পরই নাক থেকে রক্ত ঝরতে শুরু করে। কারও কারও রক্তবমি শুরু হয়। ফলে প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তায় থাকা অনেকেই ধীরে ধীরে লুটিয়ে পড়েন।’’
১৭১৮
ভেনেজ়ুয়েলার ওই সেনাকর্মীর দাবি, ওই রহস্যময় অস্ত্রের কারণেই মাত্র ২০ জন মার্কিন ফৌজির সঙ্গেও লড়াইয়ের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন তাঁরা। ফলে সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সস্ত্রীক মাদুরোকে তুলে নিয়ে যেতে তাঁদের তেমন সমস্যা হয়নি। এ-হেন রহস্যময় অস্ত্র ব্যবহারের কথা বকলমে স্বীকার করে নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর কথায়, ‘‘কারাকাসে যে গোপন অস্ত্র প্রয়োগ করা হয়েছে, তার ব্যাপারে কেউ কিছু জানে না।’’
১৮১৮
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের দাবি, তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টকে তুলে আনার জন্য এই ধরনের কোনও গোপন হাতিয়ার নেই চিনা পিএলএ-র হাতে। তা ছাড়া বেজিঙের লালফৌজের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা প্রায় নেই বললেই চলে। ফলে দুঃসাহসিক অভিযানকে নিখুঁত ভাবে সফল করা তাদের পক্ষে কঠিন হতে পারে। ফলে শেষ পর্যন্ত তাইওয়ানের ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট শি কী করেন সেটাই এখন দেখার।