আয়ারল্যান্ডের কাছে ০-২ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় হেরেছে ভারত। জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসাবে শ্রেয়স আয়ার নিশ্চিত ভাবেই শুরুটা মনে রাখতে চাইবেন না। লজ্জার হারের পর এ বার সামনে ইংল্যান্ড। বুধবার দু’দেশের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। আগের দিন সাংবাদিক বৈঠকে প্রত্যাশা মতোই উঠল আয়ারল্যান্ড সিরিজ়ের ব্যর্থতা। শ্রেয়স দুষলেন মাঠকে। দায় এড়ালেন বৈভব সূর্যবংশীকে না খেলানো নিয়েও।
আয়ারল্যান্ডের মতো দলের বিরুদ্ধে কেন বৈভবকে খেলানো হল না? ইংল্যান্ডে কি খেলানো হবে? মঙ্গলবার এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে শ্রেয়সকে। তিনি বলেছেন, ‘‘দেখুন, ভবিষ্যতে কী হবে, কেউ বলতে পারে না। আমরা কী করব, এটা বলা সম্ভব নয়। কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমার হাত বাঁধা। কারণ বিষয়টা গোপনীয়। এগুলো আমরা শুধু দলের মধ্যেই আলোচনা করি। আমরা কোন ১১ জনকে নিয়ে খেলব, সেটা সকলকে জানানো যায় না। প্রতিপক্ষকে আগাম আভাস দেওয়া সম্ভব নয়। এটুকু বলব, নিঃসন্দেহে বৈভব অত্যন্ত প্রতিভাবান ক্রিকেটার। যখনই সুযোগ পাবে, দারুণ পারফর্ম করবে।’’
এ ব্যাপারে শ্রেয়স আরও বলেছেন, ‘‘এই দলের সকলেই খুব ভাল ক্রিকেটার। সকলে ভাল খেলছেও। কেউ এক জন তো দলকে সাফল্য এনে দেয়নি। আমাদের সকলকে নিরাপত্তা দিতে হবে। সকলকে সুযোগ দিতে হবে। যাতে গোটা সিরিজ়ে সকলের আত্মবিশ্বাস অটুট থাকে। তা ছাড়া যারা বিশ্বকাপ জিতিয়েছে, তারা জানে কী করে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে হয়। ক্রিকেটের এই ফরম্যাটে ধারাবাহিক ভাবে পারফর্ম করেছে তারা। তাদের পাশে থাকাটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’’
পর পর দু’বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ভারত। আয়ারল্যান্ডের মতো দলের কাছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এই হারে বিস্মিত ক্রিকেটপ্রেমীরা। শুরু হয়েছে সমালোচনাও। আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যর্থতা নিয়ে শ্রেয়সের বক্তব্য, ‘‘আমরা সম্পূর্ণ অপরিচিত পরিবেশে খেলেছি। বেলফাস্টের মাঠটা ঠিকঠাক নয়। সম্পূর্ণ ক্রিকেট স্টেডিয়ামও নয়। মাঠের আউটফিল্ড ঢালু, এবড়োখেবড়ো ছিল। মাঠটা একটু চৌকো ধরনের। ফিল্ডিং সাজানো কঠিন। বিশেষ করে খুচরো রান আটকানোর জন্য ফিল্ডিং সাজানো সহজ নয়। অদ্ভূত কিছু কোণ রয়েছে। আমরা এই রকম মাঠে খেলতে অভ্যস্ত নই। আইপিএলের মাঠগুলো সব দিক থেকে একদম সমান থাকে। তাই আমাদের পক্ষে এ রকম মাঠে খেলাটা বেশ চ্যালেঞ্জিং।’’
আরও পড়ুন:
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দলের ভাল পারফরম্যান্স নিয়ে আশাবাদী শ্রেয়স। ভারতের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক বলেছেন, ‘‘ইংল্যান্ডের মাঠগুলোর মাপ প্রায় সমান। স্টেডিয়ামে খেলার আমেজটা পাওয়া যায়। ভাল দর্শক উপস্থিতি থাকে। উন্মাদনা থাকে। এই রকম পরিবেশে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে আমাদের। এই সিরিজ়ের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছি আমরা। চেনা আবহে ঢুকে পড়েছি।’’ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতীয় দলকে চেনা মেজাজে দেখা যাবে বলে মনে করেন শ্রেয়স।