বিপক্ষের দেওয়া ১৮৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওপেনিং জুটিতেই ১৭২ রান। বৃহস্পতিবার বিরাট কোহলি এবং ফ্যাফ ডুপ্লেসি এ ভাবেই জিতিয়ে দিলেন আরসিবিকে। কোহলি শতরান করলেন। ডুপ্লেসি অর্ধশতরান করে ফিরলেন। আইপিএলের প্রতি ম্যাচেই শুরুটা ভাল করতে দেখা যাচ্ছে এই জুটিকে। কী তাঁদের সাফল্যের রসায়ন? ম্যাচের পর সেই নিয়ে কথা বলেছেন কোহলি।
অতীতে কোহলির সঙ্গে এবি ডিভিলিয়ার্সের প্রচুর লম্বা জুটি দেখা গিয়েছে। ৭৬টি ইনিংসে ৩১২৩ রান করেন তাঁরা। তার মধ্যে ১০টি ১০০ রানের জুটি রয়েছে। কোহলি এবং ডুপ্লেসিরও ১০০০-এর বেশি রানের জুটি হয়ে গিয়েছে। কোহলি জানিয়েছেন, ডিভিলিয়ার্সের সঙ্গে ব্যাট করে যে মজা, সেটাই পেয়েছেন ডুপ্লেসির থেকে।
কোহলির কথায়, “ফ্যাফের সঙ্গে ব্যাট করতে দারুণ লাগে। আমরা এই মরসুমে প্রায় ৯০০ রান (১১১৬) করে ফেলেছি। এবির সঙ্গে ব্যাট করলে যে রকম উপভোগ করতাম, ডুপ্লেসির সঙ্গেও তেমনই উপভোগ করি।”
সাফল্যের রসায়ন ব্যাখ্যা করে কোহলির সংযোজন, “খেলাটা কোন দিকে গড়াচ্ছে এবং কী করতে হবে, সেটা আমরা দু’জনেই ভাল বুঝতে পারি। একে অপরকে তাতিয়ে দিই এবং কোন বোলারের বিরুদ্ধে কী রকম খেলা উচিত, সেটা নিয়ে পরামর্শ দিই। খুব অল্প সময় পেয়েছি ওপেনিংয়ে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার জন্যে। কিন্তু যে প্রভাবটা ফেলতে পেরেছি তা গুরুত্বপূর্ণ।”
আরও পড়ুন:
সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার ৬৩ বলে ১০০ রান করেন বিরাট। ম্যাচের সেরাও হন তিনি। ম্যাচ শেষে কোহলি আরও বলেন, “এটা ষষ্ঠ শতরান। নিজেকে খুব বেশি কৃতিত্ব দিচ্ছি না এটার জন্য। অনেক চাপ আছে। কে কী বলছেন সেটা নিয়ে আমি ভাবি না। সেগুলো তাঁদের ব্যক্তিগত মতামত।” এ বারের আইপিএলে এখনও পর্যন্ত ৫৩৮ রান করে ফেলেছেন বিরাট। রান পেলেও বিরাটের সমালোচনা করা হয়েছে স্ট্রাইক রেট কম থাকার জন্য। বৃহস্পতিবার সেই সব কিছুর উত্তর দিয়েছেন তিনি। ৩৫ বলে অর্ধশতরান করেছেন। ছক্কা হাঁকিয়ে শতরান করেছেন।
শেষ কয়েক ম্যাচে রান পাচ্ছিলেন না বিরাট। তিনি বলেন, “শেষ কয়েকটা ম্যাচে আমি রান পাইনি। নেটে যে ভাবে খেলছিলাম, ম্যাচে সেটা হচ্ছিল না। তাই এই ম্যাচে কিছু করতে চেয়েছিলাম। প্রথম বল থেকে বোলারদের উপর চেপে বসতে চেয়েছিলাম। এই মরসুমে যেটা বার বার করছিলাম। রানের লক্ষ্যটা বড় ছিল, কিন্তু আমি প্রথম থেকেই নিজের মতো খেলছিলাম।”