Advertisement
E-Paper

‘কুলিং অফ’ নিয়ে আশার আলো বোর্ডে

প্রধান বিচারপতির এই পর্যবেক্ষণ চূড়ান্ত রায়ে প্রতিফলিত হলে বঙ্গ ক্রিকেট প্রশাসনেও গুরুত্বপূর্ণ বদল আসতে পারে বলে সিএবির অভিজ্ঞ কর্তাদের ধারণা। ‘কুলিং অফ’ না থাকলে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে যেমন বোর্ডের কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখা যেতে পারে শীঘ্রই।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ০৬ জুলাই ২০১৮ ০৪:১৯
 ফাইল চিত্র

ফাইল চিত্র

ভারতীয় ক্রিকেট প্রশাসনের ভবিষ্যৎ আদালতে ঝুলে রইল আরও সপ্তাহ দুয়েকের জন্য। দু’সপ্তাহ পরে এই মামলার রায় দিতে পারে সুপ্রিম কোর্ট। তবে বৃহস্পতিবার রায় স্থগিত রাখার আগে প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র যে ইঙ্গিত দেন, তাতে বোর্ডের প্রশাসকরা কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন।

বিচারপতি লোঢার সুপারিশে ক্রিকেট কর্তাদের তিন বছর অন্তর ‘কুলিং অফ’-এ যাওয়ার যে প্রস্তাব ছিল, তা নাও থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বিচারপতিরা। এক রাজ্য এক ভোটের সুপারিশেও সায় নেই তাঁদের। তবে সত্তরোর্ধ্ব কর্তাদের উপরে নিষেধাজ্ঞার যে সুপারিশ ছিল, তা বহাল থাকার সম্ভাবনা আছে। তবে প্রথম দুই ইঙ্গিতে স্বস্তির হাওয়া বোর্ডে। ভারপ্রাপ্ত সচিব অমিতাভ চৌধুরি আদালতের পর্যবেক্ষণ নিয়ে যেমন বলেন, ‘‘মাননীয় বিচারপতিরা আমাদের আবেদন শুনে যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাতে আমরা আশার আলো দেখতে পাচ্ছি।’’

দু’সপ্তাহের মধ্যেই বোর্ডের নতুন গঠনতন্ত্র চূড়ান্ত করে সেপ্টেম্বরে নির্বাচন হতে পারে বলে মনে করছে বোর্ডের একাংশ। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে বোর্ড মামলার শুনানিতে তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ক্রিকেট সংস্থার আইনজীবীদের সওয়ালের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র কুলিং অফ পিরিয়ড নিয়ে তাঁর নেতিবাচক ভাবনার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘‘একই পদে যখন কেউ টানা দ্বিতীয় বার থাকতে পারবে না, তখন ‘কুলিং অফ’-এর প্রয়োজন কী?’’

প্রধান বিচারপতির এই পর্যবেক্ষণ চূড়ান্ত রায়ে প্রতিফলিত হলে বঙ্গ ক্রিকেট প্রশাসনেও গুরুত্বপূর্ণ বদল আসতে পারে বলে সিএবির অভিজ্ঞ কর্তাদের ধারণা। ‘কুলিং অফ’ না থাকলে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে যেমন বোর্ডের কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখা যেতে পারে শীঘ্রই। আর তাঁর ছেড়ে যাওয়া সিএবি-র শীর্ষপদে জগমোহন ডালমিয়ার পুত্র অভিষেক ডালমিয়ার আসার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।

এক রাজ্য, এক ভোট নিয়েও আদালতে বিতর্ক হয় এ দিন। যার পরে বিচারপতি মিশ্র মন্তব্য করেন, ‘‘প্রত্যেক রাজ্যেরই ভোট আছে। কিন্তু বহু পুরনো কিছু সংস্থা ও ক্লাব রয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেটে যাদের যথেষ্ট অবদান রয়েছে। এদের অবদান অগ্রাহ্য করা যায় না।’’ মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানা-সহ একাধিক সংস্থার পক্ষ থেকে সত্তরোর্ধ্বদের ক্রিকেট প্রশাসনে না থাকার সুপারিশ নিয়ে জোরালো প্রশ্ন তোলা হয়। তবে এই প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করেননি বিচারপতিরা। তাঁরা জানিয়েছেন, মামলার চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাগুলিতে নির্বাচন করা যাবে না।

দু’বছর আগে ১৮ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল, লোঢা সুপারিশ মানতে হবে দেশের ক্রিকেট বোর্ড ও তাদের অনুমোদিত সংস্থাগুলিকে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, দু’বছরের মধ্যে ছবিটা বদলে গিয়েছে। অভিজ্ঞ ক্রিকেট প্রশাসকেরা যে শুরু থেকেই বলে আসছিলেন, বিচারপতি লোঢার সব সুপারিশ বাস্তবসম্মত নয়, এত দিনে আদালত তা বুঝেছে বলেই মনে করছেন বোর্ডের অনেকে।

BCCI Lodha Commission CoA Cricket Supreme Court Sourav Ganguly
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy