আইএসএলের সম্প্রচার জট অনেকটাই কাটল। খেলা দেখাতে আগ্রহী সাতটি সংস্থা। প্রত্যেকেই আলাদা আলাদা ভাবে ‘বিড’ করেছে সম্প্রচার স্বত্বের জন্য। তবে সবচেয়ে ভাল ‘বিড’ দিয়ে বাকিদের থেকে দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে ভারতীয় সংস্থা ‘ফ্যানকোড’। সোমবার সকালে ফেডারেশন বিড খুলেছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে তারাই।
সম্প্রচারকারী সংস্থা, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, প্রোডাকশন সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়া উপদেষ্টা সংস্থা-সহ অনেকেই আইএসএল দেখানোর ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে। ফলে ভারতের ফুটবল নিয়ে যে একেবারেই কারও আগ্রহ ছিল না, এ কথা পুরোপুরি বলা যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, লিগ নিয়ে অচলাবস্থা কাটতেই সংস্থাগুলি আগ্রহ দেখিয়েছে।
সোমবার সকাল ১১টা নাগাদ বিডগুলি খোলা হয়। গত ১৮ জানুয়ারি সম্প্রচারের জন্য বিডের প্রস্তাব আহ্বান করেছিল ফেডারেশন। শেষ দিন ছিল ১ ফেব্রুয়ারি। জল্পনা থাকা সত্ত্বেও সোনি এবং জ়ি, দুই বড় সংস্থা আইএসএল দেখাতে আগ্রহ প্রকাশ করেনি।
সম্প্রচার স্বত্বের জন্য ফেডারেশন মোট পাঁচটি প্যাকেজের ব্যবস্থা রেখেছিল। তার মধ্যে তিনটি প্যাকেজে আগ্রহ দেখিয়েছে ফ্যানকোড। তার মধ্যে বিশ্বব্যপী সম্প্রচারের ব্যবস্থা, টিভি সম্প্রচার, ডিজিটাল সম্প্রচার সবই রয়েছে। ব্রিটেনের ক্রীড়া উপদেষ্টা সংস্থা ‘টু সার্কলস’ও তিনটি প্যাকেজ বেছে নিয়েছে। তবে তারা বিশ্বব্যপী সম্প্রচারের দায়িত্ব নিতে রাজি নয়। দৌড়ে রয়েছে এবিপি নেটওয়ার্কও। তারা ডি এবং ই প্যাকেজ নিয়েছে। তার মধ্যে শুধু ডিজিটাল সম্প্রচার এবং বিশ্বব্যপী সম্প্রচার রয়েছে। জিয়োস্টার শুধু ডিজিটাল সম্প্রচারে আগ্রহী।
পিআর সলিউশন্সের সঙ্গে জোট বেধে মনার্ক সংস্থা ডি এবং ই প্যাকেজে আগ্রহ দেখিয়েছে। স্পোর্টসওয়ার্কজ় এবং কেপিএস সংস্থা শুধু ই প্যাকেজে আগ্রহী। জানা গিয়েছে, সময়সীমা বাড়ানোর জন্য ফেডারেশনকে অনুরোধ করেছিল সোনি। তা খারিজ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন:
বিড খোলার পর গুণমান এবং অর্থপ্রাপ্তির নিরিখে সঠিক সংস্থা বেছে নেওয়া হবে। প্রথমে খতিয়ে দেখা হবে টেকনিক্যাল দিক, যেখানে আগ্রহী সংস্থাগুলির সম্প্রচারের অভিজ্ঞতা, ক্যামেরা এবং পরিকাঠামো এবং জনপ্রিয়তাকে দেখা হবে। এর পর কোন সংস্থা কত অর্থ ফেডারেশনকে দিতে পারছে তা দেখা যাবে। ৭০ শতাংশ টেকনিক্যাল স্কোর এবং ৩০ শতাংশ আর্থিক স্কোর, এই বিচারে যে সংস্থা বাকিদের চেয়ে এগিয়ে থাকবে, তারাই আইএসএলের সম্প্রচারের দায়িত্ব পাবে।