Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৩ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

মেসি-নেইমারহীন বিশ্বকাপ হওয়ার আশঙ্কায় ফুটবলবিশ্ব

নিজস্ব প্রতিবেদন
১৪ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫৭

নেইমার, মেসি, হামেস রদ্রিগেজদের চার বছর পর দেশের হয়ে রাশিয়ায় খেলতে দেখা যাবে কি?

প্রশ্নটা শুনে প্রলাপ মনে হলেও ইউরোপের ক্লাব এবং ফিফার যুদ্ধ এতটাই মাথাচাড়া দিয়েছে যে সেই আশঙ্কাই উঁকি মারছে ব্রাজিল বিশ্বকাপের একদম অন্তিম লগ্নে এসে। যার ফলে আগামী দিনে ইউরোপের ক্লাবে খেলা তারকাদের বাদ দিয়েই বিশ্বকাপের আসর বসতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহলের কেউ কেউ।

হঠাৎ কেন এই আশঙ্কার উদয়? জানা গিয়েছে, দেশের হয়ে খেলার জন্য ফিফা এবং ইউরোপের ক্লাবগুলোর সংগঠন (ইসিএ)-এর মধ্যে ফুটবলার ছাড়া সংক্রান্ত চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে জুলাইয়ের শেষে। বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা ফিফা কর্তারা ইসিএ-র সঙ্গে সন্ধি করতে চাইলে তাতে রাজি নয় ইউরোপের ক্লাব সংগঠনের নেতৃত্ব।

Advertisement

দেশের হয়ে খেলার জন্য ফুটবলারদের ছাড়তে ফিফার সঙ্গে ইউরোপের ক্লাবের দ্বৈরথ নতুন নয়। ২০০৮-এ তাই ফিফা বাধ্য হয় ইসিএ-র সঙ্গে ‘মউ’ চুক্তি স্বাক্ষর করতে। যে চুক্তি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য ফুটবলারদের ছাড়তে সম্মত হয় ইসিএ। সেই চুক্তিরই মেয়াদ শেষ হচ্ছে অগস্টের প্রথম দিনে। ফিফার সঙ্গে ফের আলোচনায় বসে সেই চুক্তি নবীকরণে নারাজ ইসিএ।

ছ’বছর আগে ফিফা-ইসিএ-র এই মউ স্বাক্ষরে হাজির ছিলেন, নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এমনই এক জনের মন্তব্য, “মউ চুক্তি ছাড়া ইউরোপের বাইরের টিমগুলোকে ফুটবলার ছাড়তে বাধ্য নয় ইসিএ। কারণ ফুটবলাররা ক্লাবের বেতনভুক কর্মী। তাদের ফিফার আওতাভুক্ত ফেডারেশনের বাণিজ্যিক প্রকল্পে জুড়তে দেওয়া যায় না।”

এই ব্যক্তি উয়েফা এবং ইসিএ-র সঙ্গে জড়িত বলে দাবি ইউরোপের মিডিয়ার। আর তারপরেই মেসি-নেইমারহীন বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী পঁচাত্তর শতাংশ ফুটবলারই ইউরোপের ক্লাবে খেলে। ফলে আগামী দিনে প্রাক-বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা, কনকাকাফ গোল্ড কাপ, আফ্রিকান নেশনস কাপ, এশিয়া কাপের মতো টুর্নামেন্টে ফুটবলার পাওয়া নিয়ে এখন থেকেই তাই চিন্তায় এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা এবং মার্কিন মুলুকের দেশগুলো। তবে টমাস মুলার, ওয়েন রুনি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোরা অবশ্য এই সমস্যার বাইরে। কারণ এ ব্যাপারে উয়েফার সঙ্গে বিশেষ চুক্তি রয়েছে ইসিএ-র।

এই পরিস্থিতিতে ফিফা-ইসিএ-র এই লড়াই কতদূর যেতে পারে? ফিফা কর্তারা আশাবাদী আলোচনার মাধ্যমেই সব সমস্যা মিটে যাবে। কিন্তু ইসিএ কর্তারা এখনও পর্যন্ত ইতিবাচক সাড়া না দেওয়ায় তারকাহীন বিশ্বকাপের আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে।

আরও পড়ুন

Advertisement