Advertisement
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
Pakistan Vs England

দ্বিতীয় দিনেই নির্বিষ পিচ, ইংরেজ বোলারদের সামলে অনায়াসে খেলছে পাকিস্তান

পাকিস্তানের দুই ওপেনার ইমাম উল হক এবং আবদুল্লা শফিক শতরানের মুখে। ১৪৮ বলে বলে ৯০ রানে অপরাজিত ইমাম। ১৫৮ বলে ৮৯ রান করেছেন শফিক। পিচে কোনও সাহায্য পাচ্ছেন না বোলাররা।

স্টোকসের বিরুদ্ধে অনায়াসে খেললেন দুই পাক ব্যাটার।

স্টোকসের বিরুদ্ধে অনায়াসে খেললেন দুই পাক ব্যাটার। ছবি: পিটিআই

নিজস্ব প্রতিবেদন
শেষ আপডেট: ০২ ডিসেম্বর ২০২২ ২০:০৮
Share: Save:

রাওয়ালপিন্ডিতে টেস্ট খেলতে নেমে আবার সমালোচনার মুখে পড়ল পাকিস্তান। টেস্টের সবে দ্বিতীয় দিন শেষ হয়েছে। এর মধ্যেই পিচ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। পিচ এতটাই সমতল, যে একে হাইওয়ের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। দ্বিতীয় দিন ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস ৬৫৭ রানে শেষ হয়ে যায়। জবাবে পাকিস্তান দিনের শেষে বিনা উইকেটে ১৮১।

Advertisement

পাকিস্তানের দুই ওপেনার ইমাম উল হক এবং আবদুল্লা শফিক শতরানের মুখে। ১৪৮ বলে ৯০ রানে অপরাজিত ইমাম। ১৫৮ বলে ৮৯ রান করেছেন শফিক। তবে ইমাম দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই আউট হয়ে যেতে পারতেন। জ্যাক লিচের বলে তাঁর ক্যাচ ধরতে পারেননি অলি পোপ।

রাওয়ালপিন্ডির পিচে কোনও সাহায্যই পাচ্ছেন না বোলাররা। পেসার বা স্পিনার, কেউই ফায়দা তুলতে পারছেন না। প্রথম দিনের পর দ্বিতীয় দিনও ইংল্যান্ডের ইনিংস দেখে সেটা বোঝা গিয়েছে। একই রকম গতিতে এ দিন ১৫১ রান তুলে দেয় ইংল্যান্ড। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্টে এটাই তাদের সর্বোচ্চ রান। এর আগে ২০১৬-তে ম্যাঞ্চেস্টারে তারা ৫৮৯-৮ তুলেছিল। অভিষেক টেস্টে সবচেয়ে বেশি রান খাওয়ার নজির গড়লেন পাকিস্তানের জাহিদ মাহমুদ। ৩৩ ওভার বল করে ২৩৫ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন।

ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস এ দিন ১৮ বলে ৪১ রানে ফিরে গেলেও হ্যারি ব্রুক প্রায় শেষ পর্যন্ত খেলে ১৫৩ রানে আউট হন। ইংল্যান্ডের পরের দিকের ক্রিকেটাররা সে ভাবে খেলতে পারেননি। পাল্টা পাকিস্তানকেও একটি ঘটনা বাদে চাপে ফেলতে পারেননি ইংরেজ বোলাররা। একমাত্র জেমস অ্যান্ডারসনের বিরুদ্ধে সতর্ক ছিলেন ইমাম এবং শফিক। বাকি বোলারদের খেলে দেন অনায়াসেই।

Advertisement
(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.