ধোঁয়া ওঠা গরম ভাত, ডালের সঙ্গে পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা দেওয়া ডিমের অমলেট বড়ই তৃপ্তিদায়ক। ফেনা ভাতের সঙ্গে সেদ্ধ ডিমের যুগলবন্দিও দারুণ। তবে এই সবই তো রোজের খাবার। ডিমের কারি, কোর্মা, ভাপা প্রায়ই খাওয়া হয়। কিন্তু কখনও কখনও চেনা জিনিস দিয়েই অন্য রকম কিছু রেঁধে ফেলা যায়। এতে স্বাদবদল হয়, রান্নার একঘেয়েমিও কাটে। আবার, সকলে সেই খাবার খেয়ে প্রশংসা করলে যিনি রাঁধছেন তাঁরও মন ভাল হয়।বাড়িতে হাঁসের ডিম দিয়ে বানিয়ে দেখুন ডিমের বেগমতি।গরম ভাত বা পরোটার সঙ্গে খেতে লাগবে বেশ।
উপকরণ
৪টি হাঁসের ডিম
এক আঁটি ধনেপাতা
এক আঁটি পেঁয়াজপাতা
৮-১০টি কাজুবাদাম
৬-৭টি কাঁচালঙ্কা
৬-৭ কোয়া রসুন
আধ ইঞ্চি কুচনো আদা
সর্ষের তেল
একটি বড় পেঁয়াজ পাতলা করে কুচনো
নুন-চিনি স্বাদমতো
আধ চা-চামচ জিরেগুঁড়ো
আধ চা-চামচ ধনেগুঁড়ো
১ টেবিল চামচ পাতিলেবুর রস
প্রণালী- ডিম সেদ্ধ করে ছুরি দিয়ে তার গা টা চিরে নিন। কড়াইয়ে তেল দিয়ে, নুন ছড়িয়ে ডিম হালকা ভেজে তুলে রাখুন।
একটি পাত্রে জল গরম করে তাতে পেঁয়াজপাতা, ধনেপাতা, কাজুবাদাম ১ মিনিট ভাপিয়ে নিন। গরম জল থেকে তুলে সেগুলি বরফ জলে রাখুন। এতে পাতার সবুজ রং নষ্ট হবে না, কাই হবে ঘন সবুজ। মিক্সারে এগুলি দিয়ে, কাঁচালঙ্কা, পাতিলেবুর রস, নুন, সর্ষের তেল দিয়ে ঘুরিয়ে নিন।
কড়াইয়ে তেল গরম হলে আদা কুচি এবং পেঁয়াজ একসঙ্গে হালকা ভেজে নিন। দিয়ে দিন ধনেপাতা, পেঁয়াজপাতার মিশ্রণটি। স্বাদমতো নুন, চিনি, ধনে-জিরে গুঁড়ো দিয়ে তা কষিয়ে নিন। তেল ছেড়ে এলে সেদ্ধ ডিম দিয়ে আরও পাঁচ-সাত মিনিট আঁচ কমিয়ে রান্না করুন। যোগ করতে পারেন সামান্য গরম জল। একদম শেষ ধাপে চেরা কাঁচালঙ্কা আর ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।
গরম ভাত, পরোটা, রুটি, নান— যে কোনও খাবারের সঙ্গেই সবুজ রঙের হাঁসের ডিমের বেগমতি দারুণ লাগবে।