সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান সুপার লিগ। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সঙ্কট হয়েছে। ফলে ছয় শহরের বদলে দুই শহরে লিগ আয়োজন করার কথা জানিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। দর্শকশূন্য মাঠে হবে খেলা। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের লিগকে খোঁচা দিয়েছে আইসল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।
এক্স হ্যান্ডলে আইসল্যান্ড বোর্ড লিখেছে, “পিএসএল এগিয়ে আসছে। লক্ষ লক্ষ ক্রিকেট ভক্তেরা মুখিয়ে রয়েছেন। আমরা বরাবর ভাবতাম, পিএসএল কথার অর্থ কী। এ বার বুঝেছি। পিএসএল মানে পেট্রল শর্টেজ লিগ।”
আইসল্যান্ড বোর্ডের এই পোস্ট ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। বেশির ভাগই এই পোস্টকে মজার ছলে দেখছেন। তাঁদের মতে, নকভি নিজেই বলেছেন যে, বাড়তি তেলের খরচ বাঁচাতে ছয় শহরের বদলে দুই শহরে প্রতিযোগিতা করা হয়েছে। তা হলে ভুল তো কিছু বলেনি আইসল্যান্ড বোর্ড। যদিও পাকিস্তানের ক্রিকেটপ্রেমীদের অনেকে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন।
রবিবারই নকভি জানিয়েছেন, ২৬ মার্চ থেকে ৩ মে পর্যন্ত চলা পাকিস্তান সুপার লিগ এ বার দুই শহরে হবে। লাহৌর ও করাচিতে হবে পাকিস্তান সুপার লিগের সব ম্যাচ। লাহৌরে যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল, তা-ও বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, তাঁদের আশা, ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার শেষ দিকে মাঠে দর্শকদের ঢোকার অনুমতি দেওয়া হতে পারে।
আরও পড়ুন:
নকভি জানিয়েছেন, সুরক্ষার কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা সংস্থার সঙ্গে কথা বলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সূচি মেনেই পাকিস্তান সুপার লিগ হবে। কিন্তু ৩০ হাজার দর্শকের জীবন বিপন্ন করতে পারি না। তাই যত দিন এই সমস্যা চলছে, তত দিন দর্শকশূন্য মাঠে খেলা হবে। এই সিদ্ধান্ত কঠিন ছিল। বাধ্য হয়ে আমাদের নিতে হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও হবে না।”
দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে খেলা হওয়ায় পাকিস্তান সুপার লিগের দলগুলির যে ক্ষতি হবে, তা পূরণ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নকভি। যাঁরা ইতিমধ্যেই টিকিট কেটেছেন, তাঁদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। দর্শকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন তিনি। নকভি জানিয়েছেন, যেহেতু দর্শকশূন্য মাঠে খেলা হবে, তাই ছয় শহরে প্রতিযোগিতার প্রয়োজন নেই। তাতে বাড়তি তেলের খরচও বাঁচবে। সেই কারণেই দুই শহরে প্রতিযোগিতা রাখা হয়েছে।