বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২৩৮ রান করল ভারত। বাঙালি অভিজ্ঞান কুন্ডুর ৮০ রানে ভর করে কোনও রকমে সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছেছে তারা। একটা সময় মনে হচ্ছিল, ২০০ রানও হবে না ভারতের। ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী ভাল খেলছিল। কিন্তু ৭২ রানের মাথায় আবার উইকেট ছুড়ে দিয়ে এল ভারতের ১৪ বছরের ব্যাটার। যদিও এই ইনিংসের পর বিরাট কোহলিকে টপকে গেল বৈভব।
ভারতের হয়ে যুব এক দিনের কেরিয়ারে কোহলির থেকে বেশি রান করেছে বৈভব। কোহলি করেছিলেন ৯৭৮ রান। বাংলাদেশ ম্যাচের পর বৈভবের রান ১০৪৭। ২০ ম্যাচে ৫২ গড়় ও ১৫৭.৬৮ স্ট্রাইক রেটে এই রান করেছে সে। তিনটি শতরান ও পাঁচটি অর্ধশতরান করেছে ভারতের বাঁহাতি ওপেনার।
তবে ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন বিজয় জোল। যুব এক দিনের কেরিয়ারে তিনি করেছেন ১৪০৪ রান। দ্বিতীয় স্থানে থাকা যশস্বী জয়সওয়ালের রান ১৩৮৬। তন্ময় শ্রীবাস্তব করেছেন ১৩১৬ রান। শুভমন গিল ও উন্মুক্ত চন্দ দু’জনেরই রান ১১৪৯। সরফরাজ় খান করেছেন ১০৮০ রান। অর্থাৎ, আপাতত বৈভবের সামনে রয়েছেন সরফরাজ়। চলতি বিশ্বকাপেই আরও উপরে ওঠার সুযোগ রয়েছে বিহারের ১৪ বছরের ব্যাটারের।
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভাল খেলছিল বৈভব। অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রে, বেদান্ত ত্রিবেদী, বিহান মলহোত্র রান না পেলেও বৈভব সাবলীল ব্যাট করছিল। বড় শটের পাশাপাশি দৌড়ে রানের দিকেও নজর দিয়েছিল। কিন্তু ৬৭ বলে ৭২ রান করে ইকবাল হোসেন ইমনের বল মিড উইকেটের উপর দিয়ে ওড়াতে গিয়ে আউট হয় বৈভব। ইনিংসে ছ’টি চার ও তিনটি ছক্কা মারে সে।
মাঝের ওভারে পর পর উইকেট হারিয়ে ভারত চাপে পড়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে দলকে টানেন বাঙালি অভিজ্ঞান। আগের ম্যাচেও অর্ধশতরান করে ভারতকে জিতিয়েছিলেন তিনি। এই ম্যাচেও নিজের দক্ষতা দেখালেন অভিজ্ঞান। শুরুতে তাঁর রান তোলার গতি কম থাকলেও পরের দিকে হাত খোলেন এই বাঁহাতি। তিনি জানতেন, শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে হবে। সেই চেষ্টাই করেন তিনি। তবে তিনি অপরাজিত থাকতে পারেননি। ১১২ বলে ৮০ রান করে আউট হন তিনি। তাঁকে সঙ্গ দেন কণিষ্ক চৌহান। তাঁদের ব্যাটে ২০০ পার হয় ভারতের। শেষ দিকে দীপেশ দেবেন্দ্রন দলকে ২৩৮ রানে নিয়ে যান। তবে পুরো ৫০ ওভার খেলতে পারেনি ভারত। ৪৮.৪ ওভারে অল আউট হয়ে যায় তারা।