গত বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের হাতেই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। জয়ের কাছ থেকে হারতে হয়েছিল। এ বার সুপার এইটে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই ভারতের সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা। গত বারের ফাইনালে ভারতের কাছে হারের ভূত কি তাড়া করছে তাদের? ম্যাচের আগের দিন তার জবাব দিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার কুইন্টন ডি’কক।
শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে ডি’কক জানিয়েছেন, ভারতের কাছে সেই হারের বিষয়ে কথাই বলেন না তাঁরা। নিজেরাও পারতপক্ষে তা ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। ডি’কক বলেন, “সত্যি বলতে, সেই ম্যাচের শেষেই আমরা তার কথা ভুলে গিয়েছি। আমরা কেউই সেই ম্যাচের কথা মনে রাখতে চাই না। সেই ম্যাচ নিয়ে কোনও কথা বলি না। আমরা সকলে গত বার হারের পর বাড়ি ফিরে নিজের মতো করে ম্যাচটা ভোলার চেষ্টা করেছি। তাতে সফলও হয়েছি।”
গত বারের ফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে রান তাড়া করতে নেমে অক্ষর পটেলের এক ওভারে ২৪ রান করেছিলেন হাইনরিখ ক্লাসেন। ফলে ৩০ বলে ৩০ রান দরকার ছিল তাদের। সেখান থেকে ম্যাচ হেরেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই ম্যাচের পরেই প্রোটিয়া ক্রিকেটারদের শরীরী ভাষা দেখে বোঝা যাচ্ছিল, এই স্মৃতি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাঁরা ভোলার চেষ্টা করবেন। ডি’কক জানালেন, সেটাই করেছেন তাঁরা।
আরও পড়ুন:
এ বার মাঠ আলাদা। দল আলাদা। ম্যাচের পরিস্থিতিও আলাদা। ফাইনাল নয়, সুপার এইটে দুই দল মুখোমুখি হচ্ছে। দু’দলই গ্রুপ পর্বে নিজেদের সব ম্যাচ জিতেছে। অপরাজিত থেকে নামছে তারা। অহমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে সেই ম্যাচ। যে দল এই ম্যাচ জিতবে তারা সুপার এইট থেকে সেমিফাইনালের পথে একধাপ এগিয়ে যাবে। সেই লক্ষ্যেই নামতে চাইছেন ডি’ককেরা। অতীতের কথা মনে রাখতে চাইছেন না তাঁরা।
এ বারের বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে প্রস্তুতি ম্যাচেও দু’দল মুখোমুখি হয়েছিল। সেই ম্যাচ জিতেছিল ভারত। তবে সূর্যকুমার যাদবদের লড়াই যে সহজ হবে না তা পরিষ্কার। কারণ, গ্রুপ পর্বে চার ম্যাচের মধ্যে তিনটিই অহমদাবাদে খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই মাঠ ও পিচের সঙ্গে ভাল ভাবে মানিয়ে নিয়েছে তারা। অন্য দিকে ভারত গ্রুপের শেষ ম্যাচ এই মাঠে খেলেছে। এখন দেখার, রবিবার কোন দল বাজিমাত করে। ভারত জয়ের ধারা জারি রাখে। নাকি আগের বারের ফাইনালে হারের বদলা নিতে পারেন ডি’ককেরা।