ঠিক দু’মাস আগের ঘটনা। কেরল ব্লাস্টার্স ম্যাচের আগে ইস্টবেঙ্গলের কিছু কর্তাকে ‘ক্ষতিকারক’ বলে বর্ণনা করেছিলেন অস্কার ব্রুজ়ো। সেই ম্যাচ ড্র হওয়ার পর অস্কারকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগানও শুনতে হয়। সেই ইস্টবেঙ্গল কর্তারাই এ বার অস্কারকে ধরে রাখার জন্য মাঠে নামলেন। বিনিয়োগকারী সংস্থা ইমামিকে তাঁরা অনুরোধ করেছেন, পরের মরসুমেও যেন অস্কারকে রেখে দেওয়া হয়।
মুম্বই ম্যাচের আগে অস্কার ঘোষণা করেছিলেন, মরসুম শেষ হলেই তিনি দায়িত্ব ছাড়বেন। দোষ দিয়েছিলেন দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাব এবং নতুন চুক্তিতে বিনিয়োগকারীদের অনিচ্ছাকে। এ দিন ইস্টবেঙ্গল ক্লাব এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ক্লাবের কর্মসমিতির তরফে অস্কারকে ধরে রাখার অনুরোধ করা হয়েছে ইমামিকে। অস্কারের অধীনে দলও ভাল খেলছে। পরের মরসুমে অস্কারকে ধরে রাখা হলে সঠিক পরিকল্পনা এবং দলের উন্নতির পাশাপাশি যে ইতিবাচক ছন্দ তৈরি হয়েছে সেটাও ধরে রাখা যাবে।
এক ভিডিয়ো বার্তায় দেবব্রত (নীতু) সরকার বলেন, “আমরা ইমামিকে চিঠি লিখে অনুরোধ করেছি যাতে অস্কারের সঙ্গে আলোচনা করে ওকে রাজি করিয়ে আগামী বছরেও কোচ রাখা যায়।”
উল্লেখ্য, মুম্বই ম্যাচের আগে সেই সাংবাদিক বৈঠকে অস্কার বলেছিলেন, “ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত কিছু ক্ষতিকারক লোক রয়েছেন যাঁরা মনে হয় দলের উন্নতি দেখতে চান না। সমর্থকেরা হতাশ, এ রকম একটা বিষয় তুলে ধরে আমাদের সমালোচনা করা হচ্ছে। হয়তো তাঁদের লক্ষ্য ইচ্ছাকৃত ভাবে দলে ভাঙন ধরানো বা অস্থির করে তোলা। কিন্তু আমরা সে সবে আমল দিচ্ছি না। আমরা নিজেদের মতোই খেলব।”
আরও পড়ুন:
সে দিনই এক ভিডিয়ো বার্তায় দেবব্রত বলেছিলেন, “আমরা অস্কারের উপরে আস্থা রাখছি। আমরা বিশ্বাস করি উনিই সাফল্য এনে দেবেন। উনি নিজেই এই দল গড়েছেন। বিনিয়োগকারীও অনেক অর্থ দিয়েছে। কোচকে একটাই অনুরোধ, উনি দলের দিকে নজর দিন। গোটা বিশ্বেই দল খারাপ খেললে সমর্থকেরা হতাশ হন। সমর্থকদের আঘাত না করলেই ভাল। কোচ একজন পেশাদার। আজ আছে, কাল নেই। ওঁর কথায় আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি না।”