E-Paper

রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ আর্তেতার, বিদ্রুপ সিমিয়োনের

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার এক মিনিট আগে পেনাল্টি থেকে গোল করেই আর্সেনালকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ভিক্টর ইয়োকেরেস। নিজেদের পেনাল্টি বক্সের মধ্যে আতলেতিকো ডিফেন্ডার ডেভিড হাঙ্কো ফাউল করেন আর্সেনালের স্ট্রাইকারকে।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ০১ মে ২০২৬ ০৭:১৭
উত্তেজনা: রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ হাঙ্কোর।

উত্তেজনা: রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ হাঙ্কোর। ছবি: গেটি ইমেজেস।

উয়েফা চ‌্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের প্রথম পর্বে আতলেতিকো দে মাদ্রিদের বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও ১-১ ড্র করতে হয় আর্সেনালকে। ম‌্যাচের শেষে বিতর্কিত রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আর্সেনালের ম‌্যানেজার মিকেল আর্তেতা।

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার এক মিনিট আগে পেনাল্টি থেকে গোল করেই আর্সেনালকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ভিক্টর ইয়োকেরেস। নিজেদের পেনাল্টি বক্সের মধ্যে আতলেতিকো ডিফেন্ডার ডেভিড হাঙ্কো ফাউল করেন আর্সেনালের স্ট্রাইকারকে। পেনাল্টি থেকে ভিক্টরই ১-০ করেন। ৫৬ মিনিটে আতলেতিকোর ইউলিয়ান আলভারেসও সমতা ফেরান পেনাল্টি থেকে। কিন্তু ম্যাচের শেষ পর্বে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আবহ। আর্সেনালের এবেরেচি এজ়ের বিরুদ্ধে হওয়া ফাউলে রেফারি ড‌্যানি ম‌্যাকেলি প্রথমে পেনাল্টির নির্দেশ দেন। টেলিভিশন রিপ্লেতে দেখা গিয়েছে এজ়ের পায়ের পাতার উপরে চাপ দিয়েছেন আতলেতিকোর হাঙ্কো।

রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেওয়ায় রিজ়ার্ভ বেঞ্চের সামনে হাত ছুড়ে ক্ষোভ উগরে দেন দিয়েগো সিমিয়োনে। আতলেতিকোর ম্যানেজারের আচরণে ক্ষুব্ধ ইংল্যান্ড কিংবদন্তি স্টিভন জেরার। তিনি বলেছেন, ‘‘এই কারণেই আতলেতিকো দে মাদ্রিদকে অনেকে অপছন্দ করে। রেফারি মাঠের বাইরে ভিএআর স্ক্রিনের দিকে তাকানোর আগেই সিমিয়োনে তাঁর মুখের একেবারে সামনে চলে যান এবং হাত নেড়ে অঙ্গভঙ্গি করতে থাকেন। এখানেই থামেননি, রেফারি যখন স্ক্রিনের সামনে দাঁড়ালেন, তখন তাঁর কানের কাছে গিয়ে কথা বলতে শুরু করলেন। এই ধরনের অভিনয়ে সিমিয়োনে সেরা।’’

ভিডিয়ো প্রযুক্তি (ভিএআর) ব্যবহার করে রেফারি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। ম্যাচের পরে ক্ষুব্ধ আর্সেনাল ম্যানেজার বলেছেন, ‘‘কী ভাবে এজ়ের পেনাল্টি বাতিল করা হল, বুঝতে পারছি না। যদি কাউকে ১৩ বার রিপ্লে দেখতে হয়, তা হলে প্রমাণ হয় সিদ্ধান্তটা ঠিক ছিল।” এর পরেই বিদ্রুপের সুরে যোগ করেছেন, “যে ভাবে আমাদের বেনের পেনাল্টি মেনে নিতে হয়েছে, ঠিক সে ভাবে এজ়ের ক্ষেত্রেও স্পষ্ট পেনাল্টি ছিল।” পাল্টা জবাব দিয়েছেন সিমিয়োনেও। তাঁর কথায়, ‘‘ভিক্টর তো অপেক্ষাই করেছিল যাতে হাঙ্কো ওর শরীর স্পর্শ করে। ভিডিয়ো প্রযুক্তির কল্যাণে বোঝা গিয়েছে, এজ়েকে ফাউল করা হয়নি এবং পেনাল্টি ছিল না।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

UEFA Champions League Arsenal Match Referee Controversy

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy