এত তাড়াতাড়ি তাঁর অভিনীত চরিত্রে দাঁড়ি পড়ার কথা ছিল না, কিন্তু ঘটেছে সেটাই। ধারাবাহিক ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এর অন্যতম খলনায়িকা ‘মীরা’র যাত্রা আচমকা শেষ। এ নিয়ে চরিত্রাভিনেত্রী তন্বী লাহা মুখ খুলেছেন সংবাদমাধ্যমের কাছে। গত এক মাস ধরে একই ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে না আরও এক দাপুটে খলনায়ককে। তিনি ‘মেঘরাজ’ ওরফে সুতীর্থ সাহা। তিনিও কি বাদ পড়লেন?
পর্দায় নায়ক-নায়িকাকে প্রায় প্রতি দিন নাকের জলে চোখের জলে করিয়ে ছেড়েছেন সুতীর্থ। সেই তিনিও হঠাৎই গায়েব! গল্প এগোচ্ছে নায়ক-নায়িকা অর্থাৎ আর্য-অপর্ণা, কিঙ্কর এবং মূল খলনায়িকা রোহিনীকে নিয়ে। তা হলে সুতীর্থও কি বাদ পড়লেন? আনন্দবাজার ডট কম প্রশ্ন করেছিল তাঁকে। অভিনেতা শুরুতেই বলেছেন, “গত এক মাস ধরে ট্র্যাকে নেই। চ্যানেল বা প্রযোজনা সংস্থার তরফ থেকে আমাকে লিখিত ভাবে কিছু জানানোও হয়নি। তাই বলতে পারব না।” পাশাপাশি তাঁর যুক্তি, গল্প অনুযায়ী মাঝেমধ্যেই চরিত্রের প্রাধান্য কমে-বাড়ে। তখন এক বা একাধিক চেনা চরিত্রকে ধারাবাহিকে কম দেখা যায়। অনেক সময় দেখাও যায় না। চিত্রনাট্যে বদল ঘটলে তখন আবার তাদের ফিরিয়ে আনা হয়। ‘মেঘরাজ’-এর ক্ষেত্রেও সেটা হতে পারে।
সুতীর্থ সাহা। ছবি: ফেসবুক।
এ দিকে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে গুঞ্জন, ধারাবাহিক ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ নাকি শেষ হতে চলেছে। গত বছরের ১০ মার্চ থেকে দেখানো শুরু হয়েছিল এই ধারাবাহিক। মাত্র এক বছরের মাথায় কি বন্ধ হয়ে যাবে? তাই কি একে একে জনপ্রিয় চরিত্রেরা সরে যাচ্ছে? এর উত্তরও জানা নেই সুতীর্থের। তবে তাঁর মতে, আগেও কিন্তু অনেক কম সময়ে একাধিক ধারাবাহিক বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই ধারা নতুন নয়। অভিনেতা বলেছেন, “এখন ‘গেল গেল’ রব উঠছে বেশি। আলোচনাও হচ্ছে বেশি।”
আরও পড়ুন:
হাসতে হাসতে সুতীর্থ আরও যোগ করেছেন, “সবটাই নির্ভর করে দৃষ্টিভঙ্গির উপরে। আমি যে ভাবে দেখব, সে ভাবেই সব কিছু দেখাবে। ইদানীং ধারাবাহিক দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে, টলিউডে ঝগড়া হচ্ছে বলে সবাই সমালোচনায় মুখর। আমার মতে, কিছু ঝগড়া ইন্ডাস্ট্রির জন্য ভাল।” নিজের কথা পক্ষে তাঁর যুক্তি, “ঝগড়া আপনজনেদের মধ্যেই হয়। আর মান-অভিমান সেই সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে। দেখবেন, এত ভুল বোঝাবুঝি, মান-অভিমানের পরে ইন্ডাস্ট্রি আরও সংঘবদ্ধ হবে।”