দাদাদের মতো ভাইয়েরাও দাঁড়াতে পারলেন না ভারতের সামনে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে ৭ উইকেটে হারল নিউ জ়িল্যান্ড। শনিবার বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ১৩৫ রান করে কিউয়িরা। জবাবে ১৩.৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে প্রয়োজনীয় ১৩০ রান তুলে নেয় আয়ুষ মাত্রের দল। এ দিনের জয়ের ফলে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ জিতে সুপার সিক্সে পৌঁছোল পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়নেরা। ১ ফেব্রুয়ারি সুপার সিক্সে ভারতের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান।
শনিবার বৃষ্টির জন্য বার বার কমেছে ভারত-নিউ জ়িল্যান্ড ম্যাচের ওভার সংখ্যা। ম্যাচের ওভার সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৩৭। পরে ডার্কওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে ভারতের জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৩০। বুলাওয়েওর মেঘলা আবহাওয়ায় টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন আয়ুষ। ভারতীয় বোলারদের সামনে প্রথম থেকেই অস্বস্তিতে ছিলেন নিউ জ়িল্যান্ডের ব্যাটারেরা। ২২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় কিউয়িরা। চাপের মুখে কিছুটা লড়াই করে দলকে ভদ্রস্থ জায়গায় পৌঁছে দেন ক্যালাম স্যামসন। তিনি ৪৮ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত থাকেন। সেলউইন সঞ্জয় করেন ৩০ বলে ২৮। এ ছাড়া বলার মতো রান জ্যাকব কোটারের ৪৭ বলে ২৩।
ভারতের সফলতম বোলার আরএস অম্বরীশ ২৯ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন। ২৩ রানে ৩ উইকেট হেনিল পটেলের। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন খিলান পটেল, মহম্মদ এনান এবং কণিষ্ক চৌহান।
আরও পড়ুন:
জয়ের জন্য ১৩০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে উইকেট হারায় ভারতও। ওপেনার অ্যারন জর্জ (৭) রান পেলেন না। তবে ২২ গজের অন্য প্রান্তে বৈভব সূর্যবংশী এবং তিন নম্বরে নামা আয়ুষ চেনা ফর্মে থাকায় চাপ তৈরি হয়নি। ২৩ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলে বৈভব। ১৪ বছরের ব্যাটারের ব্যাট থেকে এসেছে ২টি চার এবং ৩টি ছয়। আয়ুষ করেন ২৭ বলে ৫৩। ২টি চার এবং ৬টি ছক্কা মেরেছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ২২ গজে ছিলেন বিহান মালহোত্রা (১৩ বলে ১৭) এবং বেদান্ত ত্রিবেদী (১২ বলে ১৩)। নিউ জ়িল্যান্ডের সফলতম বোলার সঞ্জয় ২২ রানে ১ উইকেট নিয়েছেন।