জম্মু-কাশ্মীরের বিরুদ্ধে স্বস্তিতে নেই বাংলা। রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালের দ্বিতীয় দিনের খেলার শেষে প্রথম ইনিংসে অভিমন্যু ঈশ্বরণেরা এগিয়ে ১৩০ রানে। মহম্মদ শামি, আকাশ দীপদের আরও ৫ উইকেট নিতে হবে। সোমবার খেলার শেষে বাংলার ৩২৮ রানের জবাবে জম্মু-কাশ্মীরের রান ৫ উইকেটে ১৯৮। অন্য সেমিফাইনালে উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে ৬৮৯ রান তুলেছে কর্নাটক।
বাংলার হয়ে ব্যাট হাতে লড়লেন একা সুদীপ ঘরামি। তাঁর ১৪৬ রানের ইনিংসই ঈশ্বরণদের ফাইনালে ওঠার আশা জিইয়ে রেখেছে। রবিবার ১৩৬ রান করে অপরাজিত থাকা সুদীপ সোমবার আরও ১০ রান করে আউট হয়ে যান। তার পর বাংলার ইনিংস তেমন এগোল না। সুমন্ত গুপ্ত ছাড়া কেউই কল্যাণীর চেনা ২২ গজে দাঁড়াতে পারলেন না। সুমন্ত করলেন ৩৯ রান। হাবিব গান্ধী (৪), আকাশ (৭), শামিরা (১) ভরসা দিতে পারলেন না। শেষে ১১ রানে অপরাজিত থাকেন মুকেশ কুমার। জম্মু-কাশ্মীরের সফলতম বোলার আকিব নবি ৮৭ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন। ৪১ রানে ৩ উইকেট সুনীল কুমারের। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন যুধবীর সিংহ এবং আবিদ মুস্তাক।
জবাবে শুরুটা ভাল হয়নি জম্মু-কাশ্মীরের। শামি-মুকেশের দাপটে ১৩ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা। শামি আউট করেন দুই ওপেনার শুভমন খাজুরিয়া (৩) এবং ইয়ায়ির হাসানকে (২)। মুকেশ ফিরিয়ে দেন তিন নম্বরে নামা শুভম পুন্ডিরকে (৮)। এই সুবিধা ধরে রাখতে পারেননি ঈশ্বরণেরা। চাপের মুখে জম্মু-কাশ্মীরের ইনিংসের হাল ধরেন অধিনায়ক পরশ দোগরা এবং আব্দুল সামাদ। চার নম্বরে নেমে দোগরা করেন ৫৮ রান। পাঁচ নম্বরে নামা সামাদের ব্যাট থেকে এসেছে ৮২ রানের ইনিংস। চতুর্থ উইকেটের জুটিতে ১৪৩ রান যোগ করে তাঁরা পরিস্থিতি সামলান। দিনের শেষে কানহাইয়া ওয়াধাবন ১০ রানে এবং আবিদ মুস্তাক ২৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন। ৬০ রানে ৩ উইকেট শামির। ৪০ রানে ২ উইকেট মুকেশের। বাংলা শিবির প্রথম ইনিংসের গুরুত্বপূর্ণ লিডের জন্য শামিদের দিকেই তাকিয়ে।
অন্য দিকে, উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের শেষে কর্নাটক রানের পাহাড়ে। ৬ উইকেটে ৬৮৯ রান তুলেছেন দেবদত্ত পাড়িকলেরা। লোকেশ রাহুল, পাড়িক্কলের পর শতরান রবিচন্দ্রন সামারানের। আগের দিন অপরাজিত পাড়িক্কল শেষ পর্যন্ত করেন ২৩২ রান। আগের দিন আর এক অপরাজিত ব্যাটার করুণ নায়ার করেন ৬০। সামারান অপরাজিত রয়েছেন ১২১ রানের ইনিংস খেলে। তাঁর সঙ্গে ২২ গজে রয়েছেন বিদ্যাধর পাতিল (৩৫)। এর মাঝে ৬০ রানের ইনিংস খেলেছেন ক্রুথিক কৃষ্ণ। উত্তরাখণ্ডের সফলতম বোলার আদিত্য রাওয়াত ১৩২ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন।