আইপিএল শুরুর আগে চোট সমস্যায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। বিশেষ করে দলের পেস আক্রমণের ছবিটা হাসপাতালের মতো। সেই কারণেই এ বার কেকেআরকে কেউ ভয় পাবে না, এমনটাই মনে হচ্ছে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে কেকেআরের শক্তি ও দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা করছিলেন অশ্বিন। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় না কেকেআরের বোলিং আক্রমণ দেখে এ বার কেউ ভয় পাবে।” নিলামের পর কলকাতার পেস আক্রমণে বদল হয়েছে। বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দিয়েছে তারা। শ্রীলঙ্কার মাথিশা পাথিরানা চোট পেয়েছেন। তিনি কতটা সুস্থ জানা যায়নি। পেসার হর্ষিত রানার আইপিএলও কার্যত শেষ। শনিবার জানা গিয়েছে, ছিটকে গিয়েছেন আকাশদীপও।
চোটের কারণে কেকেআরের বোলিং দুর্বল হয়ে গিয়েছে বলে মনে করেন অশ্বিন। তিনি বলেন, “নিলামের পর বলেছিলাম, কেকেআরের বোলিং আক্রমণ বেশ শক্তিশালী। কিন্তু মুস্তাফিজুর আর নেই। পাথিরানা ও হর্ষিত চোট পেয়েছে। হ্যাঁ ব্লেসিং মুজারাবানিকে ওরা সই করিয়েছে। ওকে দেখতে মুখিয়ে আছি। কিন্তু এত চোট থাকলে দল তো শুরুতেই পিছিয়ে পড়বে।”
পেস আক্রমণ সমস্যায় পড়লেও স্পিন আক্রমণে তো বরুণ চক্রবর্তী, সুনীল নারাইনের মতো ক্রিকেটার রয়েছেন। তাতেও কেকেআর বিশেষ সুবিধা করতে পারবে না বলে মনে করেন অশ্বিন। তিনি বলেন, “কেকেআরের বোলিংয়ের সেই রহস্য উধাও। আগে ওদের বিরুদ্ধে নামার আগে ব্যাটারদের অনেক প্রস্তুতি নিতে হত। কিন্তু বরুণের ফর্ম ভাল নয়। নারাইনও আগের সেই বল করতে পারে না। ইডেন ছোট মাঠ। সেখানে ব্যাটারদের থামানো ওদের পক্ষে কঠিন। আমার মনে হয় এ বার ব্যাটারেরা ওদের বিরুদ্ধে শুরু থেকে আগ্রাসী ক্রিকেট খেলবে।”
আরও পড়ুন:
শ্রেয়স আয়ারকে ছেড়ে দিয়ে কলকাতা যে ভুল করেছে তার খেসারত তাদের দিতে হবে বলে মনে করেন অশ্বিন। তাঁর কথায়, “কেকেআর লড়বে, কিন্তু জিততে পারবে না। ওরা শেষ বার শ্রেয়সের নেতৃত্বে জিতেছিল। পরের বারই ওকে সরিয়ে দিল। নতুন দলেও শ্রেয়স দেখাল, ও কী করতে পারে। আমার মনে হয়, শ্রেয়স থাকলে কিছু একটা বিকল্প পরিকল্পনা করতে পারত। এ বার আর সেটা হবে না।”
আইপিএলে ২৯ মার্চ নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে কেকেআর। প্রতিপক্ষ মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। এখন দেখার ওয়াংখেড়েতে অশ্বিনের ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি প্রমাণিত হয় কি না।