মঙ্গলবার ছিলেন আয়ুষি সোনি। বুধবার হরলীন দেওল। মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগে (ডব্লিউপিএল) পর পর দু’দিন দেখা গেল ‘রিটায়ার্ড আউট’ হওয়ার ঘটনা। তবে বুধবার নিজেদের সিদ্ধান্তে হাত কামড়াতেই পারে ইউপি ওয়ারিয়র্জ়। দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহককে তুলে নেওয়ার খেসারত তারা দিল হারের হ্যাটট্রিক করে। জয়ে ফিরল দিল্লি ক্যাপিটালস।
টি-টোয়েন্টিতে ধীরগতিতে খেললে বা আগ্রাসী শট খেলতে না পারলে ক্রিকেটারকে ‘রিটায়ার্ড আউট’ করার ঘটনা অতীতেও ঘটেছে। গত আইপিএলে তিলক বর্মাকে তুলে নেওয়ায় সমালোচিত হয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। এ দিন হরলীনকে যখন ‘রিটায়ার্ড আউট’ করা হল, তখন তিনি ৩৫ বলে ৪৭ রানে ব্যাট করছিলেন। অর্ধশতরান সামনেই ছিল। তার উপর খেলছিলেনও ১৩০.৫৬ স্ট্রাইক রেটে।
হঠাৎ করে তাঁকে দল ‘রিটায়ার্ড আউট’ করানোয় হতবাক হয়ে যান হরলীন। শেষ মেশ ডাগআউটে ফিরে আসেন। তবে ইউপি-র সিদ্ধান্ত কাজে লাগেনি। হরলীনের বদলে যিনি নামেন, সেই ক্লো ট্রায়ন তিন বলে এক রান করে আউট হয়ে যান। পরের দিকে আর কেউ দাঁড়াতে পারেননি।
এ দিন টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ইউপি। তৃতীয় বলেই তারা হারায় কিরণ নবগীরেকে (০)। এর পর মেগ ল্যানিং এবং ফিবি লিচফিল্ড মিলে দ্বিতীয় উইকেটে ৪৭ রান যোগ করেন। লিচফিল্ড ২০ বলে ২৭ করে ফেরার পর ল্যানিংয়ের সঙ্গে যোগ দেন হরলীন। তৃতীয় উইকেটে তাঁরা যোগ করেন ৫৬ বলে ৮৫ রান। ল্যানিং আউট হওয়ার পর কয়েকটি বলে খেলতে পারেননি হরলীন। তখনই তাঁকে ‘রিটায়ার্ড আউট’ করানো হয়। এর পর কোনও ব্যাটারই দাঁড়াতে পারেননি। ২০ ওভারে ১৫৪/৮ তোলে ইউপি।
আরও পড়ুন:
দিল্লির কাছে এই রান খুব একটা কঠিন ছিল না। সেই কাজ আরও সহজ করে দেন লিজ়েল লি। শুরু থেকেই চালিয়ে খেলতে থাকেন তিনি। শেফালি বর্মার সঙ্গে প্রথম উইকেটের জুটিতেই উঠে যায় ৯৪ রান। ওখানেই ম্যাচের ভবিষ্যৎ ঠিক হয়ে যায়। শেফালি ৩২ বলে ৩৬ করেন। লি ৮টি চার এবং ৩টি ছয়ের সাহায্যে ৪৪ বলে ৬৭ করেন। জেমাইমা রদ্রিগেজ় (২১) খুব বেশি রান পাননি। তবে দিল্লিকে জিতিয়ে দেন লরা উলভার্ট (অপরাজিত ২৫) এবং মারিজ়েন কাপ (অপরাজিত ৫)।