মকর সংক্রান্তির সকালে ঠান্ডায় কাঁপতে কাঁপতে স্নান এবং রাতে জমিয়ে পিঠে-পায়েস খাওয়ার চল নতুন নয়। সন্ধ্যায় পৌষ লক্ষ্মীর পুজো সেরে, নতুন ধানের শিসের বাউনি বেঁধে তার পর মুখে পিঠে দেওয়ার রীতি। সময়ের অভাবে ইদানীং অনেকেই মিষ্টির দোকান থেকে এই সব খাবার কিনে এনে নিয়মরক্ষা করেন। তবে ঐতিহ্য মেনে এখনও অনেক বাড়িতেই সংক্রান্তির দিন মিষ্টি, নোনতা পিঠে, পাটিসাপটা, পায়েস তৈরি হয়। তবে এই বছর নতুন কী করা যায় ভাবছেন? সহজেই বানিয়ে ফেলুন ঠাকুরবাড়ি স্পেশ্যাল রেসিপি কমল পুলি। রইল রেসিপি।
উপকরণ:
২৫০ গ্রাম ক্ষীর
১ কাপ চিনির গুঁড়ো
১ চা চামচ এলাচ গুঁড়ো
দেড় কাপ দুধ
১ কাপ নারকেল কোরা
১ কাপ ময়দা
পরিমাণ মতো ঘি
১ কাপ তরল নলেন গুড়
পরিমাণ মতো তেল
প্রণালী:
একটি বড় পাত্রে চিনি, খোয়া ক্ষীর আর এলাচ গুঁড়ো নিয়ে খুব ভাল করে মেখে নিন। এ বার একটি কড়াইতে দুধ গরম করে তার সঙ্গে নারকেল কোরা মিশিয়ে কিছু ক্ষণ ফুটিয়ে নিন। এ বার সেই মিশ্রণে মিশিয়ে দিন ময়দা। খুব ভাল করে খুন্তির সাহায্যে মিশিয়ে মণ্ড তৈরি করে নিন। এ বার মণ্ডটি খানিকটা ঠান্ডা হলে হাত দিয়ে ময়দা মাখার মতো ভাল করে মেখে নিন। মণ্ডটির গায়ে ঘি মাখিয়ে আধ ঘণ্টা রেখে দিন। তার পর ছোট ছোট লেচি কেটে তা বাটির আকারে গড়ে সেই বাটির ভিতর ভরে দিন ক্ষীরের পুর। এ বার ছোট ছোট বলের মতো বানিয়ে নিন। বানিয়ে রাখা পুলিগুলি ফ্রিজে ঘণ্টা খানেক রেখে দিন। কড়াইতে ঘি ও তেলের মিশ্রণ গরম করে পুলিগুলি লালচে করে ভেজে নিন। এ বার একটি কড়াইতে জলের সঙ্গে নলেন গুড় ফুটিয়ে নিন। এ বার বানিয়ে রাখা পুলিগুলি দিয়ে মিনিট দুয়েক ফুটিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। তৈরি হয়ে যাবে কমল পুলি।