টেস্ট বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকেও সমীহ নয়। ইংল্যান্ড মজে রয়েছে ‘বাজ়বল’ ক্রিকেটে। অ্যাশেজ সিরিজ়ের প্রথম বল থেকেই চালিয়ে খেলতে শুরু করলেন ইংরেজ ব্যাটাররা। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে ম্যাচের প্রথম বলেই বাউন্ডারির বাইরে পাঠালেন বেন ডাকেট। বার্মিংহামের ২২ গজে প্রথম দিনের চা বিরতি পর্যন্ত বেন স্টোকসরা তুললেন ২৪০ রান। অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা পেলেন ৫টি উইকেট। অজি বোলারদের কৃতিত্বের থেকেও ইংরেজ ব্যাটারদের অতিরিক্ত আগ্রাসী মানসিকতার ফসল অন্তত ৩টি উইকেট।
ডাকেট চার মেরে শুরু করলেও দলের ইনিংসকে নির্ভরতা দিতে পারলেন না। ১২ রান করে আউট হলেন জশ হ্যাজলউডের বলে। অন্য ইংরেজ ওপেনার জ্যাক ক্রলি ব্যাট করলেন আগ্রাসী মেজাজে। তাঁর ৬১ রান এল ৭৩ বলে। মারলেন সাতটি চার। তাঁকে আউট করলেন স্কট বোল্যান্ড। বড় রান পেলেন না তিন নম্বরে নামা অলি পোপও। নাথান লায়নের বলে আউট হওয়ার আগে তিনি করলেন ৪৪ বলে ৩১ রান। ২টি চার এল তাঁর ব্যাট থেকে। চার নম্বরে নেমে ইংল্যান্ডের ইনিংসকে টানছেন প্রাক্তন অধিনায়ক জো রুট। চা পানের বিরতি পর্যন্ত ২২ গজের এক প্রান্ত আগলে রেখেছেন তিনি। সাতটি চারের সাহায্যে করেছেন ৬৬ রান। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার জনি বেয়ারস্টো। ৩৩ রানে অপরাজিত তিনি। ইংল্যান্ডের পাঁচ নম্বর ব্যাটার হ্যারি ব্রুক করলেন ৩৭ বলে ৩২ রান। তাঁকে সাজঘরে ফেরালেন লায়ন। যদিও রান পেলেন না অধিনায়ক স্টোকস (১)। হ্যাজলউডের শিকার তিনি।
প্রথম ৪ ঘণ্টায় ওভার প্রতি ৪.৬১ রান তুলেছে ইংল্যান্ড। প্রথম থেকে একই গতিতে রান তুলে প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলীয়দের ‘বাজ়বল’ ক্রিকেটের স্বাদ দিচ্ছেন ইংরেজরা। টস জিতে প্রথম ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন স্টোকস। সেই সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না, তা প্রমাণ করে দিয়েছেন ইংরেজ ব্যাটাররা। বিস্ময়ের হল বার্মিংহামের উইকেট থেকে জোরে বোলারদের কোনও সাহায্য না পাওয়া। গত কয়েক বছরের মধ্যে এজবাস্টনে এমন ব্যাটার সহায়ক উইকেট দেখা যায়নি। তবু অতিরিক্ত আগ্রাসী হওয়ার মাশুল দিলেন ইংরেজ ব্যাটাররা। অবিবেচকের মতো উইকেট ছুড়ে দিলেন একাধিক জন।
আরও পড়ুন:
চা পানের বিরতি পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সফলতম বোলার হ্যাজলউড ৪৪ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন। ৭১ রানে ২ উইকেট লায়নের। ৬৭ রান খরচ করে ১ উইকেট বোল্যান্ডের।