×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২৫ জুলাই ২০২১ ই-পেপার

লিনের গানে উৎসব সেরে হায়দরাবাদে কেকেআর

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ৩০ এপ্রিল ২০১৭ ০৩:৫৩
—ফাইল চিত্র।

—ফাইল চিত্র।

দিল্লি ডেয়ারডেভিলসকে হারিয়ে শুক্রবার রাতে ইডেনের ড্রেসিংরুমে অভিনব উৎসব সারলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের ক্রিকেটাররা।

গত বছর একটা গান বেঁধেছিলেন ক্রিস লিন। তিনি বা তাঁর সতীর্থ বিদেশি ক্রিকেটাররা তো আর ‘করব, লড়ব, জিতব রে’ ঠিকমতো গাইতে পারবেন না। তাই ড্রেসিংরুমে সবাই মিলে গাওয়ার জন্য ইংরেজিতে গানটা তৈরি করেছিলেন লিন। সেই গানটা লিনের অনুপস্থিতিতে ড্রেসিংরুমে ফিরিয়ে এনে হায়দরাবাদ যাওয়ার আগে দলকে চাঙ্গা করে দিলেন ইউসুফ পাঠান। লিনের লেখা গানটি এ রকম: সো পুট ইওর হ্যান্ড অন ইওর হার্ট অ্যান্ড সিংগ... প্লেইং ফর কেকেআর মিনস্ এভরিথিংগ... ফ্রম ইডেন গার্ডেনস টু এভরি ব্রেক থ্রু... ইটস মোর দ্যান জাস্ট মি অ্যান্ড ইউ... উই টার্ন আপ টু প্লে ফর এসআরকে... ইটস পার্পল ইন আওয়ার ব্লাড... ইউউউউউউ বিউটি! যার বাংলা অনুবাদ করলে দাঁড়ায়, বুকে হাত রেখে গাও... কেকেআরের হয়ে খেলাই সব... ইডেন গার্ডেন্স থেকে প্রতি নাটকীয় মোড়ে... এ আমার-তোমার থেকেও বেশি কিছু... আমরা এসআরকে-র জন্য খেলি... আমাদের রক্তে বেগুনি... কেকেআর, তুমি দারুণ!

ইউসুফের সতীর্থরা সবাই মিলে তাঁর সঙ্গে গলা মেলান। কেকেআর কর্তারাও কেউ কেউ সেখানে ছিলেন। রীতিমতো উচ্ছ্বাসের আবহ তখন নাইটদের ড্রেসিংরুমে। সতীর্থদের কাণ্ড দেখে হেসে গড়াগড়ি খাওয়ার উপক্রম ক্যাপ্টেন গৌতম গম্ভীরের। নাইটদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটেই এই অভিনব উৎসবের ভিডিও আপলোড করা হয়েছে। হোটেলে ফিরে ফের একদফা কেক কাটা হয়। ক্রিকেটারেরা একে অন্যের মুখে কেক মাখিয়েও দিলেন। বাইপাসের ধারে কেকেআরের টিম হোটেলে নাইটদের সুখী সংসারে ম্যাচ জিতে উৎসব করাটা এ বার রুটিন হয়ে গিয়েছে। পরপর ম্যাচ খেলতে হচ্ছে। কিন্তু তার মধ্যেও ম্যাচ জিতে চুটিয়ে সেলিব্রেশন চলল। তার পর শনিবার বিকেলের বিমানে হায়দরাবাদে উড়ে গেল কেকেআর। আহত লিনকে অবশ্য শহরে রেখেই গেলেন গম্ভীররা।

Advertisement

তিন নম্বর দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ম্যাচ আজ, রবিবার রাতে। শুক্রবার মোহালিতে কিংগস ইলেভেন পঞ্জাবকে অনায়াসে হারিয়ে নিজেদের শহরে ফিরেছে হায়দরাবাদ। প্লে অফে ঢুকে পড়ার লড়াইয়ে যুবরাজ সিংহ-শিখর ধবনরাও রয়েছেন। সেই কারণেই রবিবারের ম্যাচ দু’দলের কাছেই যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। হায়দরাবাদকেও দশ দিনে চার শহরে পাঁচ ম্যাচ (একটা পরিত্যক্ত) খেলতে হয়েছে।

Advertisement