নিজের তৈরি সংস্থা থেকে সরেই গেলেন নোভাক জোকোভিচ। ২০২০ সালে প্রফেশনাল টেনিস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন জোকার। সেই সংগঠনের সদস্য পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ২৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক।
সমাজমাধ্যমে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন জোকার। তিনি লিখেছেন, ‘‘ভাবনা চিন্তা করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রফেশনাল টেনিস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন থেকে সম্পূর্ণ ভাবে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। স্বচ্ছতা, সুশাসন, আমার বক্তব্য এবং ভাবমূর্তির কথা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সব মিলিয়ে যে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার প্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত।’’
আর একটি পোস্টে জোকোভিচ লিখেছেন, ‘‘নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে আমি এবং ভাসেক প্রফেশনাল টেনিস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন করেছিলাম। যে দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আমরা শুরু করেছিলাম, তার জন্য আমি গর্বিত। এই সংগঠন খেলোয়াড়কে কন্ঠস্বরকে শক্তিশালী করেছে। সকলকে স্বাধীন ভাবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দিয়েছে। কিন্তু সংস্থার বর্তমান পরিচালন ব্যবস্থার সঙ্গে আমার মূল্যবোধ এবং দৃষ্টিভঙ্গি মিলছে না।
প্রফেশনাল টেনিস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন আন্তর্জাতিক সূচিতে ভারসাম্য আনার চেষ্টা করছে। টেনিসকে ডোপিং মুক্ত রাখার জন্য সচেষ্ট হয়েছে। তবে ডোপ পরীক্ষার নামে খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত সামগ্রী তল্লাশি এবং রাতে বাড়িতে তল্লাশির বিপক্ষে। যে কোনও সময় পরীক্ষারও বিরোধী পেশাদার টেনিস খেলোয়াড়দের এই সংস্থা। খেলোয়াড়দের স্বার্থে প্রতিযোগিতার আয়োজক এবং ট্যুর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আদালতেও গিয়েছে প্রফেশনাল টেনিস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন। তাদের আশঙ্কা দু’তরফের যোগসাজশে প্রতিযোগিতার সংখ্যা এবং পুরস্কার মূল্য কমিয়ে দেওয়া হতে পারে। সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নিক কিরিয়স-সহ ১২ জন খেলোয়াড় আইনি লড়াই শুরু করেছেন। তাঁদের দাবি, সমস্ত খেলোয়াড়ের স্বার্থে কাজ করছেন।
আরও পড়ুন:
আইনি লড়াইয়ের পক্ষে নন বিশ্বের এক নম্বর কা্র্লোস আলকারাজ়। একই কারণে নিজের তৈরি সংগঠনের সঙ্গে দূরত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছিল জোকারের। শেষ পর্যন্ত সম্পর্ক ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিলেন বিশ্বের প্রাক্তন এক নম্বর টেনিস খেলোয়াড়।