পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তের মাথামুন্ডু বুঝতে পারছেন না শাহিদ আফ্রিদি। তাঁর মতে, নিকৃষ্ট মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন মহসিন নকভিরা। বিশ্বকাপে খারাপ খেলায় পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের ৫০ লক্ষ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাক বোর্ডের এই সিদ্ধান্তেরই সমালোচনা করেছেন আফ্রিদি। তাঁর মতে, অন্য শাস্তি দেওয়া উচিত ছিল।
পাকিস্তানের এক সংবাদমাধ্যমে এই বিষয়ে মুখ খোলেন আফ্রিদি। তিনি বলেন, “এই সিদ্ধান্তের মাথামুন্ডু বুঝতে পারলাম না। নিকৃষ্ট মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে বোর্ড। আমার মতে ৫০ লক্ষ টাকা জরিমানা কোনও শাস্তিই নয়।”
তার পরেই আফ্রিদি কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বোর্ডকে। তাঁর মতে, এই সব সিদ্ধান্ত নিলে পাকিস্তানের ক্রিকেটের উন্নতি হত। তিনি বলেন, “যারা খেলতে পারেনি তাদের ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতে পাঠানো হোক। এমন কিছু ক্রিকেটার আছে যারা আগামী দু’বছর পাকিস্তানের জাতীয় দলে খেলার যোগ্য নয়। তাদের ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার নির্দেশ দেওয়া হোক। আমার মতে, এটাই আসল শাস্তি।”
সেখানেই থামেননি আফ্রিদি। পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক বলেন, “যাদের বিশ্রামের দরকার তাদের দলের বাইরে বার করে দেওয়া হোক। যারা ওই দলে ঢোকার যোগ্য তাদের আনা হোক। আমার মনে হয়, ক্রিকেটের কথা ভাবতে হবে। দলের কথা ভাবতে হবে। ৫০ লক্ষ টাকা জরিমানা করে কী হবে?”
আরও পড়ুন:
সোমবার পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ‘এক্সপ্রেস ট্রিবিউন’ জানিয়েছে, পাকিস্তানের বিশ্বকাপের দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারকে ৫০ লক্ষ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের কাছে হারের পরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান বোর্ড। কিন্তু অপেক্ষা করেছিল তারা। যদি সলমনেরা সেমিফাইনালে উঠতে পারতেন, তা হলে হয়তো শাস্তি দেওয়া হত না। কিন্তু সেটা না হওয়ায় শাস্তি দিয়েছে মহসিন নকভির নেতৃত্বাধীন বোর্ড।
সাধারণত, কোনও দল প্রতিযোগিতায় সফল হলে সে দেশের ক্রিকেট বোর্ড আর্থিক পুরস্কার দেয়। তাই ব্যর্থ হওয়ায় জরিমানা করা হয়েছে পাক ক্রিকেটারদের। বিশ্বকাপের এই পারফরম্যান্সের মূল্যায়ন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে রিপোর্টে। সলমনের অধিনায়কত্বে খুশি নয় বোর্ড। বাবর আজ়ম, শাদাব খান ও শাহিন শাহ আফ্রিদির পারফরম্যান্সও প্রশ্নের মুখে। পাকাপাকি ভাবে তিন সিনিয়র ক্রিকেটারকে টি-টোয়েন্টি দল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।