ন্যাশনাল অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সি বা নাডা সোমবারই ১৪ জন ক্রিকেটার-সহ ৩৪৭ জন খেলোয়াড়ের তালিকা প্রকাশ করেছে। বছরের যে কোনও সময় যাঁদের ডোপ পরীক্ষার জন্য ডাকা হতে পারে। তার পরই দেশের এক ক্রিকেটার ধরা পড়ে গেলেন ডোপ পরীক্ষায়। তাঁর তিনটি আলাদা নমুনা পরীক্ষার ফলেই নিষিদ্ধ ড্রাগের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, উত্তরাখণ্ডের জোরে বোলার রাজন কুমারের নমুনা পরীক্ষার পরে নিষিদ্ধ ড্রাগের অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে। সোমবার বিকালে রাজনের ডোপ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছেন নাডা কর্তৃপক্ষ। উত্তরাখণ্ডের হয়ে গত সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে শেষ খেলেছেন। গত ৮ ডিসেম্বর দিল্লির বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। সে সময় তাঁর ডোপ পরীক্ষা হয়। রাজনকে সাময়িক ভাবে নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করেছে নাডা। আরও কঠিন শাস্তি হতে পারে তাঁর।
২৯ বছরের বাঁহাতি জোরে বোলারের নমুনায় দু’রকম নিষিদ্ধ ড্রাগ পাওয়া গিয়েছে। অ্যানাবলিক স্টেরয়েড ড্রোস্টানোলোন এবং মেটেনোলোন পাওয়া গিয়েছে। পাওয়া গিয়েছে ক্লোমিফেনও। যা সাধারণত মহিলাদের বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসার ওষুধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। পুরুষদের টেস্টোটেরনের মাত্রা বৃদ্ধিতেও সহায়ক হয় ক্লোমিফেন। অভিযুক্ত রাজনের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি এ ব্যাপারে। উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থাও এ ব্যাপারে মুখ খোলেনি।
ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে নিষিদ্ধ শক্তি বর্ধক ওষুধ ব্যবহারের প্রবণতা তেমন নেই। এর আগে ২০১৯ সালে ডোপ পরীক্ষায় ধরা পড়েছিলেন পৃথ্বী শ। অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছিলেন ভারতীয় দলের ব্যাটার। তিনি আট মাসের জন্য নিলম্বিত হয়েছিলেন। ২০২০ সালে ডোপ পরীক্ষায় ধরা পড়েন মধ্যপ্রদেশের অলরাউন্ডার অনশুলা রাও। স্বাভাবিক ভাবেই রাজনের ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন:
২০২৬ সালে এশিয়ান গেমস এবং কমনওয়েলথ গেমস রয়েছে। ২০৩০ সালে কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক ভারত। ২০৩৬ সালে অলিম্পিক্সও আয়োজন করতে চায় ভারত। তাই ডোপ পরীক্ষা আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে নাডা এবং কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রক।